ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রথম বক্তৃতায় সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আলটিমেটাম মোজতবা খামেনির
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক লিটার তেলও যাবে না: ইরান
যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ কত জানাল ট্রাম্প প্রশাসন
ভিন্ন উপায়ে যুদ্ধে ইরানকে সাহায্য করে যাচ্ছে রাশিয়া-চীন
হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে জরুরি বৈঠকের ডাক
ইরানের জন্য বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ‘ঠিক হবে না’: ট্রাম্প
ইরানে ফিরতে চান না নারী ফুটবলাররা, নতুন ২ জনসহ সাতজনের আশ্রয় অস্ট্রেলিয়ায়
ইরানের মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরে অবস্থিত শাজারাহ তাইয়্যেবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৮-১৭৫ জন নিহত হয়েছে। যাদের অধিকাংশই ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মেয়ে শিশু।
এ ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে দায় স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এর দায় অস্বীকার করে ইরানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন।
ইরানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা যায়, হামলাটি যুদ্ধের প্রথম দিনেই (২৮শে ফেব্রুয়ারি) সকালের স্কুল চলাকালীন সময়ে ঘটে।
স্কুলটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একটি নৌঘাঁটির পাশে অবস্থিত।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলায় টমাহক ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার
পরপরই দাবি করেন যে এটি ইরানেরই কাজ এবং তাদের অস্ত্রের অসঙ্গতির কারণে ঘটেছে। তিনি বলেন, “আমার দেখা তথ্য অনুসারে এটা ইরান করেছে… তাদের অস্ত্র খুবই অসঙ্গত।” কিন্তু পরবর্তীতে প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ প্রকাশের পর তিনি জানান যে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে “পুরোপুরি জানেন না” এবং পেন্টাগনের তদন্তের ফলাফল মেনে নেবেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, সিবিএস নিউজ, আল জাজিরাসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে পেন্টাগনের চলমান তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পুরনো গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেট নির্ধারণ করেছিল। ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) দেওয়া তথ্য অনুসারে স্কুল ভবনটিকে আইআরজিসি ঘাঁটির অংশ মনে করা হয়েছিল, যা আর
সঠিক ছিল না। এ কারণে টমাহক মিসাইল ভুলবশত স্কুলে আঘাত হানে। এ ঘটনা ইউএস-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান যুদ্ধের মধ্যে সবচেয়ে বড় বেসামরিক হতাহতের ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো এটিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা আসেনি, তবে তদন্ত চলমান রয়েছে। এদিকে ইরান এ ঘটনাকে “যুদ্ধাপরাধ” হিসেবে আখ্যায়িত করে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং বেসামরিক নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
পরপরই দাবি করেন যে এটি ইরানেরই কাজ এবং তাদের অস্ত্রের অসঙ্গতির কারণে ঘটেছে। তিনি বলেন, “আমার দেখা তথ্য অনুসারে এটা ইরান করেছে… তাদের অস্ত্র খুবই অসঙ্গত।” কিন্তু পরবর্তীতে প্রমাণ ও ভিডিও ফুটেজ প্রকাশের পর তিনি জানান যে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে “পুরোপুরি জানেন না” এবং পেন্টাগনের তদন্তের ফলাফল মেনে নেবেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, সিবিএস নিউজ, আল জাজিরাসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য মার্কিন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে পেন্টাগনের চলমান তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) পুরনো গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেট নির্ধারণ করেছিল। ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) দেওয়া তথ্য অনুসারে স্কুল ভবনটিকে আইআরজিসি ঘাঁটির অংশ মনে করা হয়েছিল, যা আর
সঠিক ছিল না। এ কারণে টমাহক মিসাইল ভুলবশত স্কুলে আঘাত হানে। এ ঘটনা ইউএস-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান যুদ্ধের মধ্যে সবচেয়ে বড় বেসামরিক হতাহতের ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। জাতিসংঘসহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো এটিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে এবং স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা আসেনি, তবে তদন্ত চলমান রয়েছে। এদিকে ইরান এ ঘটনাকে “যুদ্ধাপরাধ” হিসেবে আখ্যায়িত করে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং বেসামরিক নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়িয়েছে।



