ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র
পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির
বাংলাদেশে সহিংসতা বাড়ছে, রাজনীতিতে উপেক্ষিত নারী
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
উপহারের সেই নৌকা তোষাখানায় জমা দিলেন সড়ক উপদেষ্টা
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেল ওহাব সালদানির দেওয়া প্রতীকী ‘নৌকা’ সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘গত রাতে আলজেরীয় দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত উপহারটি সরকারি তোষাখানায় সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রেরণ করা হয়। মন্ত্রী পরিষদ সচিবের দপ্তর থেকে এজন্য প্রাপ্তি স্বীকারপত্র দেওয়া হয়েছে।
আপনাদের মতামতের জন্য ধন্যবাদ।’
এর আগে, উপহারের নৌকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিলে দিনভর এটা নিয়ে আলোচনা চলে। এ ব্যাপারে জনমত জানতে চেয়েছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রোববার সকালে ফেসবুকে দেওয়া এক
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গত (০১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আলজেরিয়ার জাতীয় দিবসে, আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনোনয়নক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিই। অনুষ্ঠানে আমাকে পালতোলা দাঁড় পরিচালনাকারী মাঝিসহ নৌকার প্রতিকৃতি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। কূটনৈতিক সৌজন্যবশত আমি তা গ্রহণ করি। উপহারটিতে দূতাবাসের নাম লিখিত আছে। লক্ষ্য করুন, এটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীকের কোনো মিল নাই। এখন আমি ১. এটি আলজেরীয় দূতাবাসে ফেরত পাঠাতে পারি। এটা অসৌজন্যমূলক ও হীনমন্যতাপ্রসূত হবে; ২. সরকারি তোশাখানায় জমা দিতে পারি। যদিও এটা খুব মূল্যবান কিছু নয়; ৩. শৈলান প্রবীণ নিবাসে রাখতে পারি; অথবা ৪. নিজে রেখে দিতে পারি। পাঠকের পরামর্শ পেলে উপকৃত হবো।’
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গত (০১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আলজেরিয়ার জাতীয় দিবসে, আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনোনয়নক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিই। অনুষ্ঠানে আমাকে পালতোলা দাঁড় পরিচালনাকারী মাঝিসহ নৌকার প্রতিকৃতি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। কূটনৈতিক সৌজন্যবশত আমি তা গ্রহণ করি। উপহারটিতে দূতাবাসের নাম লিখিত আছে। লক্ষ্য করুন, এটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীকের কোনো মিল নাই। এখন আমি ১. এটি আলজেরীয় দূতাবাসে ফেরত পাঠাতে পারি। এটা অসৌজন্যমূলক ও হীনমন্যতাপ্রসূত হবে; ২. সরকারি তোশাখানায় জমা দিতে পারি। যদিও এটা খুব মূল্যবান কিছু নয়; ৩. শৈলান প্রবীণ নিবাসে রাখতে পারি; অথবা ৪. নিজে রেখে দিতে পারি। পাঠকের পরামর্শ পেলে উপকৃত হবো।’



