দারিদ্র্যসীমা নিয়ে বাংলাদেশকে দুঃসংবাদ দিল বিশ্বব্যাংক – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
     ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

দারিদ্র্যসীমা নিয়ে বাংলাদেশকে দুঃসংবাদ দিল বিশ্বব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ | ৯:৫৬ 47 ভিউ
বাংলাদেশের প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ– মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ– অসুস্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য যেকোনো বড় ধাক্কায় পুনরায় দারিদ্র্যের নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ সময়ে ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়েছে এবং আরও ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ, শিক্ষা, পয়োনিষ্কাশনের মতো মৌলিক সেবার প্রবেশাধিকার সহজ হয়েছে। তবে ২০১৬ সালের পর দারিদ্র্য হ্রাসের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কম অন্তর্ভুক্তিমূলক

হয়েছে। আরও বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে ১৮.৭ শতাংশে নেমেছে। তারপরও বিপুলসংখ্যক মানুষ যেকোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনার কারণে পুনরায় দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের বিভাগীয় পরিচালক জাঁ পেম বলেন, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে দারিদ্র্য হ্রাসে সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট, জলবায়ু ঝুঁকি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ধীরগতি শ্রম আয়ের সুযোগ কমিয়েছে। সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো যুবক, নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ধীর, বরং কম উৎপাদনশীল খাতে কাজ বাড়ছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নারী ও

তরুণরা। প্রতি পাঁচজন নারীর মধ্যে একজন বেকার, আর প্রতি চারজন শিক্ষিতের মধ্যে একজনের কর্মসংস্থান নেই। শহরে, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি প্রায় স্থবির। ১৫-২৯ বছর বয়সী তরুণদের প্রায় অর্ধেকই কম মজুরিতে কাজ করছেন। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন দরিদ্র পরিবারের জন্য দারিদ্র্য কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। প্রবাসী আয় দরিদ্র পরিবারগুলোকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত করেছে। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকরা শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় বসবাস করছেন, যেখানে জীবনমান নিম্ন। সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়লেও উপকারভোগী নির্বাচন লক্ষ্যভিত্তিক নয় এবং ২০২২ সালে সুবিধা পাওয়া ব্যক্তির ৩৫ শতাংশই ধনী পরিবার থেকে এসেছে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে চারটি নীতিগত করণীয় চিহ্নিত করা হয়েছে,

উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি; দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বেশি কাজের সুযোগ সৃষ্টি; আধুনিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ ও দরিদ্রবান্ধব বাজারব্যবস্থা তৈরি; এবং কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ও শক্তিশালী রাজস্ব নীতির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি। বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ সার্জিও অলিভিয়েরি বলেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক বৈষম্য, বিশেষ করে পূর্ব-পশ্চিম বৈষম্য কমিয়েছে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন শহর ও গ্রামীণ বৈষম্য বাড়াচ্ছে। উদ্ভাবনী নীতি গ্রহণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি, শহরে গুণগত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে দরিদ্রবান্ধব মূল্য-শৃঙ্খল নিশ্চিত করা এবং কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসের গতি পুনরুদ্ধার ও ত্বরান্বিত করতে পারে এবং সমৃদ্ধিতে সবার অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?