ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মক্কাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি
ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ছাড়বে না: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান
ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতে ব্যর্থ হলেও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেলেন তারেক রহমান
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে খলিলুরের ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’
ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
পুতিনের বিশ্বস্ত মিত্র কে এই রমজান কাদিরভ?
যুদ্ধের ধাক্কার পরও বিশ্ব অর্থনীতিতে আশার খবর
ইসরায়েলি নাগরিকের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনতে পাকি সেনাবাহিনীর সমঝোতা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্পের বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারাসের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করেছে পাকিস্তান।
চুক্তির আওতায় প্রাথমিক একটি ড্রোন-সংক্রান্ত অর্ডারও রয়েছে বলে কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন। তবে অর্ডারের সংখ্যা, মূল্য ও নির্দিষ্ট প্রযুক্তির বিষয়ে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণ দেখিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিষ্টানটির অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ইসরায়েলি সেনা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
পাওয়ারাসের সঙ্গে পাকিস্তানের এই সামরিক সমঝোতা এমন সময়ে হলো, যখন একই প্রতিষ্ঠান এর আগে ভারতের একটি প্রতিরক্ষা কোম্পানির সঙ্গেও চুক্তি করেছে। এ ছাড়া পাওয়ারাসের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক বৈঠকের
পর কোম্পানিটির ভারতীয় অংশীদারিত্ব ও ট্রাম্প পরিবারের বিনিয়োগ—দুই বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে পাওয়ারাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ, উৎপাদন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পরিবর্তিত প্রবণতা নিয়ে আলোচনা হয়। পরদিন পাওয়ারাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক এবং প্রাথমিক অর্ডারের বিষয়টি জানান। পাওয়ারাসের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্পের বিনিয়োগ-সম্পর্ক রয়েছে। কোম্পানিটি নাসডাক তালিকাভুক্ত অরিয়াস গ্রিনওয়ে হোল্ডিংসের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ট্রাম্পের দুই ছেলে আমেরিকান ভেঞ্চারস নামের একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অংশীদার। তবে ট্রাম্পপুত্রদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁরা কোম্পানির কার্যক্রম, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বা চুক্তি পরিচালনায় যুক্ত নন। পাওয়ারাসও জানিয়েছে, তাঁরা কোম্পানির পরিচালনা বা দেশীয়-আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নির্ধারণে কোনো ভূমিকা রাখেন না। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তির কয়েক মাস আগেই ভারতের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান প্যারাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস টেকনোলজিসের সঙ্গে চুক্তি করে পাওয়ারাস। গত ৩০শে জুনের ওই চুক্তির আওতায় ভারতের বাজারে পাওয়ারাসের ‘গার্ডিয়ান-১’ কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা উৎপাদন ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির একচ্ছত্র লাইসেন্স পায় প্যারাস ডিফেন্স। এ জন্য পাওয়ারাসের মূল প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ট্যান্ডেম ডিফেন্স এলএলসির সঙ্গে মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং চুক্তি করে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। গার্ডিয়ান-১ একটি উচ্চগতির, ব্যাটারিচালিত কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা, যা আকাশপথের হুমকি শনাক্ত, অনুসরণ ও
প্রতিহত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পাওয়ারাসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন, লইটারিং মিউনিশন এবং ড্রোনের ঝাঁক মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভারতের সঙ্গে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্টভাবে গার্ডিয়ান-১ প্রযুক্তির কথা উল্লেখ থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝতো স্মারকে কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা বা প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান একই ড্রোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামরিক ও কৌশলগত মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ভারতের সঙ্গে যে প্রযুক্তির চুক্তি হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতায় একই প্রযুক্তি রয়েছে—এমন তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে সামরিক বিশ্লেষকরা এ বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোর
সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখেছেন। আরও একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে পাওয়ারাসের নেতৃত্ব নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ সাবেক মার্কিন সেনাসদস্য। বিভিন্ন প্রতিবেদনে কোম্পানিটির সঙ্গে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও এসেছে। পাকিস্তান ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের নেতৃত্বাধীন একটি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক সহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কিছু বিশ্লেষক। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি বর্তমানে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকেও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন সংগ্রহ করে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের নিজস্ব শাহপার-টু ড্রোন ব্যবস্থাও রয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নতুন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতায় যাওয়ার পেছনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও
অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টিও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তিটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। পাওয়ারাস পাকিস্তানে প্রযুক্তি উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও দীর্ঘমেয়াদি শিল্প সহযোগিতার সুযোগও খতিয়ে দেখছে। একই সময়ে চীনের ওপর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট সামরিক সক্ষমতা, সরবরাহ করা ড্রোনের সংখ্যা এবং আর্থিক মূল্য প্রকাশ না হওয়ায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় এর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে ভারতের সঙ্গে পাওয়ারাসের চুক্তি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন সমঝোতার মধ্যে প্রযুক্তিগত কোনো সরাসরি যোগসূত্র আছে কি না,
সেটিও প্রকাশ্যে নিশ্চিত হয়নি।
পর কোম্পানিটির ভারতীয় অংশীদারিত্ব ও ট্রাম্প পরিবারের বিনিয়োগ—দুই বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে পাওয়ারাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ, উৎপাদন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পরিবর্তিত প্রবণতা নিয়ে আলোচনা হয়। পরদিন পাওয়ারাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক এবং প্রাথমিক অর্ডারের বিষয়টি জানান। পাওয়ারাসের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্পের বিনিয়োগ-সম্পর্ক রয়েছে। কোম্পানিটি নাসডাক তালিকাভুক্ত অরিয়াস গ্রিনওয়ে হোল্ডিংসের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ট্রাম্পের দুই ছেলে আমেরিকান ভেঞ্চারস নামের একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অংশীদার। তবে ট্রাম্পপুত্রদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁরা কোম্পানির কার্যক্রম, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বা চুক্তি পরিচালনায় যুক্ত নন। পাওয়ারাসও জানিয়েছে, তাঁরা কোম্পানির পরিচালনা বা দেশীয়-আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নির্ধারণে কোনো ভূমিকা রাখেন না। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তির কয়েক মাস আগেই ভারতের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান প্যারাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস টেকনোলজিসের সঙ্গে চুক্তি করে পাওয়ারাস। গত ৩০শে জুনের ওই চুক্তির আওতায় ভারতের বাজারে পাওয়ারাসের ‘গার্ডিয়ান-১’ কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা উৎপাদন ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির একচ্ছত্র লাইসেন্স পায় প্যারাস ডিফেন্স। এ জন্য পাওয়ারাসের মূল প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ট্যান্ডেম ডিফেন্স এলএলসির সঙ্গে মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং চুক্তি করে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। গার্ডিয়ান-১ একটি উচ্চগতির, ব্যাটারিচালিত কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা, যা আকাশপথের হুমকি শনাক্ত, অনুসরণ ও
প্রতিহত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পাওয়ারাসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন, লইটারিং মিউনিশন এবং ড্রোনের ঝাঁক মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভারতের সঙ্গে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্টভাবে গার্ডিয়ান-১ প্রযুক্তির কথা উল্লেখ থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝতো স্মারকে কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা বা প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান একই ড্রোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামরিক ও কৌশলগত মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ভারতের সঙ্গে যে প্রযুক্তির চুক্তি হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতায় একই প্রযুক্তি রয়েছে—এমন তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে সামরিক বিশ্লেষকরা এ বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোর
সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখেছেন। আরও একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে পাওয়ারাসের নেতৃত্ব নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ সাবেক মার্কিন সেনাসদস্য। বিভিন্ন প্রতিবেদনে কোম্পানিটির সঙ্গে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও এসেছে। পাকিস্তান ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের নেতৃত্বাধীন একটি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক সহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কিছু বিশ্লেষক। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি বর্তমানে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকেও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন সংগ্রহ করে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের নিজস্ব শাহপার-টু ড্রোন ব্যবস্থাও রয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নতুন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতায় যাওয়ার পেছনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও
অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টিও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তিটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। পাওয়ারাস পাকিস্তানে প্রযুক্তি উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও দীর্ঘমেয়াদি শিল্প সহযোগিতার সুযোগও খতিয়ে দেখছে। একই সময়ে চীনের ওপর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট সামরিক সক্ষমতা, সরবরাহ করা ড্রোনের সংখ্যা এবং আর্থিক মূল্য প্রকাশ না হওয়ায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় এর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে ভারতের সঙ্গে পাওয়ারাসের চুক্তি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন সমঝোতার মধ্যে প্রযুক্তিগত কোনো সরাসরি যোগসূত্র আছে কি না,
সেটিও প্রকাশ্যে নিশ্চিত হয়নি।



