ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ভাইয়া কার্ড বেচে’ স্লোগান: ২ মাস ধরে দিনে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিক্ষুব্ধ গ্রাহকদের সড়ক অবরোধ
ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বস্তায় বস্তায় পেঁয়াজ নদীতে ফেলছেন কৃষক, এমপি ব্যস্ত সংসদে ‘তারেক বন্দনায়’
নিপীড়নের মুখে দেশছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক ডা. প্রাণ গোপাল অর্জিত মেধা-প্রজ্ঞা দান করছেন বিদেশি শিক্ষার্থীদের
রাষ্ট্রের স্বাধীনতাবিরোধীরা আমার ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে হত্যা করেছে: ছাত্রলীগ নেতা প্রান্তর মা
পুলিশে বড় রদবদল
চুরির টাকায় বিলাসী জীবন! রাম মন্দির চুরিকাণ্ডে নয়া মোড়
৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, দেখুন ফল
হারিছ চৌধুরীর মরদেহ তুলে ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরীর মরদেহ কবর থেকে তুলে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ‘মাহমুদুর রহমান’ নামে সাভারের একটি মাদ্রাসার কবরে সমাহিত করা হয়েছে তাকে।
হারিছ চৌধুরীর মেয়ে ব্যারিস্টার সামিরা তানজিম চৌধুরী রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিটে সাভারের মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হারিছ চৌধুরীর অবশিষ্ট (মরদেহের) যা আছে, তা তুলে ডিএনএ পরীক্ষা করে তার প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ এবং তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্য সম্মানসহ নিজ বাড়িতে দাফন করার প্রার্থনার কথা জানান সামিরা তানজিম।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অন্যতম আসামি হারিছ চৌধুরী ২০০৭ সালে জরুরি
অবস্থা ঘোষণার পর সিলেটের কানাইঘাটে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। যৌথবাহিনীর অভিযান চলাকালে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যান। তারপর থেকে হারিছ চৌধুরীর অবস্থান নিশ্চিত ছিল না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গত ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর হারিছ চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। সে বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায়ও তিনি আসামি ছিলেন।
অবস্থা ঘোষণার পর সিলেটের কানাইঘাটে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। যৌথবাহিনীর অভিযান চলাকালে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যান। তারপর থেকে হারিছ চৌধুরীর অবস্থান নিশ্চিত ছিল না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় গত ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর হারিছ চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। সে বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায়ও তিনি আসামি ছিলেন।



