হঠাৎ আন্দোলনস্থলে হাজির মমতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা লিখলেন দেব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৮:০৩ অপরাহ্ণ

হঠাৎ আন্দোলনস্থলে হাজির মমতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় যা লিখলেন দেব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৮:০৩ 230 ভিউ
গত ৯ আগস্ট কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। এরপর অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত এবং নিরাপত্তার দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠে গোটা পশ্চিমবঙ্গ। একাধিক দাবি নিয়ে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আজ (শনিবার) হঠাৎ জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনস্থলে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মসূচি মঞ্চে গিয়ে মমতা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী নয়, বড় দিদির মতো এসেছি।আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাচ্ছি। আমি আপনাদের ব্যথা বুঝি।গত ৩৪ দিন ধরে আমিও রাতের পর রাত ঘুমোইনি। কারণ, আপনারা রাস্তায় থাকলে আমাকেও পাহারাদার হিসাবে জেগে থাকতে হয়।আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আপনাদের দাবিগুলো সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করব।’ মুখ্যমন্ত্রীর জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনস্থলে উপস্থিতির খবর

শোনা মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে অভিনন্দন জানালেন সংসদ সদস্য, প্রযোজক ও অভিনেতা দেব। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে দেব লিখেছেন, ‘আগেও দেখেছি, আপনি কিভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আজ আবার দেখলাম নিজের লোকের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন।’ একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেব। তিনি লেখেন, ‘দিদি, আপনাকে কুর্নিশ জানাই এই উদ্যোগের জন্য’ আন্দোলন মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি যেমন আশার আলো দেখিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের, একইভাবে আশাবাদী দেবও।তাই তিনি লিখলেন, ‘আশা করছি, শান্তি, ন্যায়, সম্মান— সব ফিরে আসুক।’ আরজি করকাণ্ডের প্রথম থেকে সরব দেব।শুরুতে তিনি বিদেশে ছিলেন। সেখান থেকে তার প্রথম পদক্ষেপ, আগামী ছবি ‘খাদান’-এর টিজ়ারমুক্তি পেছানো।১৪ অগস্ট প্রথম রাত দখলের ঘোষণা। সে দিন দেবের ছবির টিজ়ার মুক্তির কথা ছিল। স্বাধীনতা

দিবসের আগের রাতে তরুণী চিকিৎসকের নির্যাতন-মৃত্যু প্রত্যেককে পথে নামিয়েছিল। সেই অনুভূতি ছুঁয়ে গিয়েছিল তাকেও। দেশে ফিরে আর্টিস্ট ফোরামের ডাকা সমাবেশ মঞ্চে প্রথম প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন দেব।সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘সবার মতো আমিও অপরাধী বা অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি চাইছি। এমন শাস্তি, যা বাকিদের ভয় পাইয়ে দেবে। এ রকম ঘৃণ্য কাজ করার আগে অভিযুক্ত দ্বিতীয়বার ভাববে।’ পাশাপাশি তিনিও শাস্তি হিসেবে ফাঁসির কথা বলেন।তিনি এও বলেন, মেয়েকে নয়, এখন ছেলেদের ‘গুড টাচ’, ‘ব্যাড টাচ’ শেখাতে হবে। শুক্রবার ছিল তার আসন্ন দুর্গাপূজার ছবি ‘টেক্কা’র ট্রেলার মুক্তি। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ছবিতে দেবের সঙ্গে রয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রুক্মিণী মৈত্র, সৃজা দত্তসহ একঝাঁক খ্যাতনামী অভিনেতা। অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে

টোটা রায় চৌধুরীকে। প্রচারে এসে দেব এদিনও বলেন, ‘আমরা কেউ চাই না, আমাদের রাজ্যে ও দেশে কখনও আরজি করের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক। প্রত্যেক নারী যেন স্বাধীনভাবে নিজের মনের মতো করে বাঁচতে পারেন, এটাই চাই।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?