ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা।
সাবেক স্পিকার গ্রেপ্তার: আদালতে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
ঈদুল আজহা ও আরাফাহ দিবসে আরব আমিরাতে ৬ দিন ছুটি
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাশ
আইনজীবীদের হট্টগোলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষোভ ঝাড়লেন বিচারক
আদালতে শিরীন শারমিন, কারাগারে আটক রাখার আবেদন
ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব, গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়
এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু ও সাবেক স্বাস্থ্যে শতকোটি টাকার টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্য
২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যক্রম নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। এ সময়ের স্বাস্থ্য খাতের ব্যবস্থাপনা বিশেষভাবে সমালোচনার মুখে পড়ে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সিদ্ধান্ত, দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে; তাঁর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে।
সাবেক এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছিলেন উন্নয়ন খাতের একজন পেশাজীবী, যার দীর্ঘ কর্মজীবন কেটেছে ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকে। মাঠ পর্যায়ের নারী উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সংগঠন পরিচালনায় তাঁর অভিজ্ঞতা থাকলেও চিকিৎসা, জনস্বাস্থ্য বা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি পেশাগত সংশ্লেষ ছিল না—যা পরবর্তী সময়ে আলোচনার কেন্দ্রে আসে।
খাত সংশ্লিষ্ট একাধিক
সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কার্যত পঙ্গু করে দেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতা এবং ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে গড়া একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপদেষ্টা দীর্ঘ সময়েও স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা অর্জন করতে পারেননি। কেউ পরামর্শ দিলে তা গুরুত্ব পেত না; মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম একক সিদ্ধান্তে পরিচালিত হতো। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব এবং বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনও একাধিকবার পরামর্শ দিতে গিয়ে ব্যর্থ হন। তিনি এক বক্তব্যে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই যথাযথভাবে কাজ করতে পারেননি। হাম
প্রতিরোধের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করলেই পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের অপসারণ না করলে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। অভিযোগ রয়েছে, নূরজাহান বেগম প্রভাবশালী ব্যক্তির আত্মীয় হওয়ায় কার্যত জবাবদিহির বাইরে ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল সীমিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিনি এককভাবে নিতেন। বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তাঁর সময় একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব (যুগ্ম সচিব) ড. মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, যিনি আর্থিক লেনদেনের অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। উপদেষ্টার এপিএস তুহিন ফারাবী বদলি ও কেনাকাটায় মধ্যস্থতাকারী
হিসেবে কাজ করতেন। এ ছাড়া এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতুর নামও এই সিন্ডিকেটে জড়িত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, উপদেষ্টার স্বামী খন্দকার আসাদুজ্জামান নিয়োগ বাণিজ্যে প্রভাব বিস্তার করতেন এবং ছেলে অন্তু বিভিন্ন ‘ক্লায়েন্ট’ সংগ্রহ ও যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। ফলে পুরো ব্যবস্থাটি অনেকের কাছে একটি পারিবারিক ক্ষমতা কাঠামো হিসেবে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে কথা বললে বদলি বা বিভাগীয় শাস্তির হুমকি দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাজধানী থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একযোগে বাইরে বদলি করা হয়, যার ফলে ঢাকার জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। দুদকের নজরদারিতে কর্মকর্তারা দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাস্থ্য
উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তুহিন ফারাবী ও মাহমুদুল হাসানের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ জারি করে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য এবং সরবরাহ কার্যক্রমে অনিয়মের সঙ্গে তারা জড়িত ছিলেন। তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তাকে নিজের, স্ত্রী ও সন্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, আয়কর নথি এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য জমা দিতে বলা হয়। ডা. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধেও টেন্ডারবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তাকেও একই ধরনের নথিপত্রসহ হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লকের নির্দেশ
