ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
দুই চিকিৎসককে বাধ্যতামূলক অবসর
স্বাস্থ্যের সাবেক দুই শীর্ষ কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম ও অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
রোববার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সই করা প্রজ্ঞাপনে ডা. শামিউল ইসলামকে অবসরে পাঠানোর তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৬ আগস্ট যুগ্ম সচিব সনজীদা শরমিনের সই করা প্রজ্ঞাপনে অবসরে পাঠানো হয় ডা. মো. কামরুল হাসানকে।
তাদের অবসর দেওয়ার পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তার চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো৷ বিধি অনুযায়ী তারা অবসর সুবিধা পাবেন।
অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার বিভিন্ন পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি
বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্চ সেন্টারের (বিএনসিএমআরসি) প্রকল্প পরিচালক, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা ও এইডস নির্মূল প্রকল্পের লাইন ডাইরেক্টর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সবশেষ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব পদে রয়েছেন।
বঙ্গমাতা ন্যাশনাল সেলুলার অ্যান্ড মলিকুলার রিসার্চ সেন্টারের (বিএনসিএমআরসি) প্রকল্প পরিচালক, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ, মুগদা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা ও এইডস নির্মূল প্রকল্পের লাইন ডাইরেক্টর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সবশেষ দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব পদে রয়েছেন।



