ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুকৌশলে বোতলজাত সয়াবিন উধাও করা হচ্ছে
চার লাখ ৪৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার, সোয়া কোটি টাকা অর্থদণ্ড
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ্যে, তালিকায় আছে যারা
সুদ হার কমানো ও ঋণসীমা বাড়ানোর দাবি এফবিসিসিআইয়ের
মার্চে কমল মূল্যস্ফীতি
রপ্তানিতে বড় ধস: এক বছরে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ কমেছে ৫ বিলিয়ন ডলার
রোববার থেকে নতুন সূচিতে চলবে ব্যাংক
জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ফের নিম্নমুখী হয়েছে। গত অক্টোবর-ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। এর আগের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ওই দুই সময়ের তুলনায় গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায়, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা করে। পরে যুদ্ধ আরও কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বৈশ্বিক বাজারে গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেল
ও গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে দেশেও জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে অর্থ সংকটে পড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করতে পারছে না। এসব কারণে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। কৃষি খাতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অথচ চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে সর্বোচ্চ ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এক প্রান্তিকের ব্যবধানে এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার বেশ কমেছে।
কৃষি ও সেবা খাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছিল ২ দশমিক ০৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে তা বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশে উঠেছিল। গত প্রান্তিকে তা ফের কমে গেল। জানা গেছে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদানই বেশি। কিন্তু এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার কমায় সার্বিকভাবে বছর শেষে জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ও গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে দেশেও জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে অর্থ সংকটে পড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করতে পারছে না। এসব কারণে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। কৃষি খাতে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অথচ চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে শিল্প খাতে সর্বোচ্চ ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এক প্রান্তিকের ব্যবধানে এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার বেশ কমেছে।
কৃষি ও সেবা খাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। গত অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছিল ২ দশমিক ০৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে তা বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশে উঠেছিল। গত প্রান্তিকে তা ফের কমে গেল। জানা গেছে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদানই বেশি। কিন্তু এ খাতের প্রবৃদ্ধির হার কমায় সার্বিকভাবে বছর শেষে জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে।



