ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা
এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার
কুষ্টিয়ার সেই কথিত পীর গণপিটুনিতে নিহত
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
তেজগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১
তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষুব্ধ জনতার
চাঁদপুরে জ্বরে আক্রান্ত শিশুকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ!
আবারও দেশে বার্ড ফ্লু শনাক্ত
দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশে ফের বার্ড ফ্লু শনাক্ত হয়েছে। এবার যশোরে একটি মুরগির খামারে ধরা পড়েছে এই ফ্লু। এতে দুই সহস্রাধিক মুরগি নিধন করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ মার্চ) জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার রাশেদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যশোর শহরের শংকরপুরে সরকারি মুরগি প্রজনন উন্নয়ন খামারে গত ১৩ মার্চ বার্ড ফ্লু বা এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এরপর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা খামারটি পরিদর্শন করেন। এরপর ১৪ মার্চ রাতে খামারের ২ হাজার ৭৮টি মুরগি নিধন করা হয়।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক জানান, সরকারি মুরগির খামারে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জার অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও খুব বেশি ভয়ের কারণ নেই। এটি লো প্যাথোজেনিক। মানব
দেহে সংক্রমণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা মানব দেহে সংক্রমিত হলে তা বার্ড ফ্লু বলা হয়। তিনি আরও জানান, খামারিদের সতর্কতার সাথে মুরগি পালন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, এটি নিয়ে আতঙ্কিত নয়, সচেতন থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের মার্চে বাংলাদেশে প্রথম বার্ড ফ্লু দেখা দেয়। ওই সময় প্রায় ৩৭০টি খামার বন্ধ হয়ে যায় এবং ১০ লাখেরও বেশি মুরগি এই ফ্লুয়ের কারণে মেরে ফেলা হয়। এতে খামারির আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হন। ২০০৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশে মানুষের শরীরে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ২০১৩ সালে বাংলাদেশে আবারও বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ঘটে। তবে সেবার তেমন বড় কোনো ক্ষতির মুখে পড়েনি
পোল্ট্রি শিল্প। তবে ২০১৭ সালের শেষের দিকে আবারও দেশের বেশ কিছু এলাকায় বার্ড ফ্লু দেখা দেয়। যার ফলে বেশ কিছু খামারি ক্ষতির সম্মুখীন হন। এসব প্রাদুর্ভাবে প্রায় ৫০ লাখ মুরগি মেরে ফেলা হয় এবং অনেক খামার বন্ধ হয়ে যায়।
দেহে সংক্রমণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা মানব দেহে সংক্রমিত হলে তা বার্ড ফ্লু বলা হয়। তিনি আরও জানান, খামারিদের সতর্কতার সাথে মুরগি পালন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, এটি নিয়ে আতঙ্কিত নয়, সচেতন থাকতে হবে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের মার্চে বাংলাদেশে প্রথম বার্ড ফ্লু দেখা দেয়। ওই সময় প্রায় ৩৭০টি খামার বন্ধ হয়ে যায় এবং ১০ লাখেরও বেশি মুরগি এই ফ্লুয়ের কারণে মেরে ফেলা হয়। এতে খামারির আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হন। ২০০৮ সালের মে মাসে বাংলাদেশে মানুষের শরীরে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ২০১৩ সালে বাংলাদেশে আবারও বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ঘটে। তবে সেবার তেমন বড় কোনো ক্ষতির মুখে পড়েনি
পোল্ট্রি শিল্প। তবে ২০১৭ সালের শেষের দিকে আবারও দেশের বেশ কিছু এলাকায় বার্ড ফ্লু দেখা দেয়। যার ফলে বেশ কিছু খামারি ক্ষতির সম্মুখীন হন। এসব প্রাদুর্ভাবে প্রায় ৫০ লাখ মুরগি মেরে ফেলা হয় এবং অনেক খামার বন্ধ হয়ে যায়।



