ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের
ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী
বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত
শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে
‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর
ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু
অবৈধ ইউনুস সরকারের সাজানো নির্বাচন ,ভোট বর্জনের আহ্বান
অবৈধ ইউনুস সরকারের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে সাজানো এই তথাকথিত নির্বাচন আজ দেশের মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। এটি কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, কোনো কারিগরি ত্রুটিও নয় এটি জনগণের ভোটাধিকার হরণ করার একটি ঠান্ডা মাথার, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক নকশা। এই নির্বাচন জনগণের জন্য নয় এটি জনগণের বিরুদ্ধেই দাঁড় করানো এক নির্মম প্রহসন।
একতরফা নির্বাচন নিশ্চিত করতেই প্রায় ৮০ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন পরিকল্পিতভাবে বাতিল করা হয়েছে। যারা ভোটের মাঠে প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারত, জনগণকে বিকল্প দিতে পারত তাদেরই টার্গেট করে ছাঁটাই করা হয়েছে। অথচ একই অভিযোগ ও একই আইনি সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বিএনপি–জামায়াতঘনিষ্ঠ প্রার্থীদের মনোনয়ন নির্বিঘ্নে বহাল রাখা
হয়েছে। এই দ্বৈত নীতি স্পষ্ট করে দেয় এখানে আইনের শাসন নেই, আছে দলীয় পক্ষপাত ও নগ্ন রাজনৈতিক কারচুপি। দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দিয়ে ভোটারদের সামনে কৃত্রিম শূন্যতা তৈরি করা হয়েছে। জনগণকে সচেতন নাগরিক নয়, নীরব দর্শকে পরিণত করাই ছিল এই নকশার মূল লক্ষ্য। আরও ভয়াবহ হলো—বিদেশি নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি হেভিওয়েট প্রার্থীরাও বিএনপির পরিচয়ে অবাধ ছাড় পেয়েছেন। যাদের ক্ষেত্রে আইন সবচেয়ে কঠোর হওয়ার কথা, তাদের জন্যই আইন হয়েছে অন্ধ ও বধির। ফলে নির্বাচন কমিশন আজ আর সাংবিধানিক কোনো প্রতিষ্ঠান নয় এটি ক্ষমতার আজ্ঞাবহ যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে কাগজে-কলমে বাইরে রেখেও দেশকে ঠেলে দেওয়া
হচ্ছে এক চরম একপাক্ষিক নির্বাচনের দিকে। এই প্রহসনের মাধ্যমে যে সরকারই গঠিত হোক না কেন, তার কোনো নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ঐতিহাসিক বৈধতা থাকবে না। এ সরকার জনগণের সম্মতিতে নয় জালিয়াতি ও দমন–পীড়নের ওপর দাঁড়াবে। আর ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, জনসমর্থনহীন ক্ষমতা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এই কারণেই আজ জনমনে ক্ষোভ জমেছে এই ক্ষোভ বিস্ফোরণের অপেক্ষায়। এটি কোনো দলের উসকানি নয়; এটি ভোটবঞ্চিত মানুষের স্বাভাবিক ও ন্যায্য প্রতিক্রিয়া। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, তরুণ, পেশাজীবী—সবাই বুঝে গেছে, এটি আর কোনো দলের নির্বাচন নয়; এটি জনগণের অস্তিত্ব, অধিকার ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। “একতরফা নির্বাচন মানি না”—এই স্লোগান আজ রাজপথে, অলিগলিতে এবং মানুষের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এই নির্বাচন
প্রতিহত করাই এখন সময়ের দাবি। গণতন্ত্র ভিক্ষায় মেলে না, ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে তৈরি হয় না—গণতন্ত্র আদায় করে নিতে হয়। জনগণের ঐক্যই আজ সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি এই অবৈধ নির্বাচনী নাটক বন্ধ না হয়, তবে জনগণ শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় প্রতিরোধের মাধ্যমেই তার জবাব দেবে। ইতিহাসের চাকা থামিয়ে রাখা যায় না, আর জনগণের জাগরণ কোনো সাজানো নকশাতেই দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।
হয়েছে। এই দ্বৈত নীতি স্পষ্ট করে দেয় এখানে আইনের শাসন নেই, আছে দলীয় পক্ষপাত ও নগ্ন রাজনৈতিক কারচুপি। দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দিয়ে ভোটারদের সামনে কৃত্রিম শূন্যতা তৈরি করা হয়েছে। জনগণকে সচেতন নাগরিক নয়, নীরব দর্শকে পরিণত করাই ছিল এই নকশার মূল লক্ষ্য। আরও ভয়াবহ হলো—বিদেশি নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপি হেভিওয়েট প্রার্থীরাও বিএনপির পরিচয়ে অবাধ ছাড় পেয়েছেন। যাদের ক্ষেত্রে আইন সবচেয়ে কঠোর হওয়ার কথা, তাদের জন্যই আইন হয়েছে অন্ধ ও বধির। ফলে নির্বাচন কমিশন আজ আর সাংবিধানিক কোনো প্রতিষ্ঠান নয় এটি ক্ষমতার আজ্ঞাবহ যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে কাগজে-কলমে বাইরে রেখেও দেশকে ঠেলে দেওয়া
হচ্ছে এক চরম একপাক্ষিক নির্বাচনের দিকে। এই প্রহসনের মাধ্যমে যে সরকারই গঠিত হোক না কেন, তার কোনো নৈতিক, রাজনৈতিক কিংবা ঐতিহাসিক বৈধতা থাকবে না। এ সরকার জনগণের সম্মতিতে নয় জালিয়াতি ও দমন–পীড়নের ওপর দাঁড়াবে। আর ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, জনসমর্থনহীন ক্ষমতা কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয় না। এই কারণেই আজ জনমনে ক্ষোভ জমেছে এই ক্ষোভ বিস্ফোরণের অপেক্ষায়। এটি কোনো দলের উসকানি নয়; এটি ভোটবঞ্চিত মানুষের স্বাভাবিক ও ন্যায্য প্রতিক্রিয়া। শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, তরুণ, পেশাজীবী—সবাই বুঝে গেছে, এটি আর কোনো দলের নির্বাচন নয়; এটি জনগণের অস্তিত্ব, অধিকার ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। “একতরফা নির্বাচন মানি না”—এই স্লোগান আজ রাজপথে, অলিগলিতে এবং মানুষের হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এই নির্বাচন
প্রতিহত করাই এখন সময়ের দাবি। গণতন্ত্র ভিক্ষায় মেলে না, ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে তৈরি হয় না—গণতন্ত্র আদায় করে নিতে হয়। জনগণের ঐক্যই আজ সবচেয়ে বড় শক্তি। যদি এই অবৈধ নির্বাচনী নাটক বন্ধ না হয়, তবে জনগণ শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় প্রতিরোধের মাধ্যমেই তার জবাব দেবে। ইতিহাসের চাকা থামিয়ে রাখা যায় না, আর জনগণের জাগরণ কোনো সাজানো নকশাতেই দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়।



