ইসরায়েলি নাগরিকের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনতে পাকি সেনাবাহিনীর সমঝোতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ September, ২০২৬

ইসরায়েলি নাগরিকের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনতে পাকি সেনাবাহিনীর সমঝোতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ September, ২০২৬ |
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্পের বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাওয়ারাসের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করেছে পাকিস্তান। চুক্তির আওতায় প্রাথমিক একটি ড্রোন-সংক্রান্ত অর্ডারও রয়েছে বলে কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন। তবে অর্ডারের সংখ্যা, মূল্য ও নির্দিষ্ট প্রযুক্তির বিষয়ে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণ দেখিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিষ্টানটির অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাবেক ইসরায়েলি সেনা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। পাওয়ারাসের সঙ্গে পাকিস্তানের এই সামরিক সমঝোতা এমন সময়ে হলো, যখন একই প্রতিষ্ঠান এর আগে ভারতের একটি প্রতিরক্ষা কোম্পানির সঙ্গেও চুক্তি করেছে। এ ছাড়া পাওয়ারাসের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক বৈঠকের

পর কোম্পানিটির ভারতীয় অংশীদারিত্ব ও ট্রাম্প পরিবারের বিনিয়োগ—দুই বিষয়ই নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে পাওয়ারাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ, উৎপাদন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পরিবর্তিত প্রবণতা নিয়ে আলোচনা হয়। পরদিন পাওয়ারাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক এবং প্রাথমিক অর্ডারের বিষয়টি জানান। পাওয়ারাসের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্পের বিনিয়োগ-সম্পর্ক রয়েছে। কোম্পানিটি নাসডাক তালিকাভুক্ত অরিয়াস গ্রিনওয়ে হোল্ডিংসের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং ট্রাম্পের দুই ছেলে আমেরিকান ভেঞ্চারস নামের একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের

মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অংশীদার। তবে ট্রাম্পপুত্রদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁরা কোম্পানির কার্যক্রম, ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত বা চুক্তি পরিচালনায় যুক্ত নন। পাওয়ারাসও জানিয়েছে, তাঁরা কোম্পানির পরিচালনা বা দেশীয়-আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নির্ধারণে কোনো ভূমিকা রাখেন না। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তির কয়েক মাস আগেই ভারতের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান প্যারাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস টেকনোলজিসের সঙ্গে চুক্তি করে পাওয়ারাস। গত ৩০শে জুনের ওই চুক্তির আওতায় ভারতের বাজারে পাওয়ারাসের ‘গার্ডিয়ান-১’ কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা উৎপাদন ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির একচ্ছত্র লাইসেন্স পায় প্যারাস ডিফেন্স। এ জন্য পাওয়ারাসের মূল প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ট্যান্ডেম ডিফেন্স এলএলসির সঙ্গে মেধাস্বত্ব লাইসেন্সিং চুক্তি করে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি। গার্ডিয়ান-১ একটি উচ্চগতির, ব্যাটারিচালিত কাউন্টার-ড্রোন ব্যবস্থা, যা আকাশপথের হুমকি শনাক্ত, অনুসরণ ও

প্রতিহত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। পাওয়ারাসের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন, লইটারিং মিউনিশন এবং ড্রোনের ঝাঁক মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভারতের সঙ্গে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্টভাবে গার্ডিয়ান-১ প্রযুক্তির কথা উল্লেখ থাকলেও পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝতো স্মারকে কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা বা প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান একই ড্রোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামরিক ও কৌশলগত মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ভারতের সঙ্গে যে প্রযুক্তির চুক্তি হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতায় একই প্রযুক্তি রয়েছে—এমন তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে সামরিক বিশ্লেষকরা এ বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্রগুলোর

সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখেছেন। আরও একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে পাওয়ারাসের নেতৃত্ব নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ সাবেক মার্কিন সেনাসদস্য। বিভিন্ন প্রতিবেদনে কোম্পানিটির সঙ্গে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও এসেছে। পাকিস্তান ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের নেতৃত্বাধীন একটি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক সহযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কিছু বিশ্লেষক। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি বর্তমানে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকেও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন সংগ্রহ করে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের নিজস্ব শাহপার-টু ড্রোন ব্যবস্থাও রয়েছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নতুন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতায় যাওয়ার পেছনে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টিও রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তিটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করছে। পাওয়ারাস পাকিস্তানে প্রযুক্তি উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও দীর্ঘমেয়াদি শিল্প সহযোগিতার সুযোগও খতিয়ে দেখছে। একই সময়ে চীনের ওপর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট সামরিক সক্ষমতা, সরবরাহ করা ড্রোনের সংখ্যা এবং আর্থিক মূল্য প্রকাশ না হওয়ায় পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় এর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। একইভাবে ভারতের সঙ্গে পাওয়ারাসের চুক্তি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন সমঝোতার মধ্যে প্রযুক্তিগত কোনো সরাসরি যোগসূত্র আছে কি না,

সেটিও প্রকাশ্যে নিশ্চিত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের