ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ
দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে
‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
কক্সবাজারের হোটেলে এনসিপি-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: ‘নতুন ষড়যন্ত্রের কাশিমবাজার কুঠি’ বলছে বিরোধীরা
কক্সবাজারের একটি হোটেলে ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই বিশেষ বৈঠকে অংশ নেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তাসনিম জারা প্রমুখ।
তবে বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে এনসিপি নেতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।
এদিনই ছিল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর প্রথম বার্ষিকী। গত বছর এই দিনে রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রণয়নের অঙ্গীকার করে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে সেই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মের
শীর্ষ সমন্বয়কারীরাই পরবর্তীতে এনসিপি গঠন করেন। সেই দলের নেতাদের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বলছে, এটি ছিল ‘গোপন ষড়যন্ত্রের বৈঠক’। তাদের ভাষায়, “যেভাবে কাশিমবাজার কুঠিতে বসে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হারানোর পরিকল্পনা হয়েছিল, তেমনি কক্সবাজারের হোটেলে বসে বাংলাদেশকে ডীপস্ট্রেটের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সংবিধান বাতিল করে বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠাই এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য।” এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। পিটার হাসের দপ্তর থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
শীর্ষ সমন্বয়কারীরাই পরবর্তীতে এনসিপি গঠন করেন। সেই দলের নেতাদের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বলছে, এটি ছিল ‘গোপন ষড়যন্ত্রের বৈঠক’। তাদের ভাষায়, “যেভাবে কাশিমবাজার কুঠিতে বসে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হারানোর পরিকল্পনা হয়েছিল, তেমনি কক্সবাজারের হোটেলে বসে বাংলাদেশকে ডীপস্ট্রেটের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সংবিধান বাতিল করে বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠাই এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য।” এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। পিটার হাসের দপ্তর থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।



