ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সূচিতেই
স্থগিত নয় সিলেট শিক্ষাবোর্ডের শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা
প্রকাশের আগেই প্রাথমিক বৃত্তির ফল ‘ফাঁস’, তদন্ত কমিটি গঠন
২১ মাস পর জামিন, জেলগেট থেকে আবার গ্রেপ্তার: বাবার জানাজায় যেতে দেওয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা সজিবকে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই
জাবিতে গোপনে ছাত্রীদের ছবি তুলতে গিয়ে ধৃত যুবদল নেতা মুচলেকায় মুক্ত, গাড়ি থেকে উদ্ধার মাদক
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণের আগেই পচা ডিম শনাক্ত
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রদের চেয়ে বহুদূর এগিয়ে ছাত্রীরা: বৃত্তিপ্রাপ্তরা কত টাকা পাবে?
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ ১২ই জুলাই, রোববার দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় দেশের ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় থেকে মোট ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩৮.৮৭ শতাংশ।
বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি। মোট ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১ শতাংশ) এবং ৩৫ হাজার ৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯ শতাংশ) বৃত্তি অর্জন
করেছে। মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬ হাজার ২৮১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সর্বনিম্ন ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলার শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়। বর্তমানে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬
সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে বৃত্তির অর্থ বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক ভাতা ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তির মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকায় উন্নীত হবে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, ‘বৃত্তির সংখ্যা একই আছে (৮২ হাজার ৫০০টি)। তবে মেধাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের এককালীন ২২৫ টাকার জায়গায় ৪৫০ টাকা ও মাসে ৩০০ টাকার জায়গায় ৬০০ টাকা করা হয়েছে। মানে দ্বিগুণ করা হচ্ছে।’
করেছে। মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬ হাজার ২৮১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সর্বনিম্ন ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলার শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়। বর্তমানে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬
সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে বৃত্তির অর্থ বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক ভাতা ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তির মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকায় উন্নীত হবে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী বলেন, ‘বৃত্তির সংখ্যা একই আছে (৮২ হাজার ৫০০টি)। তবে মেধাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের এককালীন ২২৫ টাকার জায়গায় ৪৫০ টাকা ও মাসে ৩০০ টাকার জায়গায় ৬০০ টাকা করা হয়েছে। মানে দ্বিগুণ করা হচ্ছে।’



