ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সম্প্রতি স্থাপিত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব দোকানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোনো স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এতে আরও বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ব্যতিরেকে ভবিষ্যতে এ
ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।
ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।



