ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রেক চাপলেও থামেনি পদ্মায় ডোবা বাসটি
আসছে টানা ৫ দিনের ছুটির সুযোগ
গোয়েন্দা প্রতিবেদন, ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি
বাংলাদেশসহ ৬ দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পাবে : ইরান
‘২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পুরো স্ট্রাটেজি সাজিয়ে দিয়েছিল ডিপ স্টেট’
দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ, দর্শনার্থীদের ভিড়
বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের, সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি
দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি বেবিচকের
দেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
যুক্তরাজ্যের হিথ্রো, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ও জার্মানির বার্লিনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে বেবিচক দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
বেবিচকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানের স্বাক্ষরে জারি করা ওই নির্দেশনাটি দেশের সব বিমানবন্দরের প্রধান এবং সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বিমান পরিবহন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের শক্তিশালী ও জটিল পাসওয়ার্ড
ব্যবহারের পাশাপাশি সন্দেহজনক ই-মেইল বা অজানা লিংকে ক্লিক না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে, পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে এবং দাপ্তরিক ডিভাইসে ব্যক্তিগত অ্যাপ ইনস্টল না করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) চালুর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে বেবিচকের সিএএবি সার্ট (CAAB-CERT) টিম, আইটি বিভাগ এবং জাতীয় সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমকে জানাতে হবে। বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ই সেপ্টেম্বর সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, সম্প্রতি লন্ডনের কয়েকটি
বিমানবন্দরে সাইবার হামলার কারণে ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ওই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বেবিচকের ওয়েবসাইটেও সাইবার হামলার একটি ঘটনা ঘটেছিল। এর পর জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা জরুরি ভিত্তিতে বেবিচকের সাইবার ঝুঁকি মূল্যায়নের পরামর্শ দেয়। সেই পরামর্শ অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য দ্রুত একটি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান নিয়োগের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। বেবিচকের এক কর্মকর্তা বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিমানবন্দরগুলো এখন সাইবার হুমকির বড় ঝুঁকিতে। আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে কোনো ধরনের আক্রমণ বা বিঘ্ন ঘটলেও দেশের বিমান পরিবহন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”
ব্যবহারের পাশাপাশি সন্দেহজনক ই-মেইল বা অজানা লিংকে ক্লিক না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত হালনাগাদ রাখতে, পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে এবং দাপ্তরিক ডিভাইসে ব্যক্তিগত অ্যাপ ইনস্টল না করতে বলা হয়েছে। এছাড়া মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) চালুর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে বেবিচকের সিএএবি সার্ট (CAAB-CERT) টিম, আইটি বিভাগ এবং জাতীয় সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমকে জানাতে হবে। বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ই সেপ্টেম্বর সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, সম্প্রতি লন্ডনের কয়েকটি
বিমানবন্দরে সাইবার হামলার কারণে ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ওই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বেবিচকের ওয়েবসাইটেও সাইবার হামলার একটি ঘটনা ঘটেছিল। এর পর জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা জরুরি ভিত্তিতে বেবিচকের সাইবার ঝুঁকি মূল্যায়নের পরামর্শ দেয়। সেই পরামর্শ অনুযায়ী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য দ্রুত একটি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান নিয়োগের বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। বেবিচকের এক কর্মকর্তা বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিমানবন্দরগুলো এখন সাইবার হুমকির বড় ঝুঁকিতে। আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে কোনো ধরনের আক্রমণ বা বিঘ্ন ঘটলেও দেশের বিমান পরিবহন কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”



