ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জন দাশের গ্যাস পাম্প দখলে নিতে প্রভাবশালীদের তালা
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: নোয়াখালীতে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে চিকন তার
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর প্রতিবেদনঃ “কেন ডিসেম্বরেই ঢাকায় ফিরতে চান শেখ হাসিনা?”
‘নানা অজুহাতে’ ২ বছর অচল করে রাখা হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের গড়া মহেশখালীর পাইপলাইন, কিস্তি গুনছে বিপিসি
ভিসা সংকটে থমকে আছে শ্রমবাজার, তবুও ১ কোটি কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুর
কোথায় কোথায় শিক্ষা সফর করছেন জামায়াতের ৩৪ সাংসদ?
জুলাইয়ে থানা-ফাঁড়ি লুটের ১৪১৭টি অস্ত্র ও প্রায় ৩ লাখ গুলি এখনও চিহ্নিত সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের হাতে
যুবদল নেতার লুট করা ৪ ট্রাকের ৬৭ হাজার কেজি মুরগির বিষ্ঠা উদ্ধার
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চারটি পণ্যবাহী ট্রাক আটকে চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬৭ হাজার ২০০ কেজি মুরগির বিষ্ঠা বা জৈব সার লুটের অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। লুট হওয়া জৈব সারের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
২২শে সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকায় আরাফাত হোটেলের পাশের একটি খালি জায়গায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে মজল হক (৩০) ও মো. শাকিল (২৪) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২১শে সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের হাবিলদারবাসা এলাকায় চারটি ট্রাকের পথরোধ করা হয়। এ সময়
ট্রাকগুলোর চালকদের নামিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে চারটি ট্রাক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেগুলো মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার আরাফাত হোটেলের পাশে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে শ্রমিকদের দিয়ে চারটি ট্রাকে থাকা ১ হাজার ৬৮০ বস্তা মুরগির বিষ্ঠা নামিয়ে নেওয়া হয়। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পর চালকদের সেখানে ডেকে এনে তাদের মুঠোফোন ফেরত দেওয়া হয়। এরপর ট্রাকগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। মামলার বাদী ও ব্যবসায়ী রিপন হোসেন জানান, মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ অলিনগর এলাকার নাহার এগ্রো ফিড লিমিটেডের প্রকাশ্য নিলামে অংশ নিয়ে তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মুরগির বিষ্ঠাগুলো কিনেছিলেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ২০ থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোম্পানির শেড থেকে এসব মালামাল
সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। সেই চুক্তির অংশ হিসেবেই চারটি ট্রাকে করে জৈব সারগুলো ঠাকুরগাঁওয়ে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় ২২শে সেপ্টেম্বর জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করেন রিপন হোসেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে করেরহাট ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য শাখাওয়াত হোসেন ওরফে সাখার নাম রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে মুরগির বিষ্ঠা লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষায়, ‘আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছে; আমি কেন এসব ছোট বিষয়ে নজর দেব? ব্যবসায়ী রিপন নিজ থেকে মাঝে মধ্যে খরচের টাকা দিতেন।’ জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার আরাফাত হোটেলের পাশে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মজল হক ও মো. শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৬৭ হাজার ২০০ কেজি মুরগির বিষ্ঠা উদ্ধার করা হয়। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ট্রাকগুলোর চালকদের নামিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে চারটি ট্রাক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেগুলো মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার আরাফাত হোটেলের পাশে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে শ্রমিকদের দিয়ে চারটি ট্রাকে থাকা ১ হাজার ৬৮০ বস্তা মুরগির বিষ্ঠা নামিয়ে নেওয়া হয়। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পর চালকদের সেখানে ডেকে এনে তাদের মুঠোফোন ফেরত দেওয়া হয়। এরপর ট্রাকগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। মামলার বাদী ও ব্যবসায়ী রিপন হোসেন জানান, মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ অলিনগর এলাকার নাহার এগ্রো ফিড লিমিটেডের প্রকাশ্য নিলামে অংশ নিয়ে তিনি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মুরগির বিষ্ঠাগুলো কিনেছিলেন। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ২০ থেকে ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোম্পানির শেড থেকে এসব মালামাল
সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। সেই চুক্তির অংশ হিসেবেই চারটি ট্রাকে করে জৈব সারগুলো ঠাকুরগাঁওয়ে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনায় ২২শে সেপ্টেম্বর জোরারগঞ্জ থানায় মামলা করেন রিপন হোসেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে করেরহাট ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য শাখাওয়াত হোসেন ওরফে সাখার নাম রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে মুরগির বিষ্ঠা লুটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার ভাষায়, ‘আল্লাহ আমাকে অনেক দিয়েছে; আমি কেন এসব ছোট বিষয়ে নজর দেব? ব্যবসায়ী রিপন নিজ থেকে মাঝে মধ্যে খরচের টাকা দিতেন।’ জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার আরাফাত হোটেলের পাশে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মজল হক ও মো. শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৬৭ হাজার ২০০ কেজি মুরগির বিষ্ঠা উদ্ধার করা হয়। ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



