ট্রাইব্যুনালের হালচাল: আসামিপক্ষের আইনজীবীকেই উল্টো ‘আসামি বানানোর’ হুমকি তাজুলের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
     ৫:২৯ অপরাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

ট্রাইব্যুনালের হালচাল: আসামিপক্ষের আইনজীবীকেই উল্টো ‘আসামি বানানোর’ হুমকি তাজুলের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ | ৫:২৯ 39 ভিউ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আজ রোববার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজনীন নাহারকে খোলা আদালতে হুমকি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “চুপ করে থাকেন। কথা বলবেন না। আপনাকেও আসামি করা যাবে। আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাচ্ছি।” এই ঘটনা ঘটে যখন আইনজীবী নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনালকে জানান, তার মক্কেলের সেফ হাউসে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি, অথচ আইন অনুযায়ী আইনজীবীর উপস্থিত থাকার অধিকার আছে। তিনি বলেন, “আমাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি, ভেতরে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি।” এর জবাবে প্রধান কৌঁসুলি তাজুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উপরোক্ত হুমকি দেন। আদালতকক্ষে উপস্থিত

সাংবাদিক ও আইনজীবীরা জানান, এ ধরনের সরাসরি হুমকি আগে খুব কমই শোনা গেছে। আইনজীবী মহলের প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জে আর খান রবিন বলেন, “এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বিপজ্জনক প্রবণতা। প্রধান কৌঁসুলি নিজেই যদি খোলা আদালতে ডিফেন্সের আইনজীবীকে আসামি বানানোর হুমকি দেন, তাহলে আসামিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে? এটা স্পষ্টভাবে আইনজীবীর পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি এবং বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা নষ্ট করা।” আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, “এ ধরনের হুমকি দিয়ে আসামী পক্ষকে নীরব করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা শুধু নাজনীন নাহারের বিরুদ্ধে নয়, গোটা আইনজীবী সমাজের বিরুদ্ধে হুমকি।” আইসিটি’র কার্যক্রমে ক্রমাগত সমালোচনা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের

কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা উঠেছে। প্রতিরক্ষা আইনজীবীদের বারবার হয়রানি, মক্কেলের সঙ্গে সাক্ষাৎে বাধা, জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত থাকতে না দেওয়া এবং এখন সরাসরি হুমকি—এসবের মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালকে অনেকে ‘একপেশে প্রতিহিংসার হাতিয়ার’ বলে মনে করছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ন্যায়বিচারের জন্য আসামি পক্ষের আইনজীবীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন প্রধান কৌঁসুলি নিজেই আইনজীবীকে ‘আসামি করার’ হুমকি দিচ্ছেন, তখন এই ট্রাইব্যুনালে কোনো আসামি ন্যায়বিচার পাবেন—এই প্রশ্ন এখন সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠেছে। আজকের এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এখন ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রতিহিংসার একটি হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে—যেখানে সত্য বলার সাহস দেখালেই হুমকির মুখে পড়তে হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?