ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে কিনা- সন্দেহ দেবপ্রিয়র
পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির
বাংলাদেশে সহিংসতা বাড়ছে, রাজনীতিতে উপেক্ষিত নারী
বাংলাদেশের প্রধান ঝুঁকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
অর্থনীতিতে স্থবিরতা, বাড়ছে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা
দেশের অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য হ্রাস ও উৎপাদন কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা। উচ্চশিক্ষিত তরুণরাও কাঙ্ক্ষিত চাকরি পাচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি পুনরুদ্ধার করতে না পারলে কর্মসংস্থানের সংকট আরও গভীর হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কর্মসংস্থানের দুটি প্রধান খাত হলো তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স)। কিন্তু সাম্প্রতিক সময় এই দুই খাতেই অগ্রগতি নয়, বরং দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা ও সংকট। তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে নতুন অর্ডার কমে যাওয়ায় উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, গত এক বছরে প্রায় ১০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন
করে মাত্র ৩০টি কারখানা চালু হলেও সেগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুবই সীমিত। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, “একদিকে কারখানা বন্ধ হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন বিনিয়োগও আসছে না। ফলে শ্রমিকরা বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে পরিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।” অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মূলত দুটি খাত— তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই দুই ক্ষেত্রেই এখন চাপ বাড়ছে। আমাদের এখন সময় এসেছে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস ও কর্মসংস্থানের খাত চিহ্নিত করার।” তিনি আরও বলেন, “দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তব ফল দিচ্ছে না। দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীল
খাতে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন বাড়াতে না পারলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে না।” তথ্য বলছে, এক বছরে শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, বেকার হয়েছেন লক্ষাধিক শ্রমিক। নতুন কিছু কারখানা গড়ে উঠলেও সেখানে কাজের সুযোগ খুবই সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্পে এমন স্থবিরতা অব্যাহত থাকলে বেকারত্বের হার আরও বাড়বে। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স খাতেও দেখা দিয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ায় নতুন শ্রমিক পাঠানোর হারও হ্রাস পাচ্ছে। ফলে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে দ্রুত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে হবে। তারা মনে করেন, কর্মসংস্থান শুধু স্বল্পমেয়াদি
কোনো প্রকল্পের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। উৎপাদনে গতি ফিরিয়ে আনতে না পারলে বেকারত্বের হার আরও বাড়বে এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।
করে মাত্র ৩০টি কারখানা চালু হলেও সেগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুবই সীমিত। ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, “একদিকে কারখানা বন্ধ হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন বিনিয়োগও আসছে না। ফলে শ্রমিকরা বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে পরিবারিক ও সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।” অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মূলত দুটি খাত— তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই দুই ক্ষেত্রেই এখন চাপ বাড়ছে। আমাদের এখন সময় এসেছে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস ও কর্মসংস্থানের খাত চিহ্নিত করার।” তিনি আরও বলেন, “দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তব ফল দিচ্ছে না। দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীল
খাতে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন বাড়াতে না পারলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে না।” তথ্য বলছে, এক বছরে শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, বেকার হয়েছেন লক্ষাধিক শ্রমিক। নতুন কিছু কারখানা গড়ে উঠলেও সেখানে কাজের সুযোগ খুবই সীমিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্পে এমন স্থবিরতা অব্যাহত থাকলে বেকারত্বের হার আরও বাড়বে। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স খাতেও দেখা দিয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমে যাওয়ায় নতুন শ্রমিক পাঠানোর হারও হ্রাস পাচ্ছে। ফলে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে দ্রুত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে হবে। তারা মনে করেন, কর্মসংস্থান শুধু স্বল্পমেয়াদি
কোনো প্রকল্পের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। উৎপাদনে গতি ফিরিয়ে আনতে না পারলে বেকারত্বের হার আরও বাড়বে এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।



