ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন
খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, ৩ ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইমরান খানকে কারামুক্ত করতে ট্রাম্পের সাহায্য চান দুই পুত্র
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দুই পুত্র– কাসিম ও সুলেমান– দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে তাদের বাবার কারাবন্দি অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। খবর সামা টিভির।
ইমরান খানের গ্রেফতারের পর এই প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কথা বলেছেন দুই ভাই। কাসিম খান বলেন, আমরা কখনো কল্পনাও করিনি যে আমাদের বাবা এত দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকবেন। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ থেকে আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। আমাদের হাতে এখন খুব কম অপশন আছে, তাই আমরা মনে করি জনসমক্ষে কথা বলার সময় এসেছে।
তারা অভিযোগ করেন, ইমরান খান কারাগারে অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এবং তার মৌলিক মানবাধিকার পর্যন্ত লঙ্ঘন করা হচ্ছে।
কাসিম শঙ্কা প্রকাশ করে আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মধ্যে কিছু অভিযোগের সাজা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন তারা আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে ইমরান খানের মুক্তির পথ খুঁজছেন এবং এজন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কাসিম বলেন, এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য ট্রাম্পের চেয়ে উপযুক্ত আর কে হতে পারে? আমরা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে সাহায্য চাইছি। তিনি আরও বলেন, আমরা আইনি পথে যা যা করা সম্ভব, সব করেছি। বাবার মুক্তির জন্য এবং পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি না, তিনি কখনো নিজের মুক্তির বিনিময়ে কোনো আপস করবেন।
কাসিম শঙ্কা প্রকাশ করে আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মধ্যে কিছু অভিযোগের সাজা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন তারা আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে ইমরান খানের মুক্তির পথ খুঁজছেন এবং এজন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। কাসিম বলেন, এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য ট্রাম্পের চেয়ে উপযুক্ত আর কে হতে পারে? আমরা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে সাহায্য চাইছি। তিনি আরও বলেন, আমরা আইনি পথে যা যা করা সম্ভব, সব করেছি। বাবার মুক্তির জন্য এবং পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি না, তিনি কখনো নিজের মুক্তির বিনিময়ে কোনো আপস করবেন।



