‘কোটা না মেধা? মেধা মেধা’ স্লোগানদাতারা কেন চাকরিতে নারী কোটার পক্ষে ফিরতে চায় এখন? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ অক্টোবর, ২০২৫
     ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!

সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ

সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি

১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা

‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক

ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি

‘কোটা না মেধা? মেধা মেধা’ স্লোগানদাতারা কেন চাকরিতে নারী কোটার পক্ষে ফিরতে চায় এখন?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ অক্টোবর, ২০২৫ | ৭:৫৪ 58 ভিউ
২০২৪ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলনে নারী নেত্রী সামান্থা শারমিনের নেতৃত্বে হাজারো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সরকারি চাকরি সহ সকল ক্ষেত্রে “নারী কোটা”সহ সকল কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, নারীরা যেন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পান। এই দাবীতে একত্মতা প্রকাশ করেছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিস্ট ছাত্রীরা, যাদের কেউ কেউ পড়াশোনা শেষে ইসলামিক ব্যক্তির সঙ্গে সংসার করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছিলেন, আবার কেউ জানতেন জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠানে তাদের চাকরি নিশ্চিত। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের এই কোটা-বিরোধী আন্দোলনের ফলে আদালতের রায়ে সব কোটা কমিয়ে ৭%-এ নামানো হয়। এরপর সরকার বদল হয়, “নতুন বাংলাদেশ” ও “নতুন সংস্কার” এর কথা বলে ছাত্র নেতাদের পছন্দের ড. মুহাম্মদ ইউনুস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের

দায়িত্ব নেন। এর পরপরই সরকারি চাকরিতে নারী কোটা তুলে দেওয়া হয়। এমনকি শিক্ষকতার পেশায় নারীদের বিশেষ প্রাধান্য দেওয়ার যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত পূর্বের আওয়ামী লীগ সরকার নিয়েছিল, তাও বাতিল করা হয়। অথচ এখন কোটা-বিরোধী আন্দোলনের নারী সমন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র জ্যেষ্ঠ যুগ্ন আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন বলছেন, “নারী কোটা তুলে দেওয়া হুমকির মতো। কোটা না থাকলে কর্মক্ষেত্রে নারীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। নারীদের জন্য কোটা থাকা অবশ্যই জরুরি, যাতে তারা চাকরিক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারেন।” এই দ্বিমুখী অবস্থান থেকে স্পষ্ট, তারা জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন করেছিলেন, তা এখন আর সঠিক মনে করছেন না। অথবা তারা নিজেরাই জানেন না কোনটি দেশ ও জনগণের জন্য ভালো বা ক্ষতিকর।

তাই তারা একেক সময় একেক অবস্থান নিচ্ছেন। কিন্তু এর মাঝে একটি দেশ, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, অর্থনীতি, সর্বভৌমত্ব এবং হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকা এই ছাত্র নেতাদের খামখেয়ালিপনার শিকার হয়েছে। আন্দোলনের সময় এই ছাত্র নেতারা বারবার অবস্থান বদল করেছেন। একদিন কোটা বাতিলের দাবি, পরদিন ১২ দফা, তারপর ৮ দফা, আবার এক দফা। এই বারে বারে অবস্থান বদলের কারনে তৎকালীন সরকার তাদের দাবির সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খেয়েছে। আগস্টের পরও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে—কখনো “Now or Never”, কখনো ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি, কখনো জুলাই সনদে স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি। আজ ছাত্র অধিকার, কাল রাজনৈতিক দল গঠন, পরশু নাগরিক কমিটি। আজ জামায়াতের সন্মেলনে তো কাল জামাইয়াত বিরোধী বক্তব্য, যেন

মার্কেট পাওয়ার জন্য এক নীতিহীন ও সস্তা প্রতিযোগীতায় লিপ্ত ছাত্র সমন্বয়করা। এই খামখেয়ালিপনা ও নীতিহীনতার কারনে হাজারো ছাত্র ও অছাত্র নিজেদের প্রতারিত মনে করছেন, যারা জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। ছাত্র সমন্বয়ক আর এনসিপি’র নেতাদের সার্বিক কর্মকান্ড দেখে তাদের কোনো আদর্শিক অবস্থানের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন যেহেতু তারা ভোটের রাজনীতিতে নেমেছেন, তারা বুঝতে পারছেন নারী ভোটের গুরুত্ব। তাই হাস্যকরভাবে তারা এখন নারী কোটার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কিন্তু গত ১৪ মাসে চাকরী হারানো লক্ষাধিক নারী, শিক্ষকের বা সরকারি চাকুরীর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হাজারো নারী কি এই সকল ছাত্রনেতাবেশী সমন্বয়ক আর জুলাই আন্দোলনকারীদের কোনদিনও ক্ষমা করতে পারবে? হাজারো নারী শীক্ষার্থি যাদের লক্ষ্য ছিল

পড়াশোনা শেষে সংসারের হাল ধরা, সরকারী চাকরিতে ঢুকে স্বাবলম্বী হওয়া, নিজের ভবিষ্যৎ কে নিশ্চিত করা, কারো মুখাপেক্ষি হয়ে না থাকা, সেই সকল উচ্চ শিক্ষিত নারীরা কি এই ধোঁকা কোনদিনও ভুলতে পারবে?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নরসিংদীর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত কর্মীকে বাঁচাতে মিমাংসা করেন বিএনপি নেতা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তা শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ! সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি ইরানের আক্রমণে কাতারে মার্কিন রাডার ধ্বংস: মধ্যাপ্রাচ্যের আকাশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “ব্লাইন্ডজোন” সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা? ১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় দুই প্রজন্মের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা এবং ইতিহাস: শেষ পর্ব বিদেশে পলাতক শিবিরের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নির্দেশে পুলিশি পাহারায় থাকা চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী-আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি’তে ছাত্রলীগের পোস্টার ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিল থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ জন গ্রেপ্তার ‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণভোটের ফলাফল বনাম সাংবিধানিক সীমা আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক