ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
ইশরাক সমর্থকদের লংমার্চ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসি) মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার মুখে পরেছে তার সমর্থকরা।
শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে ডিএসসি ভবনের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হয়। মিছিলটি গুলিস্তান মাজার, জিরো পয়েন্ট, পল্টন হয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দিয়ে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। বাধা পেয়ে মিছিলটি নগর ভবনের সামনে ফিরে আসে।
বিক্ষোভকারীরা ‘শপথ নিয়ে টালবাহানা, চলবে না’, ‘অবিলম্বে ইশরাক হোসেনের শপথ চাই’, ‘জনতার মেয়র ইশরাক ভাই, অন্য কোনো মেয়র নাই’—এমন স্লোগান দেন।
ইশরাকের সমর্থকরা আগে থেকেই নগর ভবন থেকে সচিবালয় পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এর অংশ হিসেবে সকালে নগর ভবন অবরুদ্ধ
করে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে নগর ভবন থেকে লংমার্চ শুরু হয়। এদিন সাধারণ কর্মচারীরাও বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নগর ভবনের সব গেট বন্ধ করে দেন। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় অচল হয়ে পড়ে। ফলে কোনো সেবাপ্রার্থী বা কর্মকর্তা ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পরও ইশরাক হোসেনকে শপথ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএসসিসি ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুলিস্তান মাজার, জিরো পয়েন্ট, পল্টন প্রেসক্লাব, শিক্ষাভবন এবং বঙ্গবাজার হয়ে আবার নগর ভবনের সামনে ফিরে আসে। এতে অংশ নেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের
আওতাধীন এলাকার হাজারো মানুষ। প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির ইশরাক হোসেনকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন। তবে গেল ২৭ মার্চ ট্রাইব্যুনালের রায়ে তাপসের বিজয় বাতিল করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করা হয়। গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন।
করে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে নগর ভবন থেকে লংমার্চ শুরু হয়। এদিন সাধারণ কর্মচারীরাও বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নগর ভবনের সব গেট বন্ধ করে দেন। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় অচল হয়ে পড়ে। ফলে কোনো সেবাপ্রার্থী বা কর্মকর্তা ভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পরও ইশরাক হোসেনকে শপথ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএসসিসি ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুলিস্তান মাজার, জিরো পয়েন্ট, পল্টন প্রেসক্লাব, শিক্ষাভবন এবং বঙ্গবাজার হয়ে আবার নগর ভবনের সামনে ফিরে আসে। এতে অংশ নেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের
আওতাধীন এলাকার হাজারো মানুষ। প্রসঙ্গত ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির ইশরাক হোসেনকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন। তবে গেল ২৭ মার্চ ট্রাইব্যুনালের রায়ে তাপসের বিজয় বাতিল করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করা হয়। গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় নির্বাচন কমিশন।



