ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ
দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে
‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
অধ্যাপক আবুল বারকাতের জামিনে মুক্তি দাবি ১২২ নাগরিকের
গুরুতর অসুস্থতার কারণে মানবিক বিবেচনায় অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতকে অবিলম্বে জামিনে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১২২ নাগরিক।
রোববার যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি ড. আবুল বারকাতকে দুর্নীতির একটি অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি গত প্রায় ৪০ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নির্বাচিত সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।’
তারা বলেন, ‘আমরা অধ্যাপক বারকাতের সরল-নির্মোহ প্রাত্যহিক জীবনযাপন দেখেছি এবং তার সম্পর্কে জানি। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে, যা
আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘৭২ বছর বয়সী অধ্যাপক বারকাত দীর্ঘদিন ধরে হার্ট, স্ট্রোক-পরবর্তী জটিলতা, ফুসফুসের সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন কারণে দৈনিক তিন বেলা ওষুধ সেবন করেন। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির কারণে তাকে সপ্তাহে ৫ দিন ফিজিওথেরাপি নিতে হয়। অতীতে দু’বার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।’ নাগরিকরা বলেন, ‘আমরা তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাই চাই মানবিক বিবেচনায় তাকে অবিলম্বে জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক।’ বিবৃতিতে সই করেছেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
ড. নুরুল আমিন বেপারী, অধ্যাপক এম এম আকাশ, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের ভিজিটিং প্রফেসর স্বপন আদনান, অধ্যাপক মোনাওয়ার উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. ফেরদৌস হোসেন, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী, মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, নারী অধিকার কর্মী শিরিন হক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক নাজমা বেগম, অধ্যাপক শামসুন নাহার আহমেদ, অধ্যাপক মাসুদা ইয়াসমিন, অধ্যাপক সেলিম রায়হান, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক জোবাইদা নাসরিন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য
পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, অধ্যাপক সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ ও সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান। এতে আরও সই করেন, বেলার প্রধান নির্বাহী তসলিমা ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. লোপামুদ্রা মালেক, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবিহা ইয়াসমিন রোজী, সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, সহকারী অধ্যাপক এস এম ইমরান হোসেন, সহকারী অধ্যাপক তামান্না রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ফারহা তানজীম তিতিল, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, মানবাধিকার কর্মী সাঈদ আহমেদ, সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ, চলচ্চিত্র নির্মাতা এফ এম শাহীন, অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন প্রমুখ।
আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘৭২ বছর বয়সী অধ্যাপক বারকাত দীর্ঘদিন ধরে হার্ট, স্ট্রোক-পরবর্তী জটিলতা, ফুসফুসের সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন কারণে দৈনিক তিন বেলা ওষুধ সেবন করেন। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথির কারণে তাকে সপ্তাহে ৫ দিন ফিজিওথেরাপি নিতে হয়। অতীতে দু’বার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।’ নাগরিকরা বলেন, ‘আমরা তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ব্যাপারে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাই চাই মানবিক বিবেচনায় তাকে অবিলম্বে জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক।’ বিবৃতিতে সই করেছেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
ড. নুরুল আমিন বেপারী, অধ্যাপক এম এম আকাশ, লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের ভিজিটিং প্রফেসর স্বপন আদনান, অধ্যাপক মোনাওয়ার উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. ফেরদৌস হোসেন, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী, মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, নারী অধিকার কর্মী শিরিন হক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক নাজমা বেগম, অধ্যাপক শামসুন নাহার আহমেদ, অধ্যাপক মাসুদা ইয়াসমিন, অধ্যাপক সেলিম রায়হান, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক জোবাইদা নাসরিন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য
পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, অধ্যাপক সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ ও সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান। এতে আরও সই করেন, বেলার প্রধান নির্বাহী তসলিমা ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. লোপামুদ্রা মালেক, সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবিহা ইয়াসমিন রোজী, সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, সহকারী অধ্যাপক এস এম ইমরান হোসেন, সহকারী অধ্যাপক তামান্না রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ফারহা তানজীম তিতিল, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এম রেজাউল করিম চৌধুরী, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, মানবাধিকার কর্মী সাঈদ আহমেদ, সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ, চলচ্চিত্র নির্মাতা এফ এম শাহীন, অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন প্রমুখ।



