ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, বিএনপি নেতাদের চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরিবারের হলফনামা
কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসকের বদলির প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত বিক্ষোভ: জাতীয় নির্বাচনে সহয়তাই জনপ্রিয়তার কারন!
ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় পুলিশের অভিযানের সময় আব্দুল হামিদ ধলা (৬৬) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের লাথির আঘাতে তিনি মারা গেছেন। তবে পুলিশ দাবি করেছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
গতকাল ৪ঠা মার্চ, বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মালাহার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহাদেবপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামান ও এএসআই আছির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে আব্দুল হামিদের ছেলে এমরান হোসেনকে আটক করতে বাড়িতে যান।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এমরান পালিয়ে গেলে তাকে না পেয়ে পুলিশ তার বাবা আব্দুল হামিদকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।
পরিবারের দাবি, এ সময় পুলিশ দরজা
ভাঙচুর করে এবং আব্দুল হামিদকে জোরপূর্বক টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। তার ৮৫ বছর বয়সী মা হালিমা বেওয়া ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তাকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। নিহতের ১২ বছর বয়সী নাতি রিপন জানায়, গভীর রাতে কয়েকজন পুলিশ ঘরে ঢুকে তার দাদাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে ওঠার চেষ্টা করে আবার পড়ে যান এবং সেখানেই মারা যান বলে পরিবারের দাবি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আব্দুল হামিদের নামে কোনো মামলা ছিল না। ছেলে পালিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে চাইলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি মারা যান। পরিস্থিতি
উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বলে তাদের অভিযোগ। পুলিশের বক্তব্য মহাদেবপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে গিয়েছিল। এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে না পেয়ে অন্য একটি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বাড়ি চেনার জন্য আব্দুল হামিদকে ডাকা হয়েছিল। এ সময় তিনি “হঠাৎ অসুস্থ” হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পুলিশ তাকে কোনো আঘাত করেনি বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে আব্দুল হামিদ “হৃদরোগে আক্রান্ত” হয়ে মারা গেছেন। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে—এটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে
এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
ভাঙচুর করে এবং আব্দুল হামিদকে জোরপূর্বক টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। তার ৮৫ বছর বয়সী মা হালিমা বেওয়া ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তাকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। নিহতের ১২ বছর বয়সী নাতি রিপন জানায়, গভীর রাতে কয়েকজন পুলিশ ঘরে ঢুকে তার দাদাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় এক পুলিশ সদস্য লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে ওঠার চেষ্টা করে আবার পড়ে যান এবং সেখানেই মারা যান বলে পরিবারের দাবি। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আব্দুল হামিদের নামে কোনো মামলা ছিল না। ছেলে পালিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে চাইলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিনি মারা যান। পরিস্থিতি
উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বলে তাদের অভিযোগ। পুলিশের বক্তব্য মহাদেবপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে গিয়েছিল। এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে না পেয়ে অন্য একটি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বাড়ি চেনার জন্য আব্দুল হামিদকে ডাকা হয়েছিল। এ সময় তিনি “হঠাৎ অসুস্থ” হয়ে পড়েন এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পুলিশ তাকে কোনো আঘাত করেনি বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে আব্দুল হামিদ “হৃদরোগে আক্রান্ত” হয়ে মারা গেছেন। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে—এটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে
এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।



