গাজীপুরের ৬৬ ভাগ কারখানা ছুটি, মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট

ঈদের বাকি আর তিন দিন। পরিবার সঙ্গে ঈদ পালন করতে শহর ছেড়ে গ্রামের পথে কর্মজীবী মানুষেরা। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ৬৬ ভাগ কারখানা ছুটি হয়েছে। এতে বিকাল থেকে মহাসড়কে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। ফলে বিভিন্ন পয়েন্টে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুরে ২ হাজার ১৭৬ টি নিবন্ধিত কলকারখানা। এর মধ্যে ১ হাজার ১৫৪টি পোশাক কারখানা। এসব কারখানায় কাজ করেন লাখ লাখ কর্মী। শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ কারখানা ছুটি হয়েছে। এসব কারখানা ছুটি হওয়ার পর শ্রমিকরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। অন্যান্য ঈদের থেকে এবার ঈদে তুলনামূলক বেশি ছুটি থাকায় অধিকাংশ মানুষ বাড়ি যাচ্ছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা
এলাকায় দিনভর স্বস্তি নিয়ে ঘরমুখো মানুষ যাতায়াত করলেও আসরের পর থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চন্দ্রা থেকে তিন দিকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছ। এতে দুর্ভোগে পড়েছে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের শত শত যাত্রী। অপরদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর অংশে কয়েকটি পয়েন্ট থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তবে পুলিশের তৎপরতার কারণে সেসব স্থানে ধীরগতিতে যানবাহন চলছে। নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইছ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষায় জেলা, মেট্রোপলিটন ও হাইওয়ে পুলিশের চার হাজার সদস্য কাজ করছেন। চন্দ্রা এলাকায় সারা দিন যানবাহনের চাপ থাকলেও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। তবে সন্ধ্যার পর মানুষ আর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে তিন দিকেই কয়েক কিলোমিটার এলাকায়
যানবাহনের সারি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যানজট নিরসনের দায়িত্ব পালন করছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর এসপি একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ৬৬ ভাগ কারখানা ছুটি হয়েছে। বাকি কারখানাগুলো শনিবারের মধ্যে ছুটি হয়ে যাবে। এছাড়াও কারখানাগুলো মার্চ মাসের বেতন ৮০ ভাগ ও ৯৫ ভাগ বোনাস পরিশোধ করেছে।
এলাকায় দিনভর স্বস্তি নিয়ে ঘরমুখো মানুষ যাতায়াত করলেও আসরের পর থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চন্দ্রা থেকে তিন দিকে প্রায় ১০-১২ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছ। এতে দুর্ভোগে পড়েছে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের শত শত যাত্রী। অপরদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর অংশে কয়েকটি পয়েন্ট থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। তবে পুলিশের তৎপরতার কারণে সেসব স্থানে ধীরগতিতে যানবাহন চলছে। নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রইছ উদ্দিন বলেন, মহাসড়কের নিরাপত্তা রক্ষায় জেলা, মেট্রোপলিটন ও হাইওয়ে পুলিশের চার হাজার সদস্য কাজ করছেন। চন্দ্রা এলাকায় সারা দিন যানবাহনের চাপ থাকলেও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। তবে সন্ধ্যার পর মানুষ আর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে তিন দিকেই কয়েক কিলোমিটার এলাকায়
যানবাহনের সারি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যানজট নিরসনের দায়িত্ব পালন করছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর এসপি একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত ৬৬ ভাগ কারখানা ছুটি হয়েছে। বাকি কারখানাগুলো শনিবারের মধ্যে ছুটি হয়ে যাবে। এছাড়াও কারখানাগুলো মার্চ মাসের বেতন ৮০ ভাগ ও ৯৫ ভাগ বোনাস পরিশোধ করেছে।