ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ, দর্শনার্থীদের ভিড়
বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের, সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি
সাবেক ডিজিএফআই ডিজি মামুন খালেদের ৫ দিনের রিমান্ড
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি
ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মামুন খালেদ আটক
তিন কারণে পেট্রোল, অকটেন সংকট
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
উপহারের সেই নৌকা তোষাখানায় জমা দিলেন সড়ক উপদেষ্টা
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেল ওহাব সালদানির দেওয়া প্রতীকী ‘নৌকা’ সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘গত রাতে আলজেরীয় দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত উপহারটি সরকারি তোষাখানায় সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রী পরিষদ সচিবের দপ্তর থেকে এজন্য প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দেওয়া হয়েছে।
আপনাদের মতামতের জন্য ধন্যবাদ।’
এর আগে, উপহারের নৌকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিলে দিনভর এটা নিয়ে আলোচনা চলে। এ ব্যাপারে জনমত জানতে চেয়েছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রোববার সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গত (০১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আলজেরিয়ার জাতীয় দিবসে, আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনোনয়নক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিই। অনুষ্ঠানে আমাকে পালতোলা দাঁড় পরিচালনাকারী মাঝিসহ নৌকার প্রতিকৃতি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। কূটনৈতিক সৌজন্যবশত আমি তা গ্রহণ করি। উপহারটিতে দূতাবাসের নাম লিখিত আছে। লক্ষ্য করুন, এটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীকের কোনো মিল নাই। এখন আমি ১. এটি আলজেরীয় দূতাবাসে ফেরত পাঠাতে পারি। এটা অসৌজন্যমূলক ও হীনমন্যতাপ্রসূত হবে; ২. সরকারি তোশাখানায় জমা দিতে পারি। যদিও এটা খুব মূল্যবান কিছু নয়; ৩. শৈলান প্রবীণ নিবাসে রাখতে পারি; অথবা ৪. নিজে রেখে দিতে পারি। পাঠকের পরামর্শ পেলে উপকৃত হবো।’
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গত (০১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আলজেরিয়ার জাতীয় দিবসে, আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনোনয়নক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিই। অনুষ্ঠানে আমাকে পালতোলা দাঁড় পরিচালনাকারী মাঝিসহ নৌকার প্রতিকৃতি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। কূটনৈতিক সৌজন্যবশত আমি তা গ্রহণ করি। উপহারটিতে দূতাবাসের নাম লিখিত আছে। লক্ষ্য করুন, এটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীকের কোনো মিল নাই। এখন আমি ১. এটি আলজেরীয় দূতাবাসে ফেরত পাঠাতে পারি। এটা অসৌজন্যমূলক ও হীনমন্যতাপ্রসূত হবে; ২. সরকারি তোশাখানায় জমা দিতে পারি। যদিও এটা খুব মূল্যবান কিছু নয়; ৩. শৈলান প্রবীণ নিবাসে রাখতে পারি; অথবা ৪. নিজে রেখে দিতে পারি। পাঠকের পরামর্শ পেলে উপকৃত হবো।’



