ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমেরিকা মহাদেশজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কমছে, যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় পতন
ইরান-লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, ১৬টি ইরানি মাইন পাতা জাহাজ ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের
ভারত থেকে আসা ৫ হাজার টন ডিজেল খালাস শেষ হচ্ছে বুধবার
ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীর হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা নিহত
কাতার থেকে এলএনজির চতুর্থ চালান এলো দেশে
সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, নিহত ৬
মধ্যপ্রাচ্য ছেড়েছেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
ইরানে ফিরতে চান না নারী ফুটবলাররা, নতুন ২ জনসহ সাতজনের আশ্রয় অস্ট্রেলিয়ায়
ইরানে ফিরতে চাইছেন না নারী ফুটবলাররা, অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নিলেন আরও দুইজন—এমন খবরে আলোচনায় এসেছে ইরানের নারী ফুটবল দল। নতুন করে দুই সদস্য আশ্রয় পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নেওয়া খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট সদস্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাতজনে।
এর আগে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে দলের পাঁচজন খেলোয়াড় সেখানে আশ্রয় পেয়েছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন, দলের একজন খেলোয়াড় এবং একজন সহায়ক কর্মকর্তা অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিডনির বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়ার আগে তারা আশ্রয়ের আবেদন করেন।
মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি এলাকায় অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তা ও দোভাষীরা ইরানি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছাড়াই খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন। সেখানে তাদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের ওপর
কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়নি বা তাড়াহুড়াও করা হয়নি। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার জন্য তাদের যথেষ্ট সময় ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই দুই সদস্যকে ১২ মাস মেয়াদি অস্থায়ী মানবিক ভিসা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ভিসার ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে। একই ধরনের ভিসা আগে ইউক্রেন, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তান থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছিল। ইরানের নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সূত্রপাত হয় এশিয়া কাপের একটি ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। এরপর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দলটিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দেয়। যদিও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার সময় ইরানি
প্রবাসীদের একটি অংশ বিক্ষোভও করেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, খেলোয়াড়রা দেশে ফিরলে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তবে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, দলের বাকি সদস্যদের নিরাপদে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, ইরান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়নি বা তাড়াহুড়াও করা হয়নি। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার জন্য তাদের যথেষ্ট সময় ও স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই দুই সদস্যকে ১২ মাস মেয়াদি অস্থায়ী মানবিক ভিসা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ভিসার ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও তৈরি হতে পারে। একই ধরনের ভিসা আগে ইউক্রেন, ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তান থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছিল। ইরানের নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সূত্রপাত হয় এশিয়া কাপের একটি ম্যাচে জাতীয় সংগীত না গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। এরপর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দলটিকে ‘দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দেয়। যদিও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার সময় ইরানি
প্রবাসীদের একটি অংশ বিক্ষোভও করেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, খেলোয়াড়রা দেশে ফিরলে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তবে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, দলের বাকি সদস্যদের নিরাপদে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, ইরান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।



