ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানে ফিরতে চান না নারী ফুটবলাররা, নতুন ২ জনসহ সাতজনের আশ্রয় অস্ট্রেলিয়ায়
ইরান-লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, ১৬টি ইরানি মাইন পাতা জাহাজ ধ্বংস যুক্তরাষ্ট্রের
ভারত থেকে আসা ৫ হাজার টন ডিজেল খালাস শেষ হচ্ছে বুধবার
ইরান-সমর্থিত ইরাকি গোষ্ঠীর হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা নিহত
কাতার থেকে এলএনজির চতুর্থ চালান এলো দেশে
সুইজারল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাসে আগুন, নিহত ৬
মধ্যপ্রাচ্য ছেড়েছেন ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক
আমেরিকা মহাদেশজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কমছে, যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় পতন
আমেরিকা মহাদেশজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে বলে এক নতুন প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এই পতন সবচেয়ে বেশি।
ইন্টার আমেরিকান প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (আইএপিএ) মঙ্গলবার তাদের সর্বশেষ প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স প্রকাশ করে।
এতে বলা হয়, ২০২০ সালে এই সূচক চালু হওয়ার পর গত বছর ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো আমেরিকা অঞ্চলে অবাধ মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে “নাটকীয় অবনতি” ঘটেছে।
গবেষণায় বলা হয়, গত বছরে সাংবাদিকদের হত্যা, ইচ্ছামতো গ্রেপ্তার, দেশত্যাগে বাধ্য হওয়া এবং অপরাধীদের দায়মুক্তির ঘটনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
মেক্সিকো, হন্ডুরাস, ইকুয়েডর, নিকারাগুয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, কলম্বিয়া, কিউবা এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশে সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ঘটনা
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডানপন্থী বা বামপন্থী—বিভিন্ন মতাদর্শের সরকারেই সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়ছে। ২৩টি দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে গেছে। আগের বছর চতুর্থ স্থানে থাকা দেশটি এবার ১১তম স্থানে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের কাজ করার পরিবেশ সেখানে আগের তুলনায় বেশি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে নেওয়া কিছু নীতিগত পরিবর্তনকে এই পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে, সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে এবং গণমাধ্যমের ওপর চাপ বেড়েছে। এছাড়া সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সম্প্রচারমাধ্যম ‘ভয়েস অব আমেরিকা’ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পাবলিক মিডিয়ার তহবিল কমানোও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন
অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের ওপর মোট ১৭০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাংবাদিকদের সংঘাতও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে নিকারাগুয়া ও ভেনেজুয়েলাকে প্রতিবেদনে “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই” এমন দেশের তালিকায় রাখা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় ২০২৪ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ৪০০টির বেশি রেডিও স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অন্তত ২৫ জন সাংবাদিককে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া এল সালভাদরেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দেশটি এবার তালিকায় ২১তম স্থানে রয়েছে। এল সালভাদরের সাংবাদিক সংগঠন এপিইএসের সভাপতি সের্হিও আরাউজ অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলের সরকারের অধীনে সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন বেড়েছে এবং গত এক বছরে অন্তত ৫০ জন সাংবাদিক
দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি অবস্থা জারি এবং নতুন ‘ফরেন এজেন্টস আইন’ এল সালভাদরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আরও সীমিত করেছে। তবে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কানাডা এবং ব্রাজিলকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডানপন্থী বা বামপন্থী—বিভিন্ন মতাদর্শের সরকারেই সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়ছে। ২৩টি দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে গেছে। আগের বছর চতুর্থ স্থানে থাকা দেশটি এবার ১১তম স্থানে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের কাজ করার পরিবেশ সেখানে আগের তুলনায় বেশি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে নেওয়া কিছু নীতিগত পরিবর্তনকে এই পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে, সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে এবং গণমাধ্যমের ওপর চাপ বেড়েছে। এছাড়া সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত সম্প্রচারমাধ্যম ‘ভয়েস অব আমেরিকা’ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পাবলিক মিডিয়ার তহবিল কমানোও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন
অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের ওপর মোট ১৭০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাংবাদিকদের সংঘাতও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে নিকারাগুয়া ও ভেনেজুয়েলাকে প্রতিবেদনে “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই” এমন দেশের তালিকায় রাখা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় ২০২৪ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ৪০০টির বেশি রেডিও স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অন্তত ২৫ জন সাংবাদিককে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া এল সালভাদরেও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দেশটি এবার তালিকায় ২১তম স্থানে রয়েছে। এল সালভাদরের সাংবাদিক সংগঠন এপিইএসের সভাপতি সের্হিও আরাউজ অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলের সরকারের অধীনে সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন বেড়েছে এবং গত এক বছরে অন্তত ৫০ জন সাংবাদিক
দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি অবস্থা জারি এবং নতুন ‘ফরেন এজেন্টস আইন’ এল সালভাদরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আরও সীমিত করেছে। তবে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কানাডা এবং ব্রাজিলকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।



