ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ
বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। চাল, ডাল থেকে শুরু করে জ্বালানি গ্যাস—প্রতিটি পণ্যের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় জনমনে দানা বাঁধছে তীব্র ক্ষোভ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক সাধারণ নাগরিকের বক্তব্যে উঠে এসেছে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের স্বস্তিদায়ক স্মৃতির তুলনা।
রাস্তায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই ব্যক্তি আক্ষেপ করে জানান, বর্তমান সময়ের তুলনায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেশি সহনীয় ছিল। চালের দামের তুলনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ২৬০০ টাকা বস্তা চাল দিছে, অহন মনে বোঝেন ৩২০০ টাকা নেই।” অর্থাৎ, সরকার পরিবর্তনের পর চালের বস্তায় অন্তত
৬০০ টাকা দাম বেড়েছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য বড় একটি আঘাত। শুধু চাল নয়, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা নিয়েও তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “একটা গ্যাস যদি এই দেশে ১১০০ টাকার গ্যাস ২৮০০ টাকা চায়, তখন আপনার কি হইব?” তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যে গ্যাস ১০০০-১১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, তা বর্তমানে প্রায় তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কাছে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, বর্তমানে দোকানদার বা ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি বলেন, “সিন্ডিকেটটা কি করবেন আপনি কন? আপনি পারবেন দোকানদারের লগে? দোকানদার কইব নাই। আমি আনছি
বেশি দা, বাবা বেশি দা বেচতে হইব।” সাধারণ মানুষের এই হাহাকার এটিই প্রমাণ করে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার যে প্রচেষ্টা ছিল, তা বর্তমান সময়ের চেয়ে যোজন যোজন ভালো ছিল। সিন্ডিকেট দমনে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে বিগত সরকারের ভূমিকা যে কতটা কার্যকর ছিল, আজকের এই অস্থির বাজার পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ তা হাড়াহাড় টের পাচ্ছেন।
৬০০ টাকা দাম বেড়েছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য বড় একটি আঘাত। শুধু চাল নয়, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা নিয়েও তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “একটা গ্যাস যদি এই দেশে ১১০০ টাকার গ্যাস ২৮০০ টাকা চায়, তখন আপনার কি হইব?” তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে যে গ্যাস ১০০০-১১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত, তা বর্তমানে প্রায় তিনগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কাছে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, বর্তমানে দোকানদার বা ব্যবসায়ীদের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিনি বলেন, “সিন্ডিকেটটা কি করবেন আপনি কন? আপনি পারবেন দোকানদারের লগে? দোকানদার কইব নাই। আমি আনছি
বেশি দা, বাবা বেশি দা বেচতে হইব।” সাধারণ মানুষের এই হাহাকার এটিই প্রমাণ করে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার যে প্রচেষ্টা ছিল, তা বর্তমান সময়ের চেয়ে যোজন যোজন ভালো ছিল। সিন্ডিকেট দমনে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে বিগত সরকারের ভূমিকা যে কতটা কার্যকর ছিল, আজকের এই অস্থির বাজার পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ তা হাড়াহাড় টের পাচ্ছেন।



