ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদের সময় চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অর্ধেকই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার!
কমছে অপরিশোধিত তেলের মজুদ, ১০-১২ দিনের মধ্যেই সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা
ড. ইউনূসের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় খাদের কিনারায় দেশের স্বাস্থ্য খাত
শেখ হাসিনা সরকারের ছাপা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটেই শেষ ভরসা বিএনপি সরকারের
নেপালের জেন-জিদের তরুণ নেতা সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের জেন-জি নেতারা হারাচ্ছেন গ্রহণযোগ্যতা!
বাংলাদেশে আবারও ইতিহাস বিকৃতির পথে ফেরা
অকটেন সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে সরকার, মজুদ করে অধিক দামে বিক্রি করছে বিএনপি সংশ্লিষ্টরা
দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ
স্টাফ রিপোর্টার । আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি রাজনৈতিক দল। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্রগঠনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এই দলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু ইতিহাসের গৌরবই ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নয়—বিশেষ করে যখন দলীয় কাঠামোর ভেতরে আদর্শচ্যুতি, সুবিধাবাদ, পরিবারতন্ত্র ও জনবিচ্ছিন্নতা একসঙ্গে শেকড় গাড়ে।
আজকের বাস্তবতা হলো, দলের ভেতরে এমন বহু নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তি আছেন যাদের শরীর যেমন চর্বিতে ভারী, তেমনি চরিত্রও ক্ষমতা, অর্থ ও সুবিধাভোগিতার ভারে নতজানু। এদের একটি বড় অংশ অসামাজিক আচরণে অভ্যস্ত, লোপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং রাজনীতিকে জনগণের সেবার বদলে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্পদ আহরণের হাতিয়ার বানিয়েছে। এই সুবিধাভোগী ও লোপাটকারী শ্রেণি যতদিন দলে প্রভাবশালী
থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগের আদর্শিক ভিত দুর্বলই থাকবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি মারাত্মক ব্যাধি—পরিবারতন্ত্র। যোগ্যতা, ত্যাগ ও রাজনৈতিক দক্ষতার বদলে আত্মীয়তা, পারিবারিক পরিচয় ও গোষ্ঠীগত আনুগত্য যখন নেতৃত্ব নির্ধারণের মাপকাঠি হয়ে ওঠে, তখন দল অনিবার্যভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। পরিবারতন্ত্র রাজনৈতিক কর্মীদের নিরুৎসাহিত করে, ত্যাগীদের কোণঠাসা করে এবং রাজনীতিকে একটি বন্ধ বৃত্তে পরিণত করে। সময়ের দাবি তাই আরও স্পষ্ট ও কঠোর। আওয়ামী লীগকে একদিকে ভুঁড়ি-মোটা, জনবিচ্ছিন্ন ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্বকে পরিহার করতে হবে, অন্যদিকে অসামাজিক, লোপাটকারী ও সুবিধাভোগী অপশক্তিকে দল থেকে নির্মমভাবে বাদ দিতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দলের ভেতরে প্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক চর্চা গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক চর্চা মানে শুধু
