ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে এস আলমের ICSID মামলা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
     ৫:১৩ অপরাহ্ণ

ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে এস আলমের ICSID মামলা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ | ৫:১৩ 72 ভিউ
বাংলাদেশের অন্যতম ধনী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সাইফুল আলমের পরিবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ‘শত শত মিলিয়ন ডলার’ ক্ষতির অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে (ICSID) মামলা দায়ের করেছে। সরকার কর্তৃক তাদের সম্পদ জব্দ এবং হয়রানির প্রতিবাদে এই আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশি শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং তার পরিবারের আইনজীবীরা গত সোমবার (তারিখ অস্পষ্ট রেখে) ওয়াশিংটন-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অফ ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটসে (ICSID) এই সালিশি দাবি দাখিল করেছেন। লক্ষ্যবস্তু হওয়ার অভিযোগ এস আলম পরিবার তাদের অভিযোগে দাবি করেছে যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের বিরুদ্ধে একটি “পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু

হওয়া অভিযান” শুরু করেছে। এই অভিযানের ফলে তাদের ব্যাংক হিসাব ‘স্বেচ্ছাচারীভাবে ফ্রিজ’ করা হয়েছে, সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ব্যবসার মূল্য নষ্ট করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, সরকার তাদের ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে “ভুয়া” তদন্ত পরিচালনা করেছে এবং তাদের লক্ষ্য করে একটি “উসকানিমূলক মিডিয়া প্রচারণা” চালিয়েছে। এর ফলস্বরূপ তাদের “শত শত মিলিয়ন ডলার” ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আইনজীবী ফার্ম কুইন ইমানুয়েল উরকুহার্ট অ্যান্ড সুলিভান জানিয়েছে, এই বিরোধ ছয় মাসের মধ্যে সমাধান না হলে মামলা করা হবে বলে তারা ডিসেম্বরেই সরকারকে সতর্ক করেছিল। সরকারের পাল্টা অভিযোগ: ১২ বিলিয়ন ডলার পাচার এই আইনি দাবি এমন এক সময়ে এলো যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে

দেশ থেকে পাচার হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধারে জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুর এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এস আলম এবং তার সহযোগীরা জোরপূর্বক ব্যাংক অধিগ্রহণ এবং আমদানি ইনভয়েস বাড়িয়ে অর্থ পাচার করেছে। গভর্নর মনসুর প্রশ্ন তুলেছেন, “টাকা কোথায়?” তবে, এস আলম গ্রুপ গভর্নর মনসুরের এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, এর কোনো “সত্যতা নেই”। মামলার ভিত্তি: সিঙ্গাপুর-বাংলাদেশ চুক্তি এস আলম পরিবারের এই সালিশি মামলা দায়েরের মূল ভিত্তি হলো ২০০৪ সালে স্বাক্ষরিত সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি (BIT)। আইনি নথি অনুযায়ী, এস আলম পরিবারের সদস্যরা ২০২০ সালে

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে এবং ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে তারা বাংলাদেশের ১৯৮০ সালের বিদেশি বেসরকারি বিনিয়োগ আইন দ্বারা সুরক্ষিত হওয়ার দাবি জানাচ্ছে। সালিশি দাবি দাখিলের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছেন, “যখনই এটি আমাদের কাছে পৌঁছাবে, আমরা সঠিক চ্যানেলের মাধ্যমে আমাদের জবাব দেব।” অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ইউনূসের কার্যালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঝলমলে চুল পেতে জাপানিরা যেভাবে যত্ন নেন ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কারের মেডেল ‘উপহার’ দিলেন মাচাদো নোবেল পুরস্কার ‘হস্তান্তরযোগ্য নয়’, বলল নোবেল পিস সেন্টার আধিপত্য নিয়ে তালেবানের শীর্ষ পর্যায়ের কোন্দল প্রকাশ্যে সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির বাংলাদেশে সহিংসতা বাড়ছে, রাজনীতিতে উপেক্ষিত নারী বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বিশ্বের প্রধান ঝুঁকি ভূ-অর্থনৈতিক সংঘাত স্থগিত হয়ে যেতে পারে বিপিএল আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন *নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন *ডলার সংকটে গ্যাস আমদানি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে* *বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা* ❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞ পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!