ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ
বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, বিএনপি নেতাদের চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরিবারের হলফনামা
কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসকের বদলির প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত বিক্ষোভ: জাতীয় নির্বাচনে সহয়তাই জনপ্রিয়তার কারন!
ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
কক্সবাজারের পেকুয়া থানায় জমিজমা–সংক্রান্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষে দেওয়ার কথা বলে নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে উল্টো পুলিশের মারধরের শিকার হয়েছেন মা ও মেয়ে। শুধু তা–ই নয়, পুলিশকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁদের এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে পেকুয়া থানায় এ ঘটনা ঘটে। সাজাপ্রাপ্ত দুজন হলেন পেকুয়া উপজেলার সাবেক গুলদি এলাকার মৃত নুরুল আবছারের মেয়ে ও কলেজশিক্ষার্থী জুবাইদা জন্নাত (২৩) এবং তাঁর মা রেহেনা মোস্তফা রানু (৩৮)।
ঘুষের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তের বদলে উল্টো বিচারপ্রার্থী মা–মেয়েকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক বসতভিটা নিয়ে চকরিয়া আদালতে জুবাইদাদের একটি মামলা চলছে। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে আছেন পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পল্লব। পরিবারের অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসআই পল্লব জুবাইদার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু পরে তিনি প্রতিপক্ষের পক্ষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। বুধবার বিকেলে জুবাইদা তাঁর মাকে নিয়ে পেকুয়া থানায় গিয়ে এসআই পল্লবের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান এবং দেওয়া টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে এসআই পল্লব ক্ষিপ্ত হয়ে মা–মেয়ের ওপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, থানার অন্য পুলিশ সদস্য ও নারী কনস্টেবলরাও তাঁদের মারধর করতে করতে থানার ফটকের দিকে
নিয়ে যান। মা–মেয়ের সঙ্গে থানায় গিয়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব মনজিলা বেগম। তিনি বলেন, 'মামলার প্রতিবেদন পক্ষে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন এসআই পল্লব। কিন্তু পরে বিপক্ষে প্রতিবেদন দেন। টাকা ফেরত চাইতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মা–মেয়েকে চড়থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। এরপর নারী পুলিশ এসে তাঁদের মারতে মারতে থানার ফটকে নিয়ে যায়। পরে থানায় থাকা অন্য সেবাপ্রার্থীদের বের করে দিয়ে মা–মেয়েকে বেধড়ক মারধর করা হয়।' ঘটনার কিছুক্ষণ পর পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম থানায় উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতির অভিযোগে মা–মেয়েকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, ভুক্তভোগী মা-মেয়ের গায়ে আঘাতের
চিহ্ন থাকলেও তাঁদের কোনো কথা না শুনেই একতরফাভাবে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে জুবাইদার ছোট ভাই রুবেল ও খালা আমেনা মুন্নী থানায় গেলে পুলিশ তাঁদের কোনো তথ্য দেয়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, 'আমার বোনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো পুলিশ তাঁদের মারধর করল। এরপর ইউএনওকে ডেকে এনে এক মাসের সাজা দেওয়া হলো। এটা কেমন আইন? আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচার চাই।' এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, 'থানায় এসে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এসআই পল্লবের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের
বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।' অভিযোগের বিষয়ে জানতে এসআই পল্লবের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ইউএনও মাহবুব আলম বলেন, 'থানায় সরকারি কাজে বাধা এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় তদন্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে।' পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি পরবর্তী তদন্তে বেরিয়ে আসবে। মূলত খারাপ আচরণের কারণেই তাঁদের সাজা দেওয়া হয়েছে। এদিকে থানায় উপস্থিত সেবাপ্রার্থী ও স্থানীয় লোকজনের দাবি, ঘুষ লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তড়িঘড়ি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভুক্তভোগীদের সাজা দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক বসতভিটা নিয়ে চকরিয়া আদালতে জুবাইদাদের একটি মামলা চলছে। ওই মামলার তদন্তের দায়িত্বে আছেন পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পল্লব। পরিবারের অভিযোগ, তদন্ত প্রতিবেদন পক্ষে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসআই পল্লব জুবাইদার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। কিন্তু পরে তিনি প্রতিপক্ষের পক্ষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। বুধবার বিকেলে জুবাইদা তাঁর মাকে নিয়ে পেকুয়া থানায় গিয়ে এসআই পল্লবের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান এবং দেওয়া টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে এসআই পল্লব ক্ষিপ্ত হয়ে মা–মেয়ের ওপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, থানার অন্য পুলিশ সদস্য ও নারী কনস্টেবলরাও তাঁদের মারধর করতে করতে থানার ফটকের দিকে
নিয়ে যান। মা–মেয়ের সঙ্গে থানায় গিয়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব মনজিলা বেগম। তিনি বলেন, 'মামলার প্রতিবেদন পক্ষে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন এসআই পল্লব। কিন্তু পরে বিপক্ষে প্রতিবেদন দেন। টাকা ফেরত চাইতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মা–মেয়েকে চড়থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। এরপর নারী পুলিশ এসে তাঁদের মারতে মারতে থানার ফটকে নিয়ে যায়। পরে থানায় থাকা অন্য সেবাপ্রার্থীদের বের করে দিয়ে মা–মেয়েকে বেধড়ক মারধর করা হয়।' ঘটনার কিছুক্ষণ পর পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম থানায় উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতির অভিযোগে মা–মেয়েকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, ভুক্তভোগী মা-মেয়ের গায়ে আঘাতের
চিহ্ন থাকলেও তাঁদের কোনো কথা না শুনেই একতরফাভাবে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে জুবাইদার ছোট ভাই রুবেল ও খালা আমেনা মুন্নী থানায় গেলে পুলিশ তাঁদের কোনো তথ্য দেয়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, 'আমার বোনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো পুলিশ তাঁদের মারধর করল। এরপর ইউএনওকে ডেকে এনে এক মাসের সাজা দেওয়া হলো। এটা কেমন আইন? আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সঠিক বিচার চাই।' এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, 'থানায় এসে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এসআই পল্লবের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের
বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।' অভিযোগের বিষয়ে জানতে এসআই পল্লবের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। অন্যদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী ইউএনও মাহবুব আলম বলেন, 'থানায় সরকারি কাজে বাধা এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় তদন্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে।' পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি পরবর্তী তদন্তে বেরিয়ে আসবে। মূলত খারাপ আচরণের কারণেই তাঁদের সাজা দেওয়া হয়েছে। এদিকে থানায় উপস্থিত সেবাপ্রার্থী ও স্থানীয় লোকজনের দাবি, ঘুষ লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তড়িঘড়ি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভুক্তভোগীদের সাজা দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।



