মোহাম্মদ আলী আরাফাত
আরও খবর
খুনি-ফ্যাসিস্ট, জঙ্গি-মদদদাতা, অবৈধ-দখলদার ইউনূস গং কর্তৃক
ইউনুসের দৌলতে দেশের অর্থনীতি এখন লাশকাটা ঘরে
নির্বাচন, নিষেধাজ্ঞা ও সংখ্যালঘু নির্যাতন: পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের এমপির গভীর উদ্বেগ
খলিলুর রহমানের সফরের দুই দিন পরই বড় ধাক্কা: কেন বাংলাদেশের ওপর এই নজিরবিহীন মার্কিন সিদ্ধান্ত?
নির্বাচন আওয়ামীলীগ ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ: লন্ডন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যথাম হাউসের সতর্কবার্তা
পে-স্কেল না দিলে নির্বাচনী দায়িত্বে না যাবার ঘোষণা দিতে পারেন সরকারি চাকরিজীবীরা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: কূটনৈতিক প্রটোকল না কি রাজনৈতিক বার্তা?
দৃশ্যমান উন্নয়ন বনাম দুর্নীতির গল্প
একটা খুব সাধারণ যুক্তির কথা বলি। পৃথিবীর বহু দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, কিন্তু তারপরও তারা উন্নয়ন করতে পারেনি; দেশের জনগণের জীবনে কোনো মানোন্নয়ন হয়নি। খেয়াল করে দেখুন, পৃথিবীর সব দেশ কিন্তু একই রকম উন্নত নয়—এর কারণ কী?
কারণ হলো, একটি দেশের সরকার কীভাবে সেই দেশ পরিচালনা করছে, তার ওপরই বিষয়টি নির্ভর করে। একটি দেশের সরকার তার বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই সেই দেশে সম্পদ উৎপাদন করে এবং সেই সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
শেখ হাসিনা সরকার সাড়ে পনেরো বছরে বাংলাদেশের সম্পদ বৃদ্ধি করেছে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে। এটি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যান দ্বারা প্রমাণিত। এরপর সেই সম্পদ ব্যবহার করেই
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এই সম্পদ কিন্তু অসীম নয়। বৃদ্ধির পরেও সম্পদের একটি সীমাবদ্ধতা থেকেই যায়। যৌক্তিক ইকুয়েশন হলো—এই সীমাবদ্ধ সম্পদের মাধ্যমেই উন্নয়ন করতে হয়, এবং দুর্নীতি হলেও তা এই সম্পদের মধ্যেই করতে হয়। সীমাবদ্ধ সম্পদের বাইরে কিছুই করা সম্ভব নয়। কাজেই, সীমাবদ্ধ সম্পদের সিংহভাগ যদি উন্নয়নের পেছনে ব্যয় হয়, তাহলে এই সীমাবদ্ধ সম্পদের বাইরে দুর্নীতি হয়েছে—এমন দাবি যৌক্তিক ও গাণিতিকভাবে করার কোনো সুযোগ নেই। একটি উদাহরণ দেই। ধরুন, কোনো একটি প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালকের কাছে ২০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। তার মানে, এই সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা। প্রকল্প পরিচালক যদি প্রকল্পের বাস্তবায়ন
করতে চান বা দুর্নীতি করতে চান—দুই ক্ষেত্রেই তার সর্বোচ্চ সীমা হলো এই ২০০ কোটি টাকা। এখন, যদি প্রকল্প পরিচালক প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯ কোটি টাকা ব্যয় করে থাকেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়ে থাকে, তাহলে কি বলার কোনো সুযোগ আছে যে তিনি ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন? যৌক্তিকভাবে তা বলার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, প্রথমত—মোট বরাদ্দকৃত সম্পদের চেয়ে বেশি দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত—প্রকল্পের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখলেই বোঝা যায় যে, যখন সম্পদের সিংহভাগ প্রকল্প বাস্তবায়নেই ব্যয় হয়েছে, তখন সেখানে বিশাল অঙ্কের দুর্নীতি করা কার্যত অসম্ভব। তবে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে অনেক মিথ্যা গল্প বাজারে ছড়ানো যেতে পারে। কিছু মানুষ তা বিশ্বাসও করতে পারে। কিন্তু যুক্তির
