কারখানা বন্ধ হওয়া দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়: প্রেসসচিব শফিকুল আলম – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
     ১০:১৬ অপরাহ্ণ

আরও খবর

‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক

ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক

ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল

কারখানা বন্ধ হওয়া দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়: প্রেসসচিব শফিকুল আলম

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ | ১০:১৬ 67 ভিউ
বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশের ২৫৮টি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির জন্য পরোক্ষভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) তার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। শফিকুল আলম তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, একসময় বাংলাদেশে পাঁচ হাজারেরও বেশি তৈরি পোশাক কারখানা ছিল। এই রেডিমেড গার্মেন্টস (আরএমজি) প্ল্যান্টগুলোর অনেকগুলোই আবাসিক এলাকায় পরিচালিত হতো, যেখানে প্রায়শই এক ভবনে একাধিক কারখানা দেখা যেত, প্রতিটি কারখানায় ১০০ থেকে ৫০০ শ্রমিক কাজ করতেন। তিনি রানা প্লাজা কমপ্লেক্সের

কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে পাঁচটি কারখানা ছিল, যার মধ্যে ফ্যান্টম অ্যাপারেলস অন্যতম। তিনি আরও জানান, ১৯৯০ এবং ২০০০-এর দশকেও মালিবাগে ছোট ছোট কারখানা ছিল যা ২০১০-এর দশকের মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা ঢাকার উপকণ্ঠে স্থানান্তরিত হয়েছে। গাজীপুরের স্যান্ডব্লাস্টিং ইউনিটগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, একসময় শত শত স্যান্ডব্লাস্টিং ইউনিট গোপনে বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জিন্স স্যান্ডব্লাস্টিংয়ের কাজ করত। এই কারখানাগুলোও কমপ্লায়েন্স সমস্যার কারণে ২০১০-এর দশকের শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। কারখানা বন্ধের সঙ্গে রপ্তানির একটি বিপরীতমুখী চিত্রও তুলে ধরেন প্রেসসচিব। তিনি লেখেন, "আজ, বাংলাদেশে সক্রিয় গার্মেন্টস কারখানার সংখ্যা দুই হাজারের সামান্য বেশি, যা ১৯৯০ এবং ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকে প্রায়

পাঁচ হাজার ছিল। তবুও আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি এখন ১৯৯০-এর দশকের শেষ বা ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকের তুলনায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি।" তিনি আরও জানান, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের বার্ষিক গার্মেন্টস রপ্তানি প্রথমবারের মতো এক বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছিল, অথচ এই বছর শুধু ইয়াংওয়ান (Youngone) বা হা-মীম গ্রুপের মতো জায়ান্টদের প্রত্যেকেই এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের পোশাক রপ্তানি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু হা-মীম গ্রুপেই প্রায় ৫০,০০০ শ্রমিক কাজ করে। কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, গত ২৫ বছরে নানা কারণে সারা দেশে প্রায় ৩,০০০ গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। কমপ্লায়েন্স ইস্যু এর মধ্যে একটি অন্যতম

কারণ। দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং অদক্ষতাও অন্য কারণ হিসেবে কাজ করেছে। কিছু কারখানা পরিশোধ করতে না পারা ঋণের ভারে ভেঙে পড়েছে। আবার শান্তার (Shanta) মতো কিছু প্রতিষ্ঠান গার্মেন্টস উৎপাদন পুরোপুরি ছেড়ে অন্য খাতে মনোনিবেশ করেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান শ্রমিক ব্যবস্থাপনা বিশৃঙ্খল মনে করেছে, এবং কেউ কেউ অর্থ উপার্জন করে কানাডার মতো জায়গায় পাড়ি জমিয়েছে। তবে এই কারখানা কমে যাওয়ার বিষয়টিকে তিনি দুশ্চিন্তার বলে মনে করেন না। তার মতে, "কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত রপ্তানির পরিসংখ্যান বাড়ছে, ততক্ষণ নন-কমপ্লায়েন্ট কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়। আমাদের অনিরাপদ বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কারখানার দরকার নেই। বড় কারখানা মানেই সাধারণত উন্নত কমপ্লায়েন্স।" বিজিএমইএ-এর প্রেস রিলিজ এবং

কিছু সাংবাদিকদের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আপনি যদি আজকাল বিজিএমইএ-এর প্রেস রিলিজগুলো পড়েন, তবে মনে হবে যেন প্রতিটি কারখানা বন্ধ হওয়া সরকারের ব্যর্থতা—যেন কর্তৃপক্ষ তাদের ‘বাঁচাতে’ না পারার জন্য দোষী।" তিনি এই ধরনের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বলেন যে তারা কখনো কষ্ট করে দেখেন না এই বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর শ্রমিকরা আরও বড়, আরও ভালোভাবে পরিচালিত প্ল্যান্টগুলোতে কাজ খুঁজে পেয়েছে কি না। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ২০০০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশে প্রায় তিন মিলিয়ন গার্মেন্টস শ্রমিক ছিল, আর এখন সেই সংখ্যাটি প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন। শফিকুল আলম এই ধরনের সমালোচনাকে "শহরের একমাত্র বুদ্ধিমান" সেজে অন্যদের "আবুল" মনে করার মানসিকতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিল থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ জন গ্রেপ্তার ‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণভোটের ফলাফল বনাম সাংবিধানিক সীমা আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল ‘ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হবেন জানলে রাস্তায় নামতাম না’: আবদুন নূর তুষার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন: আরও এক হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক মেয়র আইভীকে নতুন গভর্নর কি ঋণখেলাপি! দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রির চূড়ান্ত পর্যায়ে খলিল, পেলেন আরাকান আর্মির অভিনন্দন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব গেলেন, প্রশ্নগুলো রয়ে গেল লুটেরা চরিত্র কি কখনো ঢাকা যায় নোবেলের আড়ালে? সম্পদের পাহাড় গড়েছেন উপদেষ্টারা ভুয়া মামলার ফাঁদে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ‘উপরওয়ালা’ এখন আমি: মুফতি আমির হামজার বক্তব্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় আসতে না আসতেই এই অবস্থা, সামনে কী অপেক্ষা করছে?