ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?
নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।
টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা
গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷
জেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন সাবেক মন্ত্রী মান্নান, পাঠানো হলো হাসপাতালে
সুনামগঞ্জ কারাগারে থাকা সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে এম এ মান্নানকে সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়েছে। কারাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন।
আজ রোববার সকালে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির ও এম এ মান্নানের সাবেক পিএস জুয়েল আহমদ।
এর আগে গতকাল এম এ মান্নানকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ও মেডিসিন বিভাগের পরামর্শক মাহমুদুর রহমান রকি সাবেক এ মন্ত্রীকে সিলেটে হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
রফিকুল ইসলাম
জানান, এম এ মান্নানকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের রোগ ছাড়াও মানসিকভাবে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলছিলেন, ‘দেশে আর এলাকার মানুষের জন্য এত কিছু করলাম, আজকে আমার এই অবস্থা। আমি যদি চোর হতাম, তাইলে তো পালাতাম।’ এ অবস্থায় তাঁকে মানসিক চিকিৎসক দেখানো খুবই জরুরি। হাসপাতালে যেহেতু মানসিক চিকিৎসক নেই, এ জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তাঁকে। সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির জানান, এম এ মান্নানের আইনজীবীরা গত বৃহস্পতিবার তাঁর অসুস্থতার কথা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশেই কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে শনিবার তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে দেখানো হয়। সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে সিলেটে
নেওয়া হয়েছে। সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় করাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন। প্রয়োজনে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে তাঁকে। এ ম এ মান্নানকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ সেপ্টেম্বর দ্রুত বিচার আইনে হওয়া একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানান, এম এ মান্নানকে দেখে মনে হয়েছে, তিনি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্টের রোগ ছাড়াও মানসিকভাবে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলছিলেন, ‘দেশে আর এলাকার মানুষের জন্য এত কিছু করলাম, আজকে আমার এই অবস্থা। আমি যদি চোর হতাম, তাইলে তো পালাতাম।’ এ অবস্থায় তাঁকে মানসিক চিকিৎসক দেখানো খুবই জরুরি। হাসপাতালে যেহেতু মানসিক চিকিৎসক নেই, এ জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে তাঁকে। সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির জানান, এম এ মান্নানের আইনজীবীরা গত বৃহস্পতিবার তাঁর অসুস্থতার কথা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার আবেদন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশেই কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শে শনিবার তাঁকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে দেখানো হয়। সদর হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে সিলেটে
নেওয়া হয়েছে। সিলেটের বাদাঘাট কেন্দ্রীয় করাগারের চিকিৎসকরা তাঁকে দেখছেন। প্রয়োজনে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হবে তাঁকে। এ ম এ মান্নানকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ৪ সেপ্টেম্বর দ্রুত বিচার আইনে হওয়া একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।