সভা-সমাবেশ নয়—এর অর্থ মতভেদ সহ্য করার সংস্কৃতি, নেতৃত্বের জবাবদিহি, তৃণমূল থেকে নেতৃত্ব উঠে আসার সুযোগ এবং নিয়মিত আদর্শিক আলোচনা। যেখানে প্রশ্ন করা অপরাধ নয়, বরং রাজনৈতিক পরিপক্বতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে খাঁটি মুজিবপ্রেমী, জনগণপ্রেমী ও দেশপ্রেমী কর্মীদের ওপর। সংখ্যা খুব বড় না হলেও চলবে—পাঁচ লাখ সৎ, ত্যাগী ও মাঠের সঙ্গে যুক্ত কর্মীই একটি রাজনৈতিক দলকে নতুন করে প্রাণ দিতে পারে। যারা রাজনীতিকে পেশা নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখবে। যারা ক্ষমতার কাছে নয়, আদর্শের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। নচেৎ পরিণতি হবে অনিবার্য। জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেবে, ত্যাগী কর্মীরা হতাশ হবে, এবং আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে একটি ঐতিহাসিক নামমাত্র সংগঠনে পরিণত হবে—যার
শিকড় আছে অতীতে, কিন্তু প্রাণ নেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে। আওয়ামী লীগের সামনে এখন আর কোনো বিকল্প পথ নেই। আত্মশুদ্ধি, আদর্শে ফেরা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি পুনর্গঠনের পথ—অথবা পরিবারতন্ত্র, সুবিধাভোগী ও লোপাটকারীদের আশ্রয়ে থেকে ক্রমশ জনসমর্থন হারানোর পথ। ইতিহাস পরিষ্কারভাবে বলে দেয়—সময় কাউকেই ছাড় দেয় না।
থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগের আদর্শিক ভিত দুর্বলই থাকবে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি মারাত্মক ব্যাধি—পরিবারতন্ত্র। যোগ্যতা, ত্যাগ ও রাজনৈতিক দক্ষতার বদলে আত্মীয়তা, পারিবারিক পরিচয় ও গোষ্ঠীগত আনুগত্য যখন নেতৃত্ব নির্ধারণের মাপকাঠি হয়ে ওঠে, তখন দল অনিবার্যভাবে স্থবির হয়ে পড়ে। পরিবারতন্ত্র রাজনৈতিক কর্মীদের নিরুৎসাহিত করে, ত্যাগীদের কোণঠাসা করে এবং রাজনীতিকে একটি বন্ধ বৃত্তে পরিণত করে। সময়ের দাবি তাই আরও স্পষ্ট ও কঠোর। আওয়ামী লীগকে একদিকে ভুঁড়ি-মোটা, জনবিচ্ছিন্ন ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্বকে পরিহার করতে হবে, অন্যদিকে অসামাজিক, লোপাটকারী ও সুবিধাভোগী অপশক্তিকে দল থেকে নির্মমভাবে বাদ দিতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে দলের ভেতরে প্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক চর্চা গড়ে তুলতে হবে। রাজনৈতিক চর্চা মানে শুধু
সভা-সমাবেশ নয়—এর অর্থ মতভেদ সহ্য করার সংস্কৃতি, নেতৃত্বের জবাবদিহি, তৃণমূল থেকে নেতৃত্ব উঠে আসার সুযোগ এবং নিয়মিত আদর্শিক আলোচনা। যেখানে প্রশ্ন করা অপরাধ নয়, বরং রাজনৈতিক পরিপক্বতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। দলের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে খাঁটি মুজিবপ্রেমী, জনগণপ্রেমী ও দেশপ্রেমী কর্মীদের ওপর। সংখ্যা খুব বড় না হলেও চলবে—পাঁচ লাখ সৎ, ত্যাগী ও মাঠের সঙ্গে যুক্ত কর্মীই একটি রাজনৈতিক দলকে নতুন করে প্রাণ দিতে পারে। যারা রাজনীতিকে পেশা নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখবে। যারা ক্ষমতার কাছে নয়, আদর্শের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। নচেৎ পরিণতি হবে অনিবার্য। জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেবে, ত্যাগী কর্মীরা হতাশ হবে, এবং আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে একটি ঐতিহাসিক নামমাত্র সংগঠনে পরিণত হবে—যার
শিকড় আছে অতীতে, কিন্তু প্রাণ নেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে। আওয়ামী লীগের সামনে এখন আর কোনো বিকল্প পথ নেই। আত্মশুদ্ধি, আদর্শে ফেরা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি পুনর্গঠনের পথ—অথবা পরিবারতন্ত্র, সুবিধাভোগী ও লোপাটকারীদের আশ্রয়ে থেকে ক্রমশ জনসমর্থন হারানোর পথ। ইতিহাস পরিষ্কারভাবে বলে দেয়—সময় কাউকেই ছাড় দেয় না।



