
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

মেরুন টি-শার্ট পরা সেই ব্যক্তি ছিলেন পুলিশের কনস্টেবল

জীবনসঙ্গী খুঁজে নেয়ার ঐতিহ্যবাহী বউমেলা

ভরাট হচ্ছে মধুপুরের খাল-বিল, হারাচ্ছে দেশি মাছ

বাংলাদেশিসহ ১০৪ বিদেশিকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

‘আদালতের প্রতি আস্থা নেই, জামিন চাইব না’- বীর মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকীর সদর্প উচ্চারণ

দারিদ্র্য নিয়ে পিপিআরসির তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা

আগামীকাল শিক্ষকদের সমাবেশ বাধাগ্রস্থ করার সরকারি নীলনকশা : সত্যিকারের ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ
এনটিএমসি-বিটিআরসিকে গণঅভ্যুত্থানের তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কিত সব ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
একই সঙ্গে সব মোবাইল অপারেটর ও ইন্টারনেট প্রোভাইডরদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে প্রসিকিউশনকে সহায়তা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আদালতে শুনানিতে ছিলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
এনটিএমসি ও বিটিআরসির কাছে থাকা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ঘটনা সম্পর্কিত সব তথ্য-উপাত্ত স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে বলেন আদালত।
যেন প্রয়োজনের সময় এসব ডকুমেন্ট ও তথ্য-উপাত্ত পেতে কোনো সমস্যা না হয়। তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঘটনার বিবরণ-উপাত্ত, যা এনটিএমসি ও বিটিআরসিতে সংরক্ষিত থাকে, একটি নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময়কার এ ধরনের তথ্য-উপাত্ত বিচারিক কাজে প্রয়োজন হতে পারে। তদন্ত বা বিচারের স্বার্থে যে কোনো অফিসের নথিপত্র চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে দিতে বাধ্য থাকবে কর্তৃপক্ষ। তাই আদালত এনটিএমসি ও বিটিআরসিকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
যেন প্রয়োজনের সময় এসব ডকুমেন্ট ও তথ্য-উপাত্ত পেতে কোনো সমস্যা না হয়। তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঘটনার বিবরণ-উপাত্ত, যা এনটিএমসি ও বিটিআরসিতে সংরক্ষিত থাকে, একটি নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময়কার এ ধরনের তথ্য-উপাত্ত বিচারিক কাজে প্রয়োজন হতে পারে। তদন্ত বা বিচারের স্বার্থে যে কোনো অফিসের নথিপত্র চাইলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে দিতে বাধ্য থাকবে কর্তৃপক্ষ। তাই আদালত এনটিএমসি ও বিটিআরসিকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন।