ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলোচনায় প্রেস সচিব: উপদেষ্টার সাবেক এপিএস-এর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ইউনূসের সংবিধান সংস্কার-বাস্তবায়ন আদেশ জাতীয় প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এআইআইবি সহায়তা অনিশ্চিত, জ্বালানি বাজার অস্থিরতায় বাজেট বাস্তবায়নে বাড়ছে চাপ
ইউনূস সরকারের ‘বিলাসী’ ঋণের বিশাল বোঝা জেন জির কাঁধে?
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
যুক্তরাজ্যের পর এবার আজহারীকে ‘চরমপন্থী ইসলামি বক্তা’ আখ্যায় অস্ট্রেলিয়া থেকেও বহিষ্কার
২৬ দিনে উদ্ধার ২ লাখ লিটারের বেশি জ্বালানি তেল
একই মঞ্চে বিয়ে হলো হিন্দু-মুসলিমের
সাম্প্রতিক ভারতে মাথাচাড়া দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদ। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও হামলার খবর প্রায় সময়ই দেখা যায়। তবে এর মধ্যেই অসাধারণ এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়েছে দেশটির পুনের এক মুসলিম পরিবার। যদিও প্রাকৃতিক কারণই এমন নজির গড়ার পথ করে দিয়েছে।
গত শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডিএনএ জানিয়েছে, পুনের ওয়ানওরি এলাকায় টানা ও ভারী বৃষ্টিতে একটি হিন্দু পরিবারের বিয়ের আয়োজন ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তখন তাদের পাশে এসে দাঁড়ায় পাশের বিয়ের আসরে থাকা আরেকটি মুসলিম পরিবার।
ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। ওয়ানওরি এলাকার একটি বিয়ের হলে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা চলছিল মুসলিম ওই পরিবারের। আর ওই হলের ঠিক পাশেই একটি উন্মুক্ত মঞ্চে সন্ধ্যা ৬টা
৫৬ মিনিটে হিন্দু দম্পতি সংস্কৃতি কাওয়াডে পাটিল ও নরেন্দ্র গালন্দে পাটিলের বিয়ের আয়োজন ছিল। কিন্তু আচমকাই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামায় হইচই পড়ে যায়। গালন্দে পাটিল পরিবারের একজন সদস্য বলেন, ‘আমরা আশপাশে ছোটাছুটি করছিলাম কী করা যায় ভাবতে। তখন পাশের হলে মুসলিম পরিবারের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা চলছিল। আমরা তাদের অনুরোধ করি, আমাদের সপ্তপদী (বিয়ের মূল ধর্মীয় আচার) সম্পন্ন করতে একটু সময়ের জন্য যেন হলে ঢুকতে দেওয়া হয়।’ মুসলিম পরিবারটি কোনো দ্বিধা ছাড়াই সম্মতি জানায়। এমনকি তারা নিজেদের মঞ্চ ছেড়ে দেয় এবং তাদের অতিথিরাও এগিয়ে এসে হিন্দু পরিবারের রীতি অনুযায়ী মঞ্চ প্রস্তুত করতে সাহায্য করেন। গালন্দে পাটিল পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘দুই পরিবারের রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি
পরিপূর্ণ সম্মান রেখে আমাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে দুই ধর্মের মানুষই একসঙ্গে মিলেমিশে খাওয়াদাওয়াও করেন।’ মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন মুসলিম দম্পতি মাহিন ও মোহসিন কাজি এবং হিন্দু দম্পতি সংস্কৃতি ও নরেন্দ্র একসঙ্গে মঞ্চে ছবিও তোলেন—যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল মুহূর্ত হয়ে ধরা দিয়েছে। ঘটনাটি শুধু দুটি পরিবার নয়, বরং ভারতীয় সমাজে সহাবস্থানের সৌন্দর্যের একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
৫৬ মিনিটে হিন্দু দম্পতি সংস্কৃতি কাওয়াডে পাটিল ও নরেন্দ্র গালন্দে পাটিলের বিয়ের আয়োজন ছিল। কিন্তু আচমকাই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামায় হইচই পড়ে যায়। গালন্দে পাটিল পরিবারের একজন সদস্য বলেন, ‘আমরা আশপাশে ছোটাছুটি করছিলাম কী করা যায় ভাবতে। তখন পাশের হলে মুসলিম পরিবারের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা চলছিল। আমরা তাদের অনুরোধ করি, আমাদের সপ্তপদী (বিয়ের মূল ধর্মীয় আচার) সম্পন্ন করতে একটু সময়ের জন্য যেন হলে ঢুকতে দেওয়া হয়।’ মুসলিম পরিবারটি কোনো দ্বিধা ছাড়াই সম্মতি জানায়। এমনকি তারা নিজেদের মঞ্চ ছেড়ে দেয় এবং তাদের অতিথিরাও এগিয়ে এসে হিন্দু পরিবারের রীতি অনুযায়ী মঞ্চ প্রস্তুত করতে সাহায্য করেন। গালন্দে পাটিল পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘দুই পরিবারের রীতি ও বিশ্বাসের প্রতি
পরিপূর্ণ সম্মান রেখে আমাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে দুই ধর্মের মানুষই একসঙ্গে মিলেমিশে খাওয়াদাওয়াও করেন।’ মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন মুসলিম দম্পতি মাহিন ও মোহসিন কাজি এবং হিন্দু দম্পতি সংস্কৃতি ও নরেন্দ্র একসঙ্গে মঞ্চে ছবিও তোলেন—যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল মুহূর্ত হয়ে ধরা দিয়েছে। ঘটনাটি শুধু দুটি পরিবার নয়, বরং ভারতীয় সমাজে সহাবস্থানের সৌন্দর্যের একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে।



