ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীর হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা নিহত
সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, নিহত ৬
মধ্যপ্রাচ্য ছেড়েছেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪০ সেনা আহত : পেন্টাগন
বাগদাদ বিমানবন্দরের ভিক্টোরিয়া ঘাঁটিতে ষষ্ঠ হামলা
ইসরায়েলকে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের
কাতার থেকে এলএনজির চতুর্থ চালান এলো দেশে
কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটিতে ভিড়েছে। এদিন মালয়েশিয়া থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী ১২ ও ১৪ মার্চ এলএনজি ও ডিজেলবাহী আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে ৮টি জাহাজ ইতোমধ্যে খালাস শেষ
করে চলে গেছে এবং বর্তমানে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলেও এখন কোনো বাধা নেই। পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়ে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে। ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও জ্বালানিবাহী জাহাজ দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কনটেইনার ডিপো ও লাইটারেজ জাহাজে ডিজেল সংকট এবং
চাহিদা–সংক্রান্ত সব তথ্য বিপিসির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানো হয়েছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো দ্রুত আনার উদ্যোগ নিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং জনসচেতন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সম্ভাব্য যে কোনো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে থাকা ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে এবং আরও ৪টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বন্দর সূত্র। এসব জাহাজে এলএনজি, এলপিজি, বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে।
করে চলে গেছে এবং বর্তমানে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। ফলে দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলেও এখন কোনো বাধা নেই। পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়ে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে। ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও জ্বালানিবাহী জাহাজ দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কনটেইনার ডিপো ও লাইটারেজ জাহাজে ডিজেল সংকট এবং
চাহিদা–সংক্রান্ত সব তথ্য বিপিসির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানো হয়েছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো দ্রুত আনার উদ্যোগ নিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং জনসচেতন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সম্ভাব্য যে কোনো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে থাকা ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে এবং আরও ৪টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বন্দর সূত্র। এসব জাহাজে এলএনজি, এলপিজি, বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে।



