ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকার বনাম ব্যবসায়ী বক্তব্য যুদ্ধে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন
উদারপন্থা থেকে সরে ধর্মীয় নেতাদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি প্রধানমন্ত্রী তারেকের
ঈদের আগেই বাড়ির পথে যাত্রা, কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
১৯৭১ সালের ১২ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার চূড়ান্ত অভিযাত্রা
উনিশ মিনিটে একটি দেশ : লাখো কণ্ঠের একটি নাম, একটি বিকেল
নারী অধিকার সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা, জামায়াতের হুমকি এবং বিএনপি সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
তেল খুঁজতেই ‘তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে’
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সারা দেশের মতো কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতেও দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। যানবাহন বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা তেলের জন্য পাম্প বা প্যাকে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে তেল পাচ্ছেন মাত্র দুই লিটার।
এদিকে তেল খুঁজতেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
লাইন লম্বা হতে হতে প্রায় এক কিলোমিটার বিস্তৃত হয়েছে। ভিড় সামাল দিতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। এরপরও ভিড় সামলে তেল দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে প্যাক বা পাম্প মালিকদের।
বুধবার সকালে কটিয়াদী বাজারের মেসার্স দেবনাথ রাধানাথ রায়ের তেলের দোকানে তীব্র ভিড় দেখা গেছে। লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেক মোটরসাইকেল চালককে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পেট্রল ও অকটেনের
স্বাভাবিক সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কোথাও সীমিত সরবরাহ এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে অনেক যানবাহন পেট্রল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী ও চাকরির কাজে যারা মোটরসাইকেল নিয়মিত ব্যবহার করেন, তারা পড়েছেন বিপাকে। অনেকের পথের মধ্যে তেল শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। এদিকে সংকটের সুযোগ নিয়ে কোথাও কোথাও কিছু খুচরা ব্যবসায়ী খোলা বাজারে প্রতি লিটার পেট্রল ও অকটেন প্রায় ২০০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেল চালক খায়রুল ইসলাম বলেন, দুই লিটার করে তেল দেওয়া
হচ্ছে। এর জন্য এক কিলোমিটার লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরেও কোথাও তেল পাচ্ছি না। তেল খুঁজতেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। মোটরসাইকেল চালক মো. হোসেন আলী বলেন, গ্রামের খুচরা ব্যবসায়ীরা তেল কোথায় পাচ্ছেন, তা খুঁজে বের করা জরুরি। পাম্প থেকে তেল বাইরে চলে যাচ্ছে কিনা, সেটাও খুঁজে দেখা প্রয়োজন। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ার কারণে আমাদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। কটিয়াদী বাজারের মেসার্স দেবনাথ রাধানাথ রায় তেল প্যাকের স্বত্বাধিকারী দেবাশীষ রায় পার্থ বলেন, ৩ হাজার লিটার পেট্রল পেয়েছিলাম। তীব্র চাহিদার কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। গ্রাহকেরা যেভাবে ভিড় করছেন, তাতে স্বাভাবিক তেল বিক্রি চালিয়ে
যাওয়া আমাদের জন্য বাড়তি বিড়ম্বনা। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বুধবার পাম্প বন্ধ থাকার বিষয়ে খান ব্রাদার্স অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আশরাফুল হক কাজল জানান, সংকট সৃষ্টির পূর্বে দিনে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২শ লিটার তেলের চাহিদা ছিল। কিন্তু ঈদের পরের দিন সাড়ে ৪ হাজার লিটার তেল পাওয়ার পর একদিনে তা শেষ হয়ে যায়। পুনরায় ডিও দেওয়া আছে। তেল পেলেই পাম্প চালু করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। পাম্প বা প্যাকে নিয়মিত যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হতো তা বর্তমানেও বিদ্যমান আছে। তবে ভোক্তারা অতিরিক্ত তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি
হয়েছে। ভোক্তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি। প্রশাসন সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। কৃত্রিম সংকটও দ্রুতই দূর হয়ে যাবে।
স্বাভাবিক সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কোথাও সীমিত সরবরাহ এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে অনেক যানবাহন পেট্রল না নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী ও চাকরির কাজে যারা মোটরসাইকেল নিয়মিত ব্যবহার করেন, তারা পড়েছেন বিপাকে। অনেকের পথের মধ্যে তেল শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে মোটরসাইকেল ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। এদিকে সংকটের সুযোগ নিয়ে কোথাও কোথাও কিছু খুচরা ব্যবসায়ী খোলা বাজারে প্রতি লিটার পেট্রল ও অকটেন প্রায় ২০০-২৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেল চালক খায়রুল ইসলাম বলেন, দুই লিটার করে তেল দেওয়া
হচ্ছে। এর জন্য এক কিলোমিটার লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরেও কোথাও তেল পাচ্ছি না। তেল খুঁজতেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। মোটরসাইকেল চালক মো. হোসেন আলী বলেন, গ্রামের খুচরা ব্যবসায়ীরা তেল কোথায় পাচ্ছেন, তা খুঁজে বের করা জরুরি। পাম্প থেকে তেল বাইরে চলে যাচ্ছে কিনা, সেটাও খুঁজে দেখা প্রয়োজন। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ার কারণে আমাদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। কটিয়াদী বাজারের মেসার্স দেবনাথ রাধানাথ রায় তেল প্যাকের স্বত্বাধিকারী দেবাশীষ রায় পার্থ বলেন, ৩ হাজার লিটার পেট্রল পেয়েছিলাম। তীব্র চাহিদার কারণে কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। গ্রাহকেরা যেভাবে ভিড় করছেন, তাতে স্বাভাবিক তেল বিক্রি চালিয়ে
যাওয়া আমাদের জন্য বাড়তি বিড়ম্বনা। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বুধবার পাম্প বন্ধ থাকার বিষয়ে খান ব্রাদার্স অ্যান্ড ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আশরাফুল হক কাজল জানান, সংকট সৃষ্টির পূর্বে দিনে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২শ লিটার তেলের চাহিদা ছিল। কিন্তু ঈদের পরের দিন সাড়ে ৪ হাজার লিটার তেল পাওয়ার পর একদিনে তা শেষ হয়ে যায়। পুনরায় ডিও দেওয়া আছে। তেল পেলেই পাম্প চালু করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। পাম্প বা প্যাকে নিয়মিত যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হতো তা বর্তমানেও বিদ্যমান আছে। তবে ভোক্তারা অতিরিক্ত তেল নেওয়ার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি
হয়েছে। ভোক্তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি। প্রশাসন সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। কৃত্রিম সংকটও দ্রুতই দূর হয়ে যাবে।