মাপকাঠিতে এসব গল্প টিকবে না। শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নগুলো সবই দৃশ্যমান। কিন্তু তার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগগুলোর কোনোটিই দৃশ্যমান নয়। দুর্নীতির অভিযোগগুলো গল্প আকারে প্রচার করা হয়েছে এবং কিছু মানুষকে অন্ধ বিশ্বাসের মতো করে বিশ্বাস করানো হয়েছে। একটি প্রশ্ন কেউ করে না—এত দুর্নীতি হয়ে থাকলে এই দৃশ্যমান উন্নয়নগুলো কীভাবে সম্ভব হলো? খুব সাধারণ যুক্তিবোধ অনেকের মধ্যে কাজ করে না। সম্পদের পরিমাণ তো সীমিত—এই সীমিত সম্পদ দিয়েই তো এত উন্নয়ন হয়েছে। তাহলে একই সঙ্গে এত দুর্নীতি কীভাবে সম্ভব? অনেকেই ভুলে যান যে, যে সরকারের আমলে বিশাল দুর্নীতি হয়, সেই সরকারের আমলে এত উন্নয়ন সম্ভব হয় না। শেখ হাসিনা সরকারের আমলের এই দৃশ্যমান উন্নয়নগুলোই
প্রমাণ করে যে দুর্নীতির যে অদৃশ্য গল্পগুলো বলা হয়, সেগুলো যৌক্তিকভাবেই সত্য হতে পারে না।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এই সম্পদ কিন্তু অসীম নয়। বৃদ্ধির পরেও সম্পদের একটি সীমাবদ্ধতা থেকেই যায়। যৌক্তিক ইকুয়েশন হলো—এই সীমাবদ্ধ সম্পদের মাধ্যমেই উন্নয়ন করতে হয়, এবং দুর্নীতি হলেও তা এই সম্পদের মধ্যেই করতে হয়। সীমাবদ্ধ সম্পদের বাইরে কিছুই করা সম্ভব নয়। কাজেই, সীমাবদ্ধ সম্পদের সিংহভাগ যদি উন্নয়নের পেছনে ব্যয় হয়, তাহলে এই সীমাবদ্ধ সম্পদের বাইরে দুর্নীতি হয়েছে—এমন দাবি যৌক্তিক ও গাণিতিকভাবে করার কোনো সুযোগ নেই। একটি উদাহরণ দেই। ধরুন, কোনো একটি প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালকের কাছে ২০০ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। তার মানে, এই সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা। প্রকল্প পরিচালক যদি প্রকল্পের বাস্তবায়ন
করতে চান বা দুর্নীতি করতে চান—দুই ক্ষেত্রেই তার সর্বোচ্চ সীমা হলো এই ২০০ কোটি টাকা। এখন, যদি প্রকল্প পরিচালক প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯ কোটি টাকা ব্যয় করে থাকেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়ে থাকে, তাহলে কি বলার কোনো সুযোগ আছে যে তিনি ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন? যৌক্তিকভাবে তা বলার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, প্রথমত—মোট বরাদ্দকৃত সম্পদের চেয়ে বেশি দুর্নীতি করা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত—প্রকল্পের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখলেই বোঝা যায় যে, যখন সম্পদের সিংহভাগ প্রকল্প বাস্তবায়নেই ব্যয় হয়েছে, তখন সেখানে বিশাল অঙ্কের দুর্নীতি করা কার্যত অসম্ভব। তবে অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে অনেক মিথ্যা গল্প বাজারে ছড়ানো যেতে পারে। কিছু মানুষ তা বিশ্বাসও করতে পারে। কিন্তু যুক্তির
মাপকাঠিতে এসব গল্প টিকবে না। শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নগুলো সবই দৃশ্যমান। কিন্তু তার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগগুলোর কোনোটিই দৃশ্যমান নয়। দুর্নীতির অভিযোগগুলো গল্প আকারে প্রচার করা হয়েছে এবং কিছু মানুষকে অন্ধ বিশ্বাসের মতো করে বিশ্বাস করানো হয়েছে। একটি প্রশ্ন কেউ করে না—এত দুর্নীতি হয়ে থাকলে এই দৃশ্যমান উন্নয়নগুলো কীভাবে সম্ভব হলো? খুব সাধারণ যুক্তিবোধ অনেকের মধ্যে কাজ করে না। সম্পদের পরিমাণ তো সীমিত—এই সীমিত সম্পদ দিয়েই তো এত উন্নয়ন হয়েছে। তাহলে একই সঙ্গে এত দুর্নীতি কীভাবে সম্ভব? অনেকেই ভুলে যান যে, যে সরকারের আমলে বিশাল দুর্নীতি হয়, সেই সরকারের আমলে এত উন্নয়ন সম্ভব হয় না। শেখ হাসিনা সরকারের আমলের এই দৃশ্যমান উন্নয়নগুলোই
প্রমাণ করে যে দুর্নীতির যে অদৃশ্য গল্পগুলো বলা হয়, সেগুলো যৌক্তিকভাবেই সত্য হতে পারে না।



