ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ
নৌকা বিহীন ব্যালট প্রবাসীর পায়ে হলো পদদলিত, এভাবেই মানুষ ভোট বর্জন করে অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে
রাজবন্দী বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ‘জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে লেখা চিঠির শেষ দুই লাইন
‘দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বৈধতার দাবি করা যায় না। এটি সংস্কার নয়, এটি রূপান্তরের নামে কর্তৃত্ববাদ।’
এই নিষ্ঠুরতা ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ হয়ে রইল কারাগারে বন্দী সাদ্দাম: স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখা হলো না শেষবারের মতোও, মেলেনি প্যারোল
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা মিলেছে
জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে গুম কমিশন। শনিবার বিকাল ৫টায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে গুম সংক্রান্ত কমিশন তাদের প্রথম অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিশন ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে ‘আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ’ শীর্ষক প্রতিবেদন হস্তান্তর করে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী অভিযুক্ত করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছে কমিশনটি।
এর আগে পাঁচ নভেম্বর সকালে গুম কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, পহেলা অক্টোবর পর্যন্ত এক হাজার ৬০০’র বেশি গুমের অভিযোগ পেয়েছে গুম কমিশন। এরই মধ্যে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে
১৪০ জনের। আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৪০০ অভিযোগ। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে পাশের দেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদেরও। সেদিন তিনি জানান, জিজিএফআই, র্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিটিটিসি, সিআইডির কর্মকর্তারা গুমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। রাজনৈতিক কারণ ছাড়াও সরকারের সমালোচনা করায় অনেকে গুমের শিকার হয়েছেন। কমিশনটির চেয়ারম্যান জানান, অনেক জায়গায় আলামত ধ্বংসের চেষ্টা করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি গুমের ঘটনা ঘটিয়েছে র্যাব, যার সংখ্যা ১৭২টি।
১৪০ জনের। আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৪০০ অভিযোগ। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে পাশের দেশের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদেরও। সেদিন তিনি জানান, জিজিএফআই, র্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিটিটিসি, সিআইডির কর্মকর্তারা গুমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। রাজনৈতিক কারণ ছাড়াও সরকারের সমালোচনা করায় অনেকে গুমের শিকার হয়েছেন। কমিশনটির চেয়ারম্যান জানান, অনেক জায়গায় আলামত ধ্বংসের চেষ্টা করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি গুমের ঘটনা ঘটিয়েছে র্যাব, যার সংখ্যা ১৭২টি।



