ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
দুই পুলিশকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া দণ্ডিত আসামি গ্রেফতার
বগুড়ায় গ্রেফতারের সময় দুই পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মুরাদুন্নবী নিশান (২৭) অবশেষে ধরা পড়েছেন।
পুলিশের একটি বিশেষ দল চার দিন পর বুধবার গভীর রাতে তাকে সোনাতলা উপজেলার নওদাবগা এলাকা থেকে গ্রেফতারে করেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতোয়ার রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দিয়েছেন।
পুলিশ ও মামলা সূত্র জানায়, বগুড়া সদর উপজেলার শিকারপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দুলাল প্রামাণিকের ছেলে মুরাদুন্নবী নিশান একটি মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত। ওয়ারেন্টে ঠিকানা ঝোপগাড়ি লেখা থাকলেও তিনি পরিবার নিয়ে সদর উপজেলার শিকারপুর পূর্বপাড়া গ্রামে বসবাস করেন। তার বিরুদ্ধে মাদক, অপহরণ, চুরি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ
অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী টাউন উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) জাহাঙ্গীর আলম (৪২) ও কনস্টেবল মানিকুজ্জামান মানিক (৪৫) গোপনে খবর পেয়ে ১৫ জুন বেলা ১২টার দিকে সাদা পোশাকে মোটরসাইকেলে নিয়ে নিশানের বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিশান একটি দোকানে ঢুকে পড়েন। তাকে সেখানে গ্রেফতার করার চেষ্টা করলে তিনি কাছে থাকা বার্মিজ চাকু দিয়ে দুই পুলিশ সদস্যের শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আহতদের দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। এটিএসআই জাহাঙ্গীর আলমের পেট ও বুকে এবং কনস্টেবল মানিকুজ্জামান মানিকের হাত ও উরুতে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ১৬ জুন সদর থানায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা
ও পুলিশ সদস্যদের ছুরিকাঘাতের মামলা হয়। এদিকে পুলিশের ওপর হামলার পর থেকে মুরাদুন্নবী নিশান বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। বুধবার রাত ৩টার দিকে গোপনে খবর পেয়ে বগুড়ার সোনাতলার নওদাবগা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী টাউন উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) জাহাঙ্গীর আলম (৪২) ও কনস্টেবল মানিকুজ্জামান মানিক (৪৫) গোপনে খবর পেয়ে ১৫ জুন বেলা ১২টার দিকে সাদা পোশাকে মোটরসাইকেলে নিয়ে নিশানের বাড়িতে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নিশান একটি দোকানে ঢুকে পড়েন। তাকে সেখানে গ্রেফতার করার চেষ্টা করলে তিনি কাছে থাকা বার্মিজ চাকু দিয়ে দুই পুলিশ সদস্যের শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা আহতদের দুজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। এটিএসআই জাহাঙ্গীর আলমের পেট ও বুকে এবং কনস্টেবল মানিকুজ্জামান মানিকের হাত ও উরুতে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ১৬ জুন সদর থানায় তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা
ও পুলিশ সদস্যদের ছুরিকাঘাতের মামলা হয়। এদিকে পুলিশের ওপর হামলার পর থেকে মুরাদুন্নবী নিশান বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। বুধবার রাত ৩টার দিকে গোপনে খবর পেয়ে বগুড়ার সোনাতলার নওদাবগা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।



