ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস
টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, সশস্ত্র গ্রুপের ৫০ সদস্য আটক
গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে
আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৭, আহত ৫৩০
আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জন হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও শতাধিক মানুষ। সোমবার (স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে) ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশটির উত্তরাঞ্চলে।
আফগান সরকারি সংবাদ সংস্থা বাখতার নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটি বালখ, সামাঙ্গান, সার-ই-পুল, বাগলান ও কুন্দুজসহ একাধিক প্রদেশে আঘাত হানে। এতে অন্তত ৭৩০ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সামাঙ্গান ও বালখ প্রদেশে।
আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক মানবিক ক্ষয়ক্ষতি ও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধারকাজ চলছে এবং নিখোঁজদের সন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
বালখ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা রওজা মোবারক আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া বাগলান প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাদাখশান প্রদেশের শহর-ই-বোজর্গ জেলার চোগানি গ্রামে প্রায় ৮০০টি ঘরবাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে, মাটির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়। উদ্ধারকাজে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর কর্মীরাও অংশ নিয়েছেন।
বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া বাগলান প্রদেশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাদাখশান প্রদেশের শহর-ই-বোজর্গ জেলার চোগানি গ্রামে প্রায় ৮০০টি ঘরবাড়ি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছে, মাটির ২৮ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পর স্থানীয় প্রশাসন সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহতদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায়। উদ্ধারকাজে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্ট ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর কর্মীরাও অংশ নিয়েছেন।



