ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জ্বালানি খাতে সহায়তা চায় বাংলাদেশ
কিস্তি দিতে আয়ের ৪০ শতাংশের বেশি ব্যয়
আয়ের সাথে ব্যয়ের হিসেব মিলছে না, সংসার খরচের ফর্দে পড়ল কাঁচি
জ্বালানি তেলের প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে ভয়াবহ উদ্বেগ প্রকাশ, তিন ধাপে কমল প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস
সিলিন্ডারে ১২ কেজি গ্যাসের ৪ কেজিই উধাও! বাতাস বেচে লাখপতি ব্যবসায়ী
জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামবে বলছে বিশ্বব্যাংক, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন কি অধরা রয়ে যাবে?
এটিএমে কার্ড স্পর্শ করেই তোলা যাবে টাকা, নেই আটকে যাওয়ার ভয়
এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে প্রায় কার্ড আটকে যাওয়ার ভোগান্তিতে পড়তে দেখা যায়। এ সমস্যার সমাধান দিতে দেশে চালু হয়েছে স্পর্শহীন বা এনএফসি (নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) প্রযুক্তির এটিএম সেবা। বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক নতুন এ সুবিধা চালু করেছে, তাদের এটিএম বুথে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে সুবিধাটি পাবেন সব ব্যাংকের গ্রাহক।
এর ফলে এখন থেকে এটিএম বুথে কার্ড প্রবেশ না করিয়ে শুধু স্পর্শ (ট্যাপ) করেই টাকা তোলা, জমাসহ অন্যান্য ব্যাংকিং লেনদেন করা যাবে। এ জন্য প্রয়োজনে হবে এনএফসি ব্যবহার উপযোগী এটিএম কার্ড। অবশ্য এখন সব ব্যাংকই এ প্রযুক্তির কার্ড দিচ্ছে। বাংলাদেশে একমাত্র সিটি ব্যাংকই নতুন এই প্রযুক্তির এটিএম এনেছে বলে
দাবি করছে ব্যাংকটি। যেভাবে কাজ করে প্রচলিত এটিএম বুথগুলোতে প্লাস্টিক কার্ডটি মেশিনের স্লটে প্রবেশ করিয়ে পিন নম্বর দিতে হয়। এই প্রযুক্তির সেবায় অনেক সময় কার্ডটি আটকে যায়। বিশেষ এক ব্যাংকের কার্ড অন্য ব্যাংকের এটিএমে ব্যবহারের সময় ঝুঁকি বেশি থাকে। এনএফসি প্রযুক্তির এটিএম বুথে কার্ড ভেতরে প্রবেশের কোনো প্রয়োজন নেই। বুথের নির্ধারিত স্থানে কার্ডটি স্পর্শ করালেই মেশিন গ্রাহককে শনাক্ত করতে পারে। এরপর পিন টাইপ করেই খুব দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। সিটি ব্যাংক ইতোমধ্যে নতুন এই প্রযুক্তির ৭০-৮০টি এটিএম স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে নতুন এটিএম স্থাপন বা পরিবর্তন হলে এনএফসি প্রযুক্তির বুথ বসাবে ব্যাংকটি। সিটি ব্যাংক এটিএম নেটওয়ার্কে এই সেবা যুক্ত করলেও এর সুফল পাবেন
দেশের যেকোনো ব্যাংকের গ্রাহক। কারণ, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ব্যবস্থার মাধ্যমে এখন এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য যে কোনো ব্যাংকের এটিএম ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্রতি লেনদেনে গুনতে হয় বাড়তি ১৫ টাকা। সুবিধা কী হবে অনেক সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়া বা যন্ত্রের ত্রুটির কারণে কার্ড এটিএম মেশিনের ভেতরে আটকে যেত। স্পর্শহীন প্রযুক্তিতে কার্ড ভেতরে দিতে হয় না বলে কার্ড আটকে যাওয়া বা খোয়া যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। প্রথাগত এটিএম বুথে ‘স্কিমিং ডিভাইস’ বসিয়ে কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করার ভয় থাকত। এনএফসি প্রযুক্তিতে কার্ড সরাসরি সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে, ফলে ক্লোনিং বা তথ্য চুরির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমন
