ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, ৩ ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে নিহত ৫৪৯ ফিলিস্তিনি
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ত্রাণ সহায়তা নিতে গিয়ে গত এক মাসে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী কমপক্ষে ৫৪৯ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন চার হাজারেরও বেশি। খবর আল-জাজিরার।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত চার সপ্তাহে গাজায় মানবিক সাহায্য নেওয়ার চেষ্টা করার সময় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ৫৪৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৬৬ জন আহত হয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত বিতরণ কেন্দ্রে বা তার কাছাকাছি এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
গাজার হাসপাতাল সূত্র আলজাজিরাকে আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৭১ জন নিহত হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় গাজার
স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এতে প্রায় ১২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। ওইদিন থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, তখন থেকে গাজায় ৫৬ হাজার ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৩২ হাজার ৪৫৮ জন। এদিকে গাজায় আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে তেল আবিবে জড়ো হন তাদের পরিবার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি সরকারের প্রতি যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তারা। রাজনৈতিক স্বার্থে জিম্মিরা বলি হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এতে প্রায় ১২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। ওইদিন থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, তখন থেকে গাজায় ৫৬ হাজার ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৩২ হাজার ৪৫৮ জন। এদিকে গাজায় আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে তেল আবিবে জড়ো হন তাদের পরিবার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলি সরকারের প্রতি যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানান তারা। রাজনৈতিক স্বার্থে জিম্মিরা বলি হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।