দেন। টিকা সংকট ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পূর্ণ প্রস্তুতি ছাড়াই চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামের অধীন অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) ব্যবস্থা বাতিল করে। এর ফলে দেশে হামসহ ৮ থেকে ১০টি রোগের টিকার সংকট দেখা দেয়। ২০২৫ সালে টিকাদানের হার নেমে আসে ৫৭.১ শতাংশে, যা গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর ফলে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ে এবং শিশুমৃত্যুর হারও বৃদ্ধি পায়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন হলেও ওপি ব্যবস্থা বাতিলের কারণে নতুন প্রকল্প অনুমোদন, পরিচালক নিয়োগ ও তহবিল ছাড়ে বিলম্ব হয়। এতে টিকা সংগ্রহ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা
ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, হামের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী। সময়মতো টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, তাঁর বিশেষ সহকারী এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র জানায়, দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কার্যত পঙ্গু করে দেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতা এবং ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে গড়া একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপদেষ্টা দীর্ঘ সময়েও স্বাস্থ্য খাত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা অর্জন করতে পারেননি। কেউ পরামর্শ দিলে তা গুরুত্ব পেত না; মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম একক সিদ্ধান্তে পরিচালিত হতো। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব এবং বর্তমান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনও একাধিকবার পরামর্শ দিতে গিয়ে ব্যর্থ হন। তিনি এক বক্তব্যে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই যথাযথভাবে কাজ করতে পারেননি। হাম
প্রতিরোধের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করলেই পরিস্থিতির প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের অপসারণ না করলে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়। অভিযোগ রয়েছে, নূরজাহান বেগম প্রভাবশালী ব্যক্তির আত্মীয় হওয়ায় কার্যত জবাবদিহির বাইরে ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল সীমিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিনি এককভাবে নিতেন। বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তাঁর সময় একটি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব (যুগ্ম সচিব) ড. মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, যিনি আর্থিক লেনদেনের অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। উপদেষ্টার এপিএস তুহিন ফারাবী বদলি ও কেনাকাটায় মধ্যস্থতাকারী
হিসেবে কাজ করতেন। এ ছাড়া এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতুর নামও এই সিন্ডিকেটে জড়িত বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, উপদেষ্টার স্বামী খন্দকার আসাদুজ্জামান নিয়োগ বাণিজ্যে প্রভাব বিস্তার করতেন এবং ছেলে অন্তু বিভিন্ন ‘ক্লায়েন্ট’ সংগ্রহ ও যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন। ফলে পুরো ব্যবস্থাটি অনেকের কাছে একটি পারিবারিক ক্ষমতা কাঠামো হিসেবে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে কথা বললে বদলি বা বিভাগীয় শাস্তির হুমকি দেওয়া হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাজধানী থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একযোগে বাইরে বদলি করা হয়, যার ফলে ঢাকার জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। দুদকের নজরদারিতে কর্মকর্তারা দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাস্থ্য
উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তুহিন ফারাবী ও মাহমুদুল হাসানের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ জারি করে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার, নিয়োগ বাণিজ্য এবং সরবরাহ কার্যক্রমে অনিয়মের সঙ্গে তারা জড়িত ছিলেন। তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও তদবির বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তাকে নিজের, স্ত্রী ও সন্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, আয়কর নথি এবং ব্যাংক হিসাবের তথ্য জমা দিতে বলা হয়। ডা. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধেও টেন্ডারবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। তাকেও একই ধরনের নথিপত্রসহ হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লকের নির্দেশ
দেন। টিকা সংকট ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পূর্ণ প্রস্তুতি ছাড়াই চতুর্থ সেক্টর প্রোগ্রামের অধীন অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) ব্যবস্থা বাতিল করে। এর ফলে দেশে হামসহ ৮ থেকে ১০টি রোগের টিকার সংকট দেখা দেয়। ২০২৫ সালে টিকাদানের হার নেমে আসে ৫৭.১ শতাংশে, যা গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর ফলে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ে এবং শিশুমৃত্যুর হারও বৃদ্ধি পায়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আগে টিকা সংগ্রহ ও বিতরণ দ্রুত সম্পন্ন হলেও ওপি ব্যবস্থা বাতিলের কারণে নতুন প্রকল্প অনুমোদন, পরিচালক নিয়োগ ও তহবিল ছাড়ে বিলম্ব হয়। এতে টিকা সংগ্রহ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা
ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, হামের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী। সময়মতো টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করেও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, তাঁর বিশেষ সহকারী এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।