দাবি করছেন সিটি ব্যাংক কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, কার্ড রিড হওয়া এবং লেনদেন শেষে কার্ড বের হওয়ার বাড়তি সময় বাঁচায় এই প্রযুক্তি। ফলে গ্রাহকের লেনদেনের সময় অনেকাংশে কমে আসবে। বারবার মেশিনে প্রবেশের ফলে কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ ও ইএমভি চিপ ক্ষয় হয়ে যায়। নতুন এ ব্যবস্থায় কার্ড অক্ষত থাকবে। সিটি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অরূপ হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গ্রাহকদের সুবিধার্থে নতুন এই প্রযুক্তির এটিএম চালু করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকেরা এটিএমে কার্ড না প্রবেশ করিয়ে স্বচ্ছন্দে ও দ্রুত লেনদেন করতে পারবেন।’
দাবি করছে ব্যাংকটি। যেভাবে কাজ করে প্রচলিত এটিএম বুথগুলোতে প্লাস্টিক কার্ডটি মেশিনের স্লটে প্রবেশ করিয়ে পিন নম্বর দিতে হয়। এই প্রযুক্তির সেবায় অনেক সময় কার্ডটি আটকে যায়। বিশেষ এক ব্যাংকের কার্ড অন্য ব্যাংকের এটিএমে ব্যবহারের সময় ঝুঁকি বেশি থাকে। এনএফসি প্রযুক্তির এটিএম বুথে কার্ড ভেতরে প্রবেশের কোনো প্রয়োজন নেই। বুথের নির্ধারিত স্থানে কার্ডটি স্পর্শ করালেই মেশিন গ্রাহককে শনাক্ত করতে পারে। এরপর পিন টাইপ করেই খুব দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। সিটি ব্যাংক ইতোমধ্যে নতুন এই প্রযুক্তির ৭০-৮০টি এটিএম স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে নতুন এটিএম স্থাপন বা পরিবর্তন হলে এনএফসি প্রযুক্তির বুথ বসাবে ব্যাংকটি। সিটি ব্যাংক এটিএম নেটওয়ার্কে এই সেবা যুক্ত করলেও এর সুফল পাবেন
দেশের যেকোনো ব্যাংকের গ্রাহক। কারণ, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ব্যবস্থার মাধ্যমে এখন এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য যে কোনো ব্যাংকের এটিএম ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্রতি লেনদেনে গুনতে হয় বাড়তি ১৫ টাকা। সুবিধা কী হবে অনেক সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়া বা যন্ত্রের ত্রুটির কারণে কার্ড এটিএম মেশিনের ভেতরে আটকে যেত। স্পর্শহীন প্রযুক্তিতে কার্ড ভেতরে দিতে হয় না বলে কার্ড আটকে যাওয়া বা খোয়া যাওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। প্রথাগত এটিএম বুথে ‘স্কিমিং ডিভাইস’ বসিয়ে কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ থেকে তথ্য চুরি করার ভয় থাকত। এনএফসি প্রযুক্তিতে কার্ড সরাসরি সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে, ফলে ক্লোনিং বা তথ্য চুরির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমন
দাবি করছেন সিটি ব্যাংক কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, কার্ড রিড হওয়া এবং লেনদেন শেষে কার্ড বের হওয়ার বাড়তি সময় বাঁচায় এই প্রযুক্তি। ফলে গ্রাহকের লেনদেনের সময় অনেকাংশে কমে আসবে। বারবার মেশিনে প্রবেশের ফলে কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ ও ইএমভি চিপ ক্ষয় হয়ে যায়। নতুন এ ব্যবস্থায় কার্ড অক্ষত থাকবে। সিটি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অরূপ হায়দার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গ্রাহকদের সুবিধার্থে নতুন এই প্রযুক্তির এটিএম চালু করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকেরা এটিএমে কার্ড না প্রবেশ করিয়ে স্বচ্ছন্দে ও দ্রুত লেনদেন করতে পারবেন।’



