ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিল্পের ধাক্কায় কমল প্রবৃদ্ধি, দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি ৩.০৩ শতাংশে
খেলাপি ঋণের পাহাড়ে দমবন্ধ ব্যাংকিং খাত, ২৩ ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ২.৮২ লাখ কোটি টাকা
ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল
জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী
সুকৌশলে বোতলজাত সয়াবিন উধাও করা হচ্ছে
চার লাখ ৪৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার, সোয়া কোটি টাকা অর্থদণ্ড
দুই দফায় অস্বাভাবিক উল্লম্ফন, জেট ফুয়েলের দামে নতুন রেকর্ড
দেশের জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই আবারও বিমানে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় এমন বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে দাম এমন পর্যায়ে নেওয়া হয়েছে, যা বিমান খাতের ব্যয় কাঠামোকে সরাসরি চাপে ফেলবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এটি রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন দরে এপ্রিল মাসের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য ২০২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে
বাড়িয়ে ২২৭ টাকা ০৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১ দশমিক ৩২১৬ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার করা হয়েছে। এর আগে গত ২৪ মার্চ একই খাতে এক দফা বড় বৃদ্ধি করা হয়। তখন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে এক লাফে ২০২ টাকা ২৯ পয়সায় উন্নীত করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও দাম বাড়িয়ে ০ দশমিক ৭৩৮৪ ডলার থেকে ১ দশমিক ৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পর আবারও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হলো—যা বাজার ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিকতার অভাবই নির্দেশ করে। এই
ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি শুধু বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয়ই বাড়াবে না, বরং এর প্রভাব যাত্রী ভাড়া, কার্গো খরচ এবং সামগ্রিকভাবে বাণিজ্যিক ব্যয়ের ওপর পড়বে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের ক্রেতারা মূলত বিভিন্ন বিমানবন্দরভিত্তিক অপারেটর। এর মধ্যে রয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যশোর বিমানবন্দর ও কক্সবাজার বিমানবন্দরসহ অন্যান্য অবকাঠামো। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা একটি বাস্তবতা হলেও দেশের ক্ষেত্রে মূল্য সমন্বয়ের এই অস্বাভাবিক গতি নীতিগত দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ কাঠামো না থাকলে জ্বালানি খাতের এমন
অস্থিরতা সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা আরও বাড়াবে।
বাড়িয়ে ২২৭ টাকা ০৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার জ্বালানির দাম ১ দশমিক ৩২১৬ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার করা হয়েছে। এর আগে গত ২৪ মার্চ একই খাতে এক দফা বড় বৃদ্ধি করা হয়। তখন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে এক লাফে ২০২ টাকা ২৯ পয়সায় উন্নীত করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রেও দাম বাড়িয়ে ০ দশমিক ৭৩৮৪ ডলার থেকে ১ দশমিক ৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পর আবারও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হলো—যা বাজার ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিকতার অভাবই নির্দেশ করে। এই
ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি শুধু বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয়ই বাড়াবে না, বরং এর প্রভাব যাত্রী ভাড়া, কার্গো খরচ এবং সামগ্রিকভাবে বাণিজ্যিক ব্যয়ের ওপর পড়বে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে। দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের ক্রেতারা মূলত বিভিন্ন বিমানবন্দরভিত্তিক অপারেটর। এর মধ্যে রয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যশোর বিমানবন্দর ও কক্সবাজার বিমানবন্দরসহ অন্যান্য অবকাঠামো। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা একটি বাস্তবতা হলেও দেশের ক্ষেত্রে মূল্য সমন্বয়ের এই অস্বাভাবিক গতি নীতিগত দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। স্বচ্ছ ও পূর্বানুমানযোগ্য মূল্য নির্ধারণ কাঠামো না থাকলে জ্বালানি খাতের এমন
অস্থিরতা সামগ্রিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা আরও বাড়াবে।



