ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার!
অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে?
একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’
হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম
প্রথম আলোর আড়ালে হিযবুত তাহরির ও মেজর জিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী আরিফ রহমান: নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই বাংলাদেশ শুধু রাজনৈতিকভাবে না ভৌগোলিকভাবেও অনিরাপদ হয়ে গেছে।
দখলদার ইউনুস অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই বাংলাদেশ শুধু রাজনৈতিকভাবে না ভৌগোলিকভাবেও অনিরাপদ হয়ে গেছে। দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা, আর সীমান্তে রক্তপাত দুই দিক থেকেই মানুষ আজ অসহায়।
মিয়ানমার সীমান্তে প্রতিনিয়ত গুলি, মর্টার, বোমা এসে আমাদের ঘরে আঘাত করছে। মানুষ আহত হচ্ছে, নিহত হচ্ছে আর রাষ্ট্র নির্বিকার দর্শক। সমুদ্রে জেলেরা মাছ ধরতে গেলে আরাকান আর্মি তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে, মুক্তিপণ দাবি করছে। মাসের পর মাস পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু জিম্মিদের উদ্ধারে রাষ্ট্রের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। নেই কোনো কূটনৈতিক তৎপরতা, নেই কোনো দৃশ্যমান অভিযান। শুধু নীরবতা, শুধু অবহেলা।
এদিকে বন্দি জেলেরা মৃত্যুর আশঙ্কায় দিন গুনছে। আর তাদের পরিবার, মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তান প্রতিদিন ঘুম
থেকে উঠে অপেক্ষা করছে একটুখানি আশার খবরের জন্য। চোখে ঘুম নেই, ঘরে হাসি নেই, জীবনে শুধু আতঙ্ক...আজ ফোন এলে কি মুক্তির খবর আসবে, নাকি লাশের? এই রাষ্ট্রে আজ সাহায্যের আশায় মানুষ তাকিয়ে থাকে, কিন্তু সাহায্য করার কেউ নেই। কারণ দেশটাই এখন অবৈধ ইউনুসের দখলে। যখন পুরো জাতি নিজেই জিম্মি, তখন জিম্মিদের উদ্ধার করার দায়িত্ব নেবে কে? দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে দায়িত্বহীন দর্শক। রাষ্ট্রের এই নীরবতা কোনো কূটনৈতিক দুর্বলতা না, এটা অপরাধ। এই অবহেলা কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা না, এটা মানবিকতা হত্যার শামিল। আজ যারা সমুদ্রে গিয়ে আর ফেরেনি, আজ যারা সীমান্তে গোলার আঘাতে রক্তাক্ত তারা পরিসংখ্যান না, তারা কারও বাবা, কারও
ছেলে, কারও স্বামী। আর তাদের পরিবার আজ রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রশ্ন করছে, আমাদের মানুষগুলো কোথায়? তাদের কি উদ্ধার করা হবেনা? এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দখলদার ইউনুসকে। এই জিম্মিদশার দায় এড়াতে পারবে না এই অবৈধ শাসন।
থেকে উঠে অপেক্ষা করছে একটুখানি আশার খবরের জন্য। চোখে ঘুম নেই, ঘরে হাসি নেই, জীবনে শুধু আতঙ্ক...আজ ফোন এলে কি মুক্তির খবর আসবে, নাকি লাশের? এই রাষ্ট্রে আজ সাহায্যের আশায় মানুষ তাকিয়ে থাকে, কিন্তু সাহায্য করার কেউ নেই। কারণ দেশটাই এখন অবৈধ ইউনুসের দখলে। যখন পুরো জাতি নিজেই জিম্মি, তখন জিম্মিদের উদ্ধার করার দায়িত্ব নেবে কে? দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে দায়িত্বহীন দর্শক। রাষ্ট্রের এই নীরবতা কোনো কূটনৈতিক দুর্বলতা না, এটা অপরাধ। এই অবহেলা কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা না, এটা মানবিকতা হত্যার শামিল। আজ যারা সমুদ্রে গিয়ে আর ফেরেনি, আজ যারা সীমান্তে গোলার আঘাতে রক্তাক্ত তারা পরিসংখ্যান না, তারা কারও বাবা, কারও
ছেলে, কারও স্বামী। আর তাদের পরিবার আজ রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে শুধু একটাই প্রশ্ন করছে, আমাদের মানুষগুলো কোথায়? তাদের কি উদ্ধার করা হবেনা? এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দখলদার ইউনুসকে। এই জিম্মিদশার দায় এড়াতে পারবে না এই অবৈধ শাসন।



