‘গাজা স্টাইলে’ পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের গুলি করে মারছে ইসরাইল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

‘গাজা স্টাইলে’ পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের গুলি করে মারছে ইসরাইল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ |
অধিকৃত পশ্চিম তীরে সেনাদের গুলি চালানোর নির্দেশ বাড়িয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। যার ফলে অঞ্চলটিতে সামরিক অভিযানে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসরাইলি সংবাদপত্র হারেৎজের মতে, সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড গাজা যুদ্ধে ব্যবহৃত গুলি চালানোর নীতি পশ্চিম তীরে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার ফলে সন্দেহভাজন হোক বা না হোক যেকোনও নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকেই হত্যা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় কমান্ড কমান্ডার আভি ব্লটের এই নির্দেশ সেনাদের গুলি করা আরও সহজ করা তুলেছে। পশ্চিম তীরে চলমান সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকারী ইসরাইলি সেনাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদপত্রটি বলেছে, আভি ব্লট তাদের ফিলিস্তিনিদের গ্রেফতার না করে হত্যা করার উদ্দেশে গুলি করার অনুমতি দিয়েছেন। সেনারা ব্যাখ্যা করেছে, পশ্চিম তীরে নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের সাম্প্রতিক

মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া ‘অস্বাভাবিক’। কারণ তারা ব্লটের নির্দেশে বিস্ফোরক স্থাপন বা ‘ভূমিতে বিশৃঙ্খলা’ করার সন্দেহে যে কোনও ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করতে পারে। হারেৎজ সেনাবাহিনীর ইউনিট কমান্ডারদের উদ্ধৃত করে বলেছে, সেনাবাহিনীর পশ্চিম তীর বিভাগের প্রধান ইয়াকি ডলফ, সৈন্যদের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে আসা এবং চেকপয়েন্টের দিকে অগ্রসর হওয়া যেকোনোও যানবাহনে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিম তীরে একটি সামরিক চেকপয়েন্টের দিকে এগিয়ে আসা একটি গাড়িতে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরে গুলি চালানোর আদেশের কোনো পরিবর্তনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। হারেৎজকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পশ্চিম তীরের জন্য ‘যুদ্ধের নিয়মে কোনও পরিবর্তন হয়নি’।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঈদ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থ সরকার: গত ঈদের তুলনায় এবার সড়কে প্রাণহানি বেড়েছে ৮.২৬% আবারও পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা বাংলাদেশে, বয়ান দেবেন চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মকার্ড খেলে মামলা খেলেন ইসলামী বক্তা থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া আমির হামজা জামালপুরে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতা-কর্মীর গণআত্মসমর্পণ, আদালতের কারাগারে পাঠানোর আদেশ ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা ইরান সংকটে ‘দ্রুত সমাধান’ খুঁজছেন ট্রাম্প, তবে পরিস্থিতি জটিল—বিশ্লেষকদের সতর্কতা সরকারি নিষেধাজ্ঞা নয়, বকেয়া মেটাতে না পারায় আইপিএল দেখাতে পারছে না টি-স্পোর্টস বরিশালেও বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব: ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৬ ইউনূস অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা কিনতে গিয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ: এখন দেশে হাম মহামারি সংসদ ভবনে ঘোলা পানি খেয়ে আমার নিজেরও পেট খারাপ হয়েছে : চিফ হুইপ আমির হামজাকে ‘পাগলা গারদে’ ভর্তির দাবি নানি-নাতির আলোচিত প্রেম, এলাকাজুড়ে তোলপাড়! ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর ভানুয়াতুর উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত গুরুতর আহত চট্টগ্রামের এসপিকে হেলিকপ্টারে নেওয়া হলো ঢাকায় ‘জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার গুঞ্জন, মুখ খুলল ইরান ইরানকে নতুন হুমকি দিলেন ট্রাম্প মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন মিন অং হ্লাইং