ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!
এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জুলাই আন্দোলনকারীদের
যে দেশে খুনিরাই আইন বানায়, সে দেশে খুনের পর আনন্দ মিছিল করাই তো স্বাভাবিক!
নোবেল বিজয়ী মহাজন, দেউলিয়া জাতি: ক্যুর সতেরো মাসে তলানিতে অর্থনীতি
নির্বাচনের আগে পুলিশের হাতে চুড়ি পরাতে চায় বৈছাআ, নির্দেশনায় জামায়াত
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইইউ
সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক
অর্থনীতির ধসে পড়া আর ইউনূসের অক্ষমতা: পাঁচ মাসের ভয়াবহ বাস্তবতা
ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে সাড়ে চৌদ্দ শতাংশ। একটা অসাধারণ অর্জন বলতে হবে ইউনূসের অবৈধ সরকারের জন্য। জুলাইয়ের রক্তাক্ত দাঙ্গার মধ্য দিয়ে যে ক্যু হয়েছে, যেভাবে বিদেশি টাকা আর জঙ্গিদের সহযোগিতায় নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে, তার ফলাফল এখন দেশের মানুষ দেখতে পাচ্ছে নিজের চোখে। টানা পাঁচ মাস রপ্তানি কমছে। এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়, এটা একটা জাতির অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার গল্প।
যে মানুষটা সারা জীবন মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে পড়ে ছিলেন, ছোটখাটো ঋণ দিয়ে সুদ খেয়ে বড় হয়েছেন, তাকে দিয়ে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হলো। এনজিও চালানো আর রাষ্ট্র পরিচালনা করা কি একই জিনিস? একটা ছোট সংস্থায় টাকা ধার দিয়ে সুদ তুলে
নেওয়া, আর একটা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থা পরিচালনা করা কি সমান কথা? মাইক্রোফিন্যান্সের হিসাব কষার যে অভিজ্ঞতা, সেটা কি জাতীয় বাজেট, রপ্তানি নীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাজে লাগে? প্রশ্নগুলো রাখা দরকার, কারণ উত্তর পরিষ্কার। বাংলাদেশের রপ্তানির পঁচাশি শতাংশ আসে তৈরি পোশাক থেকে। সেই পোশাক রপ্তানি কমেছে চৌদ্দ শতাংশের বেশি। শুধু ডিসেম্বরেই না, টানা পাঁচ মাস ধরে এই পতন চলছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ। এর মানে কী? এর মানে হলো লাখ লাখ শ্রমিকের চাকরি ঝুঁকির মুখে, কারখানা মালিকরা নতুন অর্ডার পাচ্ছেন না, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের
বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে, এই যুক্তি দেখানো হচ্ছে। ঠিক আছে, পাল্টা শুল্কের বিষয়টা আছে। কিন্তু চীন আর ভারতের ওপরও তো বেশি হারে শুল্ক আরোপ হয়েছে। তাহলে তারা ইউরোপীয় বাজারে কীভাবে কম দামে পণ্য অফার করতে পারছে? কারণ তাদের সরকার আছে, কূটনৈতিক তৎপরতা আছে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে, শিল্পবান্ধব নীতি আছে। বাংলাদেশে কী আছে? সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় চলা এক অবৈধ সরকার, যার কোনো গণভিত্তি নেই, কোনো নির্বাচনী বৈধতা নেই, এবং সবচেয়ে বড় কথা, অর্থনীতি পরিচালনার কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। ইউনূস সাহেব যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নোবেল পুরস্কার নিয়ে বক্তৃতা দিতেন, তখন হয়তো চমৎকার শোনাতো। কিন্তু একটা দেশের হাল ধরা আর সেমিনারে
বক্তৃতা দেওয়া দুটো ভিন্ন জিনিস। বাস্তবতা হলো, যে দেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, সেই দেশে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর আরও বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব, এসব মিলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে ব্যবসায়ীরা নতুন অর্ডার নিতে ভয় পাচ্ছেন, বিদেশি ক্রেতারা দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন। জুলাইয়ের দাঙ্গা কোনো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। এটা ছিল সুপরিকল্পিত একটা ষড়যন্ত্র, যেখানে বিদেশি রাষ্ট্রের অর্থায়ন ছিল, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা ছিল, এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল। এই ত্রিমুখী জোট মিলে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে, তার খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করা লক্ষ লক্ষ শ্রমিক,
