ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রঙ্কসে ডে কেয়ারে ফেন্টানলের মজুদ, ১ শিশুর মৃত্যু
ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প
কুয়েতে ইরানের মিসাইল হামলা, নিহত ১ বাংলাদেশি অভিবাসী
ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে চাকরির খাত, বেকারত্ব বেড়ে ৪দশমিক ৪ শতাংশ
মালয়েশিয়া থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি শিশু নীপিড়ক: এফবিআই
বরখাস্ত হলেন ক্রিস্টি নোয়েম, নেপথ্যে যে কারণ
বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়াতেও উগ্রবাদী ইসলামপন্থী হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা
ইথিওপিয়ায় স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে ৯০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী, নেপথ্যে কী?
পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার ৯০ লাখেরও বেশি শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে। সশস্ত্র সংঘাত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উপজাতিগত উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক দুর্দশার শিকার ইথিওপিয়ার এই শিশুরা।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ইথিওপিয়ার মোট স্কুলগামী জনসংখ্যা ছিল ৩৫, ৪৪৪, ৪৮২ জন। এর মধ্যে ৫২ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী। তবে ওই বছরে মাত্র ২ কোটি ২৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫৯৭ জন শিশু স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। অর্থাৎ ৩৫ শতাংশেরও বেশি শিশু স্কুলে যেতে পারেনি। আর গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে দেশটির চলমান মানবিক সংকট পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। যার ফলে স্কুল থেকে
আরও বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে ২০২০ সালে ফেডারেল সরকার এবং টাইগ্রে আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়। দুটি বৃহত্তম আঞ্চলিক রাজ্য, আমহারা এবং ওরোমিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের ফলে এই সংকট আরও তীব্র হয়। আফার এবং সোমালি অঞ্চলের পশুপালক সম্প্রদায়ের মধ্যেও এখন সংঘাত চলছে। ট্রইগ্রে যুদ্ধ ইথিওপিয়ার অর্থনৈতিক সম্পদকে নিঃশেষ করে দেয়। এই সংঘাতের কারণে অধিকাংশ স্কুল ধ্বংসের ফলে দশ লাখেরও বেশি শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়ে। এরপর থেকে নয়টি অঞ্চলের সংঘাত সরকারি নিয়ন্ত্রণকেও দুর্বল করে দিয়েছে। যার ফলে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলোতে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটেছে। সম্প্রতি দেশের পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিশুসহ হাজার হাজার
বেসামরিক লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
আরও বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটিতে ২০২০ সালে ফেডারেল সরকার এবং টাইগ্রে আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত শুরু হয়। দুটি বৃহত্তম আঞ্চলিক রাজ্য, আমহারা এবং ওরোমিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের ফলে এই সংকট আরও তীব্র হয়। আফার এবং সোমালি অঞ্চলের পশুপালক সম্প্রদায়ের মধ্যেও এখন সংঘাত চলছে। ট্রইগ্রে যুদ্ধ ইথিওপিয়ার অর্থনৈতিক সম্পদকে নিঃশেষ করে দেয়। এই সংঘাতের কারণে অধিকাংশ স্কুল ধ্বংসের ফলে দশ লাখেরও বেশি শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়ে। এরপর থেকে নয়টি অঞ্চলের সংঘাত সরকারি নিয়ন্ত্রণকেও দুর্বল করে দিয়েছে। যার ফলে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলোতে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটেছে। সম্প্রতি দেশের পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিশুসহ হাজার হাজার
বেসামরিক লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে।



