ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঈদের সময় চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অর্ধেকই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার!
ড. ইউনূসের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় খাদের কিনারায় দেশের স্বাস্থ্য খাত
শেখ হাসিনা সরকারের ছাপা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটেই শেষ ভরসা বিএনপি সরকারের
নেপালের জেন-জিদের তরুণ নেতা সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের জেন-জি নেতারা হারাচ্ছেন গ্রহণযোগ্যতা!
বাংলাদেশে আবারও ইতিহাস বিকৃতির পথে ফেরা
অকটেন সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে সরকার, মজুদ করে অধিক দামে বিক্রি করছে বিএনপি সংশ্লিষ্টরা
বিনা চিকিৎসায় অর্ধশত শিশুর মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করলেই কি সরকার দায় এড়াতে পারে?
কমছে অপরিশোধিত তেলের মজুদ, ১০-১২ দিনের মধ্যেই সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের স্বল্পতায় পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হাতে এখন মাত্র ৪০ হাজার মেট্রিক টন ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মজুদ রয়েছে, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২ দিন উৎপাদন চালানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দৈনিক প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন পরিশোধন সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে কারখানাটি গড়ে ৩ হাজার ৮০০ টন করে তেল পরিশোধন করছে। উৎপাদিত জ্বালানি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাত পরিস্থিতি এই সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক পদক্ষেপ এবং পাল্টা উত্তেজনার জেরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত
হয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে আমদানিনির্ভর দেশ বাংলাদেশেও। তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিতও মিলেছে। ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশের জন্য শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার উন্মুক্ত রাখা হবে। এই তালিকায় ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নামও রয়েছে। ইআরএল সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল বহনকারী একটি জাহাজ আগামী ২১ এপ্রিল সৌদি আরব থেকে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যাত্রা করলে মে মাসের শুরুতে দেশে পৌঁছাতে পারে। যদিও বর্তমান নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিকল্প সমুদ্রপথ ব্যবহারের চিন্তাভাবনাও রয়েছে। এদিকে আগে নির্ধারিত কয়েকটি চালান
এখনও অনিশ্চয়তায় আটকে আছে। সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে এক লাখ টন তেলবাহী একটি জাহাজ গত ২রা মার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেটি এখনো বন্দরে অবস্থান করছে। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে আসার কথা থাকা আরেকটি জাহাজের সূচিও বাতিল করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে কাঁচা তেল পরিশোধন করে ডিজেল, পেট্রল, ফার্নেস অয়েল, এলপিজি, জেট ফুয়েল ও বিটুমিন উৎপাদন করা হয়। তবে এখানে অকটেন উৎপাদন হয় না। প্রতিষ্ঠানটির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং) মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সর্বশেষ ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে
সেটিই প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টন তেল পরিশোধন চলছে, তবে কাঁচামালের সংকট ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে অপারেশনস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ খান বলেন, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া ও নাইজেরিয়াসহ কয়েকটি দেশ নমুনা পাঠিয়েছে, যেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে এসব উৎস থেকে তেল আনতে কিছুটা সময় লাগবে বলে তিনি জানান। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে গেলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে।
হয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে আমদানিনির্ভর দেশ বাংলাদেশেও। তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিতও মিলেছে। ইরান সম্প্রতি জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশের জন্য শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার উন্মুক্ত রাখা হবে। এই তালিকায় ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নামও রয়েছে। ইআরএল সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল বহনকারী একটি জাহাজ আগামী ২১ এপ্রিল সৌদি আরব থেকে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যাত্রা করলে মে মাসের শুরুতে দেশে পৌঁছাতে পারে। যদিও বর্তমান নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিকল্প সমুদ্রপথ ব্যবহারের চিন্তাভাবনাও রয়েছে। এদিকে আগে নির্ধারিত কয়েকটি চালান
এখনও অনিশ্চয়তায় আটকে আছে। সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে এক লাখ টন তেলবাহী একটি জাহাজ গত ২রা মার্চ চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেটি এখনো বন্দরে অবস্থান করছে। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে আসার কথা থাকা আরেকটি জাহাজের সূচিও বাতিল করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে কাঁচা তেল পরিশোধন করে ডিজেল, পেট্রল, ফার্নেস অয়েল, এলপিজি, জেট ফুয়েল ও বিটুমিন উৎপাদন করা হয়। তবে এখানে অকটেন উৎপাদন হয় না। প্রতিষ্ঠানটির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিডিউলিং) মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, সর্বশেষ ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল গ্রহণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে
সেটিই প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টন তেল পরিশোধন চলছে, তবে কাঁচামালের সংকট ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে অপারেশনস বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ খান বলেন, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া ও নাইজেরিয়াসহ কয়েকটি দেশ নমুনা পাঠিয়েছে, যেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে এসব উৎস থেকে তেল আনতে কিছুটা সময় লাগবে বলে তিনি জানান। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে গেলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে।