যাদের অধিকাংশই নারী, তারা এখন চাকরি হারানোর ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ছোট আর মাঝারি উদ্যোক্তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না, নতুন বিনিয়োগ আনতে পারছেন না। যে সরকারের কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই, সেই সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থাও থাকে না। বিদেশি ক্রেতারা জানেন যে এই সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে। তাই তারা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে দ্বিধা করছেন, বড় অর্ডার দিতে চাইছেন না। এই অনিশ্চয়তা দেশের রপ্তানি খাতকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ইউনূসের এই তথাকথিত সরকার যদি সত্যি সত্যি দেশের মঙ্গল চাইতো, তাহলে প্রথম কাজ হতো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করা, এবং একটা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। কিন্তু
সেটা হচ্ছে না। কারণ যারা এই ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা জানেন যে নির্বাচনে গেলে তাদের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই তারা নানা অজুহাতে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন, আর এর ফলে অর্থনীতির যা হাল হওয়ার তাই হচ্ছে। রপ্তানিকারকদের দুশ্চিন্তা কেবল পরিসংখ্যানের কথা নয়। এটা লাখো মানুষের জীবিকার প্রশ্ন, কোটি টাকার লেনদেনের প্রশ্ন, দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপ দুটোই আমাদের প্রধান রপ্তানি বাজার। একটাতে শুল্কের কারণে সমস্যা, আরেকটাতে প্রতিযোগিতা সামলাতে না পারা। এর মধ্যে কি কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে? কোনো বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে? নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে? কিছুই না। সুদের কারবার করে যে মানুষ বড় হয়েছেন, তার
কাছে কি দেশের অর্থনীতি বাঁচানোর কোনো পরিকল্পনা আছে? নাকি এটাও একটা বড় মাপের মাইক্রোক্রেডিট প্রজেক্ট, যেখানে পুরো দেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলে রাখা হবে? বাস্তবতা তো সামনে আছে। টানা পাঁচ মাসে রপ্তানি কমছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মুখে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, আর এই অবৈধ সরকার নিজের বৈধতার সংকট নিয়েই ব্যস্ত। দেশটা এগিয়ে যাচ্ছিল, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হয়েছিল। রপ্তানি আয় বাড়ছিল, রিজার্ভ ভালো ছিল, বৈদেশিক বিনিয়োগ আসছিল। হ্যাঁ, চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্যা ছিল, কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার ধারা ছিল। কিন্তু একটা ক্যুর মাধ্যমে, দাঙ্গার মাধ্যমে, রক্তপাতের মাধ্যমে সবকিছু উলটে দেওয়া হলো। এখন দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতি ধসে পড়ছে, আর বিশ্ব দেখছে যে বাংলাদেশ একটা অস্থিতিশীল দেশ হয়ে গেছে। তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের প্রাণ। এই খাত ধসে গেলে পুরো অর্থনীতি ধসে যাবে। ইউনূসের এই অক্ষমতা আর অদূরদর্শিতা দেশকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখান থেকে ফিরে আসা খুবই কঠিন হবে। মাইক্রোক্রেডিটের হিসাব কষা আর দেশ চালানো এক কথা নয়, এটা এখন প্রমাণিত সত্য।
নেওয়া, আর একটা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থা পরিচালনা করা কি সমান কথা? মাইক্রোফিন্যান্সের হিসাব কষার যে অভিজ্ঞতা, সেটা কি জাতীয় বাজেট, রপ্তানি নীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাজে লাগে? প্রশ্নগুলো রাখা দরকার, কারণ উত্তর পরিষ্কার। বাংলাদেশের রপ্তানির পঁচাশি শতাংশ আসে তৈরি পোশাক থেকে। সেই পোশাক রপ্তানি কমেছে চৌদ্দ শতাংশের বেশি। শুধু ডিসেম্বরেই না, টানা পাঁচ মাস ধরে এই পতন চলছে। জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ। এর মানে কী? এর মানে হলো লাখ লাখ শ্রমিকের চাকরি ঝুঁকির মুখে, কারখানা মালিকরা নতুন অর্ডার পাচ্ছেন না, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের
বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমেছে, এই যুক্তি দেখানো হচ্ছে। ঠিক আছে, পাল্টা শুল্কের বিষয়টা আছে। কিন্তু চীন আর ভারতের ওপরও তো বেশি হারে শুল্ক আরোপ হয়েছে। তাহলে তারা ইউরোপীয় বাজারে কীভাবে কম দামে পণ্য অফার করতে পারছে? কারণ তাদের সরকার আছে, কূটনৈতিক তৎপরতা আছে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে, শিল্পবান্ধব নীতি আছে। বাংলাদেশে কী আছে? সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় চলা এক অবৈধ সরকার, যার কোনো গণভিত্তি নেই, কোনো নির্বাচনী বৈধতা নেই, এবং সবচেয়ে বড় কথা, অর্থনীতি পরিচালনার কোনো বাস্তব অভিজ্ঞতা নেই। ইউনূস সাহেব যখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে নোবেল পুরস্কার নিয়ে বক্তৃতা দিতেন, তখন হয়তো চমৎকার শোনাতো। কিন্তু একটা দেশের হাল ধরা আর সেমিনারে
বক্তৃতা দেওয়া দুটো ভিন্ন জিনিস। বাস্তবতা হলো, যে দেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল, সেই দেশে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর আরও বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব, এসব মিলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে ব্যবসায়ীরা নতুন অর্ডার নিতে ভয় পাচ্ছেন, বিদেশি ক্রেতারা দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছেন। জুলাইয়ের দাঙ্গা কোনো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। এটা ছিল সুপরিকল্পিত একটা ষড়যন্ত্র, যেখানে বিদেশি রাষ্ট্রের অর্থায়ন ছিল, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা ছিল, এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের সমর্থন ছিল। এই ত্রিমুখী জোট মিলে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে, তার খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। তৈরি পোশাক কারখানায় কাজ করা লক্ষ লক্ষ শ্রমিক,
যাদের অধিকাংশই নারী, তারা এখন চাকরি হারানোর ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। ছোট আর মাঝারি উদ্যোক্তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না, নতুন বিনিয়োগ আনতে পারছেন না। যে সরকারের কোনো গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই, সেই সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থাও থাকে না। বিদেশি ক্রেতারা জানেন যে এই সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন আছে। তাই তারা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে দ্বিধা করছেন, বড় অর্ডার দিতে চাইছেন না। এই অনিশ্চয়তা দেশের রপ্তানি খাতকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। ইউনূসের এই তথাকথিত সরকার যদি সত্যি সত্যি দেশের মঙ্গল চাইতো, তাহলে প্রথম কাজ হতো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করা, এবং একটা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। কিন্তু
সেটা হচ্ছে না। কারণ যারা এই ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা জানেন যে নির্বাচনে গেলে তাদের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই তারা নানা অজুহাতে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছেন, আর এর ফলে অর্থনীতির যা হাল হওয়ার তাই হচ্ছে। রপ্তানিকারকদের দুশ্চিন্তা কেবল পরিসংখ্যানের কথা নয়। এটা লাখো মানুষের জীবিকার প্রশ্ন, কোটি টাকার লেনদেনের প্রশ্ন, দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপ দুটোই আমাদের প্রধান রপ্তানি বাজার। একটাতে শুল্কের কারণে সমস্যা, আরেকটাতে প্রতিযোগিতা সামলাতে না পারা। এর মধ্যে কি কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে? কোনো বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে? নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে? কিছুই না। সুদের কারবার করে যে মানুষ বড় হয়েছেন, তার
কাছে কি দেশের অর্থনীতি বাঁচানোর কোনো পরিকল্পনা আছে? নাকি এটাও একটা বড় মাপের মাইক্রোক্রেডিট প্রজেক্ট, যেখানে পুরো দেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলে রাখা হবে? বাস্তবতা তো সামনে আছে। টানা পাঁচ মাসে রপ্তানি কমছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপের মুখে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, আর এই অবৈধ সরকার নিজের বৈধতার সংকট নিয়েই ব্যস্ত। দেশটা এগিয়ে যাচ্ছিল, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হয়েছিল। রপ্তানি আয় বাড়ছিল, রিজার্ভ ভালো ছিল, বৈদেশিক বিনিয়োগ আসছিল। হ্যাঁ, চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্যা ছিল, কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার ধারা ছিল। কিন্তু একটা ক্যুর মাধ্যমে, দাঙ্গার মাধ্যমে, রক্তপাতের মাধ্যমে সবকিছু উলটে দেওয়া হলো। এখন দেশ পিছিয়ে যাচ্ছে, অর্থনীতি ধসে পড়ছে, আর বিশ্ব দেখছে যে বাংলাদেশ একটা অস্থিতিশীল দেশ হয়ে গেছে। তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের প্রাণ। এই খাত ধসে গেলে পুরো অর্থনীতি ধসে যাবে। ইউনূসের এই অক্ষমতা আর অদূরদর্শিতা দেশকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখান থেকে ফিরে আসা খুবই কঠিন হবে। মাইক্রোক্রেডিটের হিসাব কষা আর দেশ চালানো এক কথা নয়, এটা এখন প্রমাণিত সত্য।



