ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কমছে অপরিশোধিত তেলের মজুদ, ১০-১২ দিনের মধ্যেই সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা
ড. ইউনূসের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় খাদের কিনারায় দেশের স্বাস্থ্য খাত
শেখ হাসিনা সরকারের ছাপা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটেই শেষ ভরসা বিএনপি সরকারের
নেপালের জেন-জিদের তরুণ নেতা সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের জেন-জি নেতারা হারাচ্ছেন গ্রহণযোগ্যতা!
বাংলাদেশে আবারও ইতিহাস বিকৃতির পথে ফেরা
অকটেন সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছে সরকার, মজুদ করে অধিক দামে বিক্রি করছে বিএনপি সংশ্লিষ্টরা
বিনা চিকিৎসায় অর্ধশত শিশুর মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করলেই কি সরকার দায় এড়াতে পারে?
ঈদের সময় চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অর্ধেকই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার!
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীর চাপ উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি রোগীদের প্রায় অর্ধেকই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার। শয্যাসংখ্যা সীমিত হলেও রোগীর চাপ দ্বিগুণের বেশি হওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
গত ২৪শে মার্চ নগরের গণি বেকারি মোড়ে সড়ক পার হওয়ার সময় অটোরিকশার ধাক্কায় আহত হন মো. জসীম। তার ডান হাতের কবজিতে গুরুতর আঘাত লাগে। সেদিনই চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বিকেলে ছাড়পত্র নেন তিনি।
জসীমের মতো একই দিনে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অন্তত ৩৮ জন রোগী ভর্তি হন অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, অর্থোপেডিক বিভাগের ৮৮টি শয্যার বিপরীতে রোগী থাকছে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি। মার্চ
মাসের ১ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার দুর্ঘটনাই বেশি ঘটছে। অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক মোহাম্মদ কাওসারুল মতিন জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা এখানে আসেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি ট্রমা রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষায়িত ট্রমা হাসপাতাল জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন তিনি। ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৭ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে ১৬টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৬০ জন আহত হয়েছেন। এই সময়েই মোট নিহতের
৫৯ শতাংশ এবং আহতের ৬৩ শতাংশের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে চমেক হাসপাতালে ৩৬০ জন নতুন রোগী ভর্তি হন, যার মধ্যে ১৪৯ জন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের ১ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৩৬টি দুর্ঘটনায় ৪৪ জন নিহত ও ৯৫ জন আহত হয়েছেন। তবে ছোটখাটো অনেক দুর্ঘটনা থানায় নথিভুক্ত না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের চাপ, দীর্ঘপথের ভ্রমণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং নিয়ম না মানার প্রবণতা দুর্ঘটনা বাড়ায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা, উল্টো পথে চলাচল এবং অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। চট্টগ্রামের
বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হাটহাজারী ও চন্দনাইশে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে। হাইওয়ে পুলিশের মতে, বেপরোয়া গতি, ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, সড়কের ত্রুটি এবং পথচারীদের অসচেতনতা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
মাসের ১ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে এই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার দুর্ঘটনাই বেশি ঘটছে। অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক মোহাম্মদ কাওসারুল মতিন জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা এখানে আসেন। দুর্ঘটনার পাশাপাশি ট্রমা রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি বিশেষায়িত ট্রমা হাসপাতাল জরুরি হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন তিনি। ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৭ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত সাত দিনে চট্টগ্রামে ১৬টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ৬০ জন আহত হয়েছেন। এই সময়েই মোট নিহতের
৫৯ শতাংশ এবং আহতের ৬৩ শতাংশের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে চমেক হাসপাতালে ৩৬০ জন নতুন রোগী ভর্তি হন, যার মধ্যে ১৪৯ জন সড়ক দুর্ঘটনার শিকার। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের ১ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ৩৬টি দুর্ঘটনায় ৪৪ জন নিহত ও ৯৫ জন আহত হয়েছেন। তবে ছোটখাটো অনেক দুর্ঘটনা থানায় নথিভুক্ত না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের চাপ, দীর্ঘপথের ভ্রমণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং নিয়ম না মানার প্রবণতা দুর্ঘটনা বাড়ায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি, হেলমেট ব্যবহার না করা, উল্টো পথে চলাচল এবং অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। চট্টগ্রামের
বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হাটহাজারী ও চন্দনাইশে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে। হাইওয়ে পুলিশের মতে, বেপরোয়া গতি, ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, সড়কের ত্রুটি এবং পথচারীদের অসচেতনতা দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।



