আরজি করে কতটা চাপে মমতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ October, ২০২৪

আরজি করে কতটা চাপে মমতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ October, ২০২৪ |
কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে গত ৮ আগস্ট এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ তো বটে, পুরো ভারতেই প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ থেমে গেলেও পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা এখনো উত্তাল। আরজি কর ঘটনার দ্রুত বিচারসহ ১০ দফা দাবিতে দুর্গাপূজার মধ্যেও অনশনে নেমেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এখন রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সিনিয়র চিকিৎসকরাও কাজে ইস্তফা দিয়ে তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করায় আরও তীব্র হচ্ছে এ আন্দোলন। এ অবস্থায় রাজ্য সরকার বেশ বিপাকে পড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই মাস পরও ঘটনার কোনো সুরাহা না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। তাদের মতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার শাসনামলে

তো বটেই—এমনকি পুরো রাজনৈতিক জীবনে এতটা চাপে পড়েননি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ওয়াহেদুজ্জামান সরকার জুনিয়রদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে মঙ্গলবার ‘গণইস্তফার’ পথে হেঁটেছিলেন আরজি কর হাসপাতালের ৫০ জন সিনিয়র চিকিৎসক। বুধবার একইভাবে ‘গণইস্তফা’ দেন কলকাতা মেডিকেল কলেজের সিনিয়ররাও। মঙ্গলবারই তারা রাজ্য প্রশাসনের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়রদের দাবি পূরণ না হলে, তারাও ‘গণইস্তফা’ দেবেন। কলকাতা মেডিকেলের সিনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও রাজ্য সরকারের তরফে কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। তাই বাধ্য হয়েই ‘গণইস্তফা’ দিচ্ছেন। এর পরই বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদেরও গণইস্তফা দেওয়ার খবর আসতে থাকে। এ অবস্থায় পুরো রাজ্যের চিকিৎসাসেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা

দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্য সচিবালয় নবান্নের ওপর চাপ বাড়ল বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও রাজ্য প্রশাসন মনে করছে, এটা কোনো ইস্তফাই নয়। কোনো সরকারি কর্মী এভাবে ইস্তফা দিতে পারেন না। তার আলাদা প্রক্রিয়া রয়েছে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট’-এর সাতজন প্রতিনিধি ১০ দফা দাবিতে আমরণ অনশন করছেন ধর্মতলায়। গত শনিবার শুরু হয় এ কর্মসূচি। পূজার মধ্যেও এ কর্মসূচি দিনে দিনে বড় হচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আরজি করের ঘটনার পর পরই যেভাবে কলকাতায় রাত দখলের কর্মসূচিতে নেমেছিলেন, ঠিক সেভাবেই এ অনশন কর্মসূচিতেও সমর্থন জানাচ্ছেন। রাজ্য সরকার অবশ্য শুরু থেকেই বলে আসছে বিজেপিসহ বিরোধী দলগুলো এ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে পরিচালিত করছে। তাদের

উদ্দেশ্য ভিন্ন। তারা ঘটনার বিচার চান না। তারা চান ক্ষমতার চেয়ার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মতো তাকেও ক্ষমতা থেকে টেনে নামানোর ষড়যন্ত্র হচ্ছে; কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। কারণ দুই দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। তাকে এভাবে নামানো যাবে না। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মমতা যাই বলুন না কেন তিনি বেশ চাপে পড়েছেন। কারণ এর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোনো আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে নামেনি। এটা স্রেফ আরজি করের একটি ঘটনা নিয়ে নয়। এর আগেও এ ধরনের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অনেক ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সেগুলোরও কোনো বিচার হয়নি। বরং সে ঘটনাগুলো ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের মতে, এর আগে নন্দীগ্রাম

আন্দোলনের সময়ে কিছুটা এ ধরনের নাগরিক প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল। তবে সেটি ছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের নীতির বিরুদ্ধে। আর এবারের প্রতিবাদ যেমন হচ্ছে বিচারের দাবিতে, তেমনই উঠে আসছে সমাজে পুঞ্জীভূত ক্ষোভও। রাজনৈতিক বিশ্লেষক শুভাশিস মৈত্র বলেন, এই সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ক্ষমতাসীন দল এবং সরকারের কাছে অভিনব। তার কথায়, ‘এর একটা কারণ হলো এই প্রতিবাদীরা একেবারেই অচেনা-অজানা। কীভাবে এদের মোকাবিলা করা হবে, সেটা ক্ষমতাসীন দল বা সরকার জানে না।’ তিনি বলেন, ‘সাধারণ নাগরিকদের প্রতিবাদ-যেটা শুরু হয়েছিল ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হওয়া এক নারীর বিচারের দাবিতে, বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিতে নারী-সুরক্ষার দাবিতে। রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি সেভাবে

সরাসরি এই আন্দোলনে ছিল না গোড়ার দিকে। তারা দেখলে যে, পতাকা-ছাড়া কোনো প্রতিবাদে তো ব্যাপক সাড়া পড়ছে, তাই এখন বিজেপি নেমে পড়লে নবান্ন ঘেরাও বা বন্ধ ইত্যাদিতে। সেটা আদৌ সাড়া ফেলেছে কি না, তা ভিন্ন প্রসঙ্গ। বিজেপির আন্দোলন মোকাবিলা করা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে অনেক সুবিধাজনক। কারণ এটা দুপক্ষের কাছেই চেনা রাজনৈতিক ময়দান, চেনা প্রতিপক্ষ। কিন্তু সমাজের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে যেভাবে সাধারণ মানুষ এক কাতারে মিলে যাচ্ছেন, তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে কতদিন সামাল দেওয়া সম্ভব সেটা একটা প্রশ্ন। তা ছাড়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বয়য়কটের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রাজ্যে যা ঘটনা

ঘটছে তাতে আমি রাজ্যপাল হয়ে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারি না। বাংলার সমাজের পাশে দাঁড়িয়ে আমি স্থির করেছি, আমি মুখ্যমন্ত্রীকে সামাজিকভাবে বয়কট করব।’ রাজ্যপালের এ ঘোষণাও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য একটি অশনি সংকেত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের